ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বারবার মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

 কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বারবার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা সদর ইউনিয়নের দুই নম্বর কয়রা গ্রামের বাসিন্দা মো: আবু সাঈদ। ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ২ টায় কয়রা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আবু সাঈদ বলেন, ২০১৭ সালে একই গ্রামের খালেক মল্লিকের মেয়ে ফিরোজা সুলতানার সাথে তার বিয়ে হয়, বিয়ের দুই বছর পর স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলে, বিষয়টি সমাধান না করে আমার ছয় মাসের কন্যা সন্তান নিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে পালিয়ে যায়।  সেই হইতে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার নামে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল  ১ মামলা নং ৩০০/ ১৯ তাং ২৬/৬/২০১৯, বিজ্ঞ মহানগর হাকিমী আমলি আদালত ‘খ’ অঞ্চল খুলনা তে যৌতুক মামলা নং ৫৭/১৯  তারিখ ১০/ ৬/১৯ এবং একই তারিখে বিজ্ঞ দৌলতপুর সহকারি জজ ও পারিবারিক আদালত খুলনাতে দেনমোহর ও খরগোশ বাবদ পা:  ৫২/১৯ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কয়রা, খুলনাতে এম আর ১১১/ ১৯ তারিখ ২৪/০৯/১৯ নং মিথ্যা মামলা সমূহ একের পর এক আমার বিরুদ্ধে করিয়াছে, প্রত্যেকটি মামলাতে আমার স্ত্রীর প্রতিবেশী আমেনা খাতুন কে সাক্ষী হিসাবে রাখে, এবং এই মামলাগুলিতে আমার পক্ষে সাক্ষী দিবে বলিয়া অর্থ দাবি করে এবং বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে সে অর্থ নিতে থাকে।

এমত অবস্থায় উল্লেখিত মিথ্যা মামলা থেকে মহামান্য আদালত আমাকে অব্যাহতি প্রদান করে। আমি আমার স্ত্রীকে গত ইং ১৪/১১/২০ তারিখে তালাক প্রদান করি। এরপর থেকে তারা পুনারায় হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য তালাকের তিন বছর পর অর্থাৎ ১২ /১২/ ২২ তারিখে বিজ্ঞ মহানগর হাকিমের আমলি আদালত আরংঘাটা “খ’  অঞ্চল খুলনাতে যৌতুক আইনে ৬৯/২২ নং মামলা দায়ের করে যাহা বিজ্ঞ আদালতে চলমান। এই মামলাতেও ওই একই ব্যক্তি আমেনা খাতুন সাক্ষী আছে। সর্বশেষ আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর পিতার বাড়িতে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের প্রতিবেশীর সাথে ঝগড়া বিবাদ ও মারামারি হয়, এ বিষয়ে আমি কিছু না জানা সত্ত্বেও উক্ত একই ব্যক্তি আমেনা খাতুন কে সাক্ষী করে গত   ১৬/৯/ ২৩ তারিখে আমাকে ৪ নম্বর আসামি করে কয়রা থানায় মামলা দায়ের করে থানার মামলা নং ১৮ নং । গত  ১৮/৯/ ২৩ তারিখে উক্ত আমেনা খাতুন আমাকে ডেকে আমার পক্ষে সাক্ষী দেবে বলিয়া পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে।   এমত অবস্থায় বারবার মিথ‍্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির শিকার হয়ে দুরবিসহ জীবন যাপন করছেন। তিনি বারবার মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

বা/খ/রা

নিউজটি শেয়ার করুন

বারবার মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বারবার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা সদর ইউনিয়নের দুই নম্বর কয়রা গ্রামের বাসিন্দা মো: আবু সাঈদ। ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ২ টায় কয়রা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আবু সাঈদ বলেন, ২০১৭ সালে একই গ্রামের খালেক মল্লিকের মেয়ে ফিরোজা সুলতানার সাথে তার বিয়ে হয়, বিয়ের দুই বছর পর স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলে, বিষয়টি সমাধান না করে আমার ছয় মাসের কন্যা সন্তান নিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে পালিয়ে যায়।  সেই হইতে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার নামে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল  ১ মামলা নং ৩০০/ ১৯ তাং ২৬/৬/২০১৯, বিজ্ঞ মহানগর হাকিমী আমলি আদালত ‘খ’ অঞ্চল খুলনা তে যৌতুক মামলা নং ৫৭/১৯  তারিখ ১০/ ৬/১৯ এবং একই তারিখে বিজ্ঞ দৌলতপুর সহকারি জজ ও পারিবারিক আদালত খুলনাতে দেনমোহর ও খরগোশ বাবদ পা:  ৫২/১৯ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কয়রা, খুলনাতে এম আর ১১১/ ১৯ তারিখ ২৪/০৯/১৯ নং মিথ্যা মামলা সমূহ একের পর এক আমার বিরুদ্ধে করিয়াছে, প্রত্যেকটি মামলাতে আমার স্ত্রীর প্রতিবেশী আমেনা খাতুন কে সাক্ষী হিসাবে রাখে, এবং এই মামলাগুলিতে আমার পক্ষে সাক্ষী দিবে বলিয়া অর্থ দাবি করে এবং বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে সে অর্থ নিতে থাকে।

এমত অবস্থায় উল্লেখিত মিথ্যা মামলা থেকে মহামান্য আদালত আমাকে অব্যাহতি প্রদান করে। আমি আমার স্ত্রীকে গত ইং ১৪/১১/২০ তারিখে তালাক প্রদান করি। এরপর থেকে তারা পুনারায় হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য তালাকের তিন বছর পর অর্থাৎ ১২ /১২/ ২২ তারিখে বিজ্ঞ মহানগর হাকিমের আমলি আদালত আরংঘাটা “খ’  অঞ্চল খুলনাতে যৌতুক আইনে ৬৯/২২ নং মামলা দায়ের করে যাহা বিজ্ঞ আদালতে চলমান। এই মামলাতেও ওই একই ব্যক্তি আমেনা খাতুন সাক্ষী আছে। সর্বশেষ আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর পিতার বাড়িতে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের প্রতিবেশীর সাথে ঝগড়া বিবাদ ও মারামারি হয়, এ বিষয়ে আমি কিছু না জানা সত্ত্বেও উক্ত একই ব্যক্তি আমেনা খাতুন কে সাক্ষী করে গত   ১৬/৯/ ২৩ তারিখে আমাকে ৪ নম্বর আসামি করে কয়রা থানায় মামলা দায়ের করে থানার মামলা নং ১৮ নং । গত  ১৮/৯/ ২৩ তারিখে উক্ত আমেনা খাতুন আমাকে ডেকে আমার পক্ষে সাক্ষী দেবে বলিয়া পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে।   এমত অবস্থায় বারবার মিথ‍্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির শিকার হয়ে দুরবিসহ জীবন যাপন করছেন। তিনি বারবার মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

বা/খ/রা