ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাত পোহালেই পহেলা বৈশাখ-বাংলা নববর্ষ । রোববার (১৪ এপ্রিল) ভোর হলেই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হবে নতুন বর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। জীর্ণ পুরাতন সবকিছু ভেসে যাক, ‘মুছে যাক গ্লানি’ এভাবে বিদায়ী সূর্যের কাছে আহ্বান জানাবে বাঙালি।

ইতোমধ্যে তাদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদিন সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানান তিনি।

টুইটে বাইডেন লেখেন, বৈশাখী, নবরাত্রি, সংক্রান এবং এই সপ্তাহে আসন্ন নববর্ষ উদযাপনে সারা বিশ্বে জড়ো হওয়া সবাইকে জিল ও আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের আনন্দ কামনা করছি। সবশেষে তিনি লেখেন, শুভ বাংলা, খেমার, লাও, মায়ানমারিজ, নেপালি, সিংহলি, তামিল, থাই ও বিষু নববর্ষ।

বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস ও ইউনেস্কো একে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

রাত পোহালেই পহেলা বৈশাখ-বাংলা নববর্ষ । রোববার (১৪ এপ্রিল) ভোর হলেই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হবে নতুন বর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। জীর্ণ পুরাতন সবকিছু ভেসে যাক, ‘মুছে যাক গ্লানি’ এভাবে বিদায়ী সূর্যের কাছে আহ্বান জানাবে বাঙালি।

ইতোমধ্যে তাদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদিন সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানান তিনি।

টুইটে বাইডেন লেখেন, বৈশাখী, নবরাত্রি, সংক্রান এবং এই সপ্তাহে আসন্ন নববর্ষ উদযাপনে সারা বিশ্বে জড়ো হওয়া সবাইকে জিল ও আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের আনন্দ কামনা করছি। সবশেষে তিনি লেখেন, শুভ বাংলা, খেমার, লাও, মায়ানমারিজ, নেপালি, সিংহলি, তামিল, থাই ও বিষু নববর্ষ।

বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস ও ইউনেস্কো একে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।