ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বানারীপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদে দুর্ধর্ষ চুরি 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৪ বার পড়া হয়েছে

বানারীপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদে দুর্ধর্ষ চুরি 

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :

বরিশালের বানারীপাড়ায় পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরি-ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। উপজেলার সলিয়াবাকপুর ও চাখারে আমেরিকা প্রবাসীর বাসা ও ব্যাংকসহ তিনটি সিরিজ ডাকাতি ও পৌর শহরে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনার পরে এবার উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদে দূর্ধর্ষ চুরি সংঘঠিত হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত অনুমান সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদে চুরি হয় বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হুমাউন কবির জানান । এ সময় তার কক্ষ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও বিভিন্ন কাগজপত্র,ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মো. রবিউল ইসলামের কক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও সচিব মো. আবুল কালামের কক্ষ থেকে পরিষদের গুরত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয় বলে তিনি জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদের ভবন দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোন প্রকার সংস্কার করা হয়নি। নির্মাণের সময় থেকে দরজায় যে হুক লাগানো ছিলো তাতে মরিচা পরে অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। সেই হুক গুলো ভেঙ্গেই ৩টি রুমের ভিতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে সার্বক্ষনিক একজন গ্রাম পুলিশ পাহারার দায়িত্বে থাকার নিয়ম থাকলেও এ ইউনিয়নে সেই আইন পালন করা হয় না বলেও জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হুমায়ুন কবির। উদয়কাঠি বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদ একই স্থানে প্রতিষ্ঠিত, ওই বাজারেও নেই কোন কমিটি এবং পাহারার ব্যবস্থা। তবে পরিষদে চুরির পরে নড়েচরে বসেছেন পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদ বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদে চুরির ঘটনা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। অরক্ষিত ইউনিয়ন পরিষদে লক্ষাধিক টাকা রেখে যাওয়া ও সেই টাকার উৎস নিয়ে খোদ থানার ওসি এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী প্রশ্ন তুলেছেন। বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে ২২ ডিসেম্বর দিন-দুপুরে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের কোয়ার্টারে ইউএনও’র কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইয়াসমিনের বাসাসহ একই দিনে পৌর শহরে ৩টি চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরের দল এসব বাসা থেকে কয়েক লাখ টাকা ও স্বর্নালঙ্কারসহ মূল্যবান মালপত্র নিয়ে গেছে। শুধু রাতের অন্ধকারেরই নয় প্রকাশ দিবালোকে খোদ পৌর শহরে একের পর এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় পৌরবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন এসব চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রটিকে চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বানারীপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদে দুর্ধর্ষ চুরি 

আপডেট সময় : ০৬:২৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :

বরিশালের বানারীপাড়ায় পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরি-ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। উপজেলার সলিয়াবাকপুর ও চাখারে আমেরিকা প্রবাসীর বাসা ও ব্যাংকসহ তিনটি সিরিজ ডাকাতি ও পৌর শহরে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনার পরে এবার উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদে দূর্ধর্ষ চুরি সংঘঠিত হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত অনুমান সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদে চুরি হয় বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হুমাউন কবির জানান । এ সময় তার কক্ষ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও বিভিন্ন কাগজপত্র,ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মো. রবিউল ইসলামের কক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও সচিব মো. আবুল কালামের কক্ষ থেকে পরিষদের গুরত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয় বলে তিনি জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদের ভবন দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোন প্রকার সংস্কার করা হয়নি। নির্মাণের সময় থেকে দরজায় যে হুক লাগানো ছিলো তাতে মরিচা পরে অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। সেই হুক গুলো ভেঙ্গেই ৩টি রুমের ভিতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে সার্বক্ষনিক একজন গ্রাম পুলিশ পাহারার দায়িত্বে থাকার নিয়ম থাকলেও এ ইউনিয়নে সেই আইন পালন করা হয় না বলেও জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হুমায়ুন কবির। উদয়কাঠি বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদ একই স্থানে প্রতিষ্ঠিত, ওই বাজারেও নেই কোন কমিটি এবং পাহারার ব্যবস্থা। তবে পরিষদে চুরির পরে নড়েচরে বসেছেন পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদ বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদে চুরির ঘটনা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। অরক্ষিত ইউনিয়ন পরিষদে লক্ষাধিক টাকা রেখে যাওয়া ও সেই টাকার উৎস নিয়ে খোদ থানার ওসি এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী প্রশ্ন তুলেছেন। বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে ২২ ডিসেম্বর দিন-দুপুরে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের কোয়ার্টারে ইউএনও’র কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইয়াসমিনের বাসাসহ একই দিনে পৌর শহরে ৩টি চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরের দল এসব বাসা থেকে কয়েক লাখ টাকা ও স্বর্নালঙ্কারসহ মূল্যবান মালপত্র নিয়ে গেছে। শুধু রাতের অন্ধকারেরই নয় প্রকাশ দিবালোকে খোদ পৌর শহরে একের পর এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় পৌরবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন এসব চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রটিকে চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।