ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাংলা খবর বিডি’র প্রকাশক ও সম্পাদকের ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩
  • / ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// শামছুর রহমান শিশির //

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীর শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করে এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজ বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলা খবর বিডি’র প্রকাশক মানিক কুমার সরকার, সম্পাদক শামছুর রহমান শিশির, নির্বাহী সম্পাদক অসীম কুমার সাহা বানী, সহকারী সম্পাদক বাসুদেব দত্ত ও রতন কুমার বসাক বলেন, ‘ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন! কোরবানির সাথে সাথে নিজের পশুত্বকেও কোরবানি দিতে হবে। সেইসাথে ধনী, গরীব, দুঃখী, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসবের সাথে ঈদের দিন উদযাপিত হবে সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই প্রার্থনা। সেইসাথে বাংলা খবর বিডি’র সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীসহ সবাই কে পবিত্র ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা । জয় হোক বিশ্ব মানবতার!’

আগামীকাল ২৯ জুন বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় এ উৎসব যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আমেজে সারা দেশে উদযাপিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে পালন করবে ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসব।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)’র আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এ প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। অনন্য এ ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় কোরবানির প্রচলন।

মহান আল্লাহপাকের প্রতি আনুগত্য এবং তাঁরই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানি ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে অন্যতম ঈদুল আজহা শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতাই নয়, এ ঈদ সমগ্র বিশ্বে মুসলমানদের ত্যাগ, আত্মসমর্পণ ও আত্মোপলব্ধির শিক্ষা দেয়। ইসলামে কোরবানি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র কুরআনে সূরা কাউসারে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে- ‘অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি করুন’। সূরা হজে বলা হয়েছে ‘কুরবানি করা পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা’। কুরবানির মূল উদ্দেশ্যই তাকওয়া বা খোদাভীতি। এ প্রসঙ্গে কুরআনে বলা হয়েছে- ‘এগুলোর গোশত আমার কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়।’
রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘ঈদুল আজহার দিন কুরবানির চেয়ে আর কোনো কাজ আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দীয় নয়।’ অন্যত্র বলেছেন ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পারও কুরবানি দিলো না সে যেন আমার ঈদগাহে না যায়।’
কুরবানির পশুর গোশত তিন ভাগ করে একভাগ আত্মীয়স্বজনকে, আরেক ভাগ গরিবদের মধ্যে বণ্টন এবং বাকি একভাগ নিজেরা খাওয়া সুন্নত। ঈদুল আজহার দুই রাকাত নামাজ জামাতে আদায় করা ওয়াজিব। কুরবানি ১০ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজের যেকোনো দিন করা যায়। তবে প্রথমদিন করাই উত্তম।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলা খবর বিডি’র প্রকাশক ও সম্পাদকের ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

// শামছুর রহমান শিশির //

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীর শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করে এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজ বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলা খবর বিডি’র প্রকাশক মানিক কুমার সরকার, সম্পাদক শামছুর রহমান শিশির, নির্বাহী সম্পাদক অসীম কুমার সাহা বানী, সহকারী সম্পাদক বাসুদেব দত্ত ও রতন কুমার বসাক বলেন, ‘ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন! কোরবানির সাথে সাথে নিজের পশুত্বকেও কোরবানি দিতে হবে। সেইসাথে ধনী, গরীব, দুঃখী, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসবের সাথে ঈদের দিন উদযাপিত হবে সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই প্রার্থনা। সেইসাথে বাংলা খবর বিডি’র সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীসহ সবাই কে পবিত্র ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা । জয় হোক বিশ্ব মানবতার!’

আগামীকাল ২৯ জুন বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় এ উৎসব যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আমেজে সারা দেশে উদযাপিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে পালন করবে ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসব।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)’র আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এ প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। অনন্য এ ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় কোরবানির প্রচলন।

মহান আল্লাহপাকের প্রতি আনুগত্য এবং তাঁরই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানি ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে অন্যতম ঈদুল আজহা শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতাই নয়, এ ঈদ সমগ্র বিশ্বে মুসলমানদের ত্যাগ, আত্মসমর্পণ ও আত্মোপলব্ধির শিক্ষা দেয়। ইসলামে কোরবানি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র কুরআনে সূরা কাউসারে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে- ‘অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি করুন’। সূরা হজে বলা হয়েছে ‘কুরবানি করা পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা’। কুরবানির মূল উদ্দেশ্যই তাকওয়া বা খোদাভীতি। এ প্রসঙ্গে কুরআনে বলা হয়েছে- ‘এগুলোর গোশত আমার কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়।’
রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘ঈদুল আজহার দিন কুরবানির চেয়ে আর কোনো কাজ আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দীয় নয়।’ অন্যত্র বলেছেন ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পারও কুরবানি দিলো না সে যেন আমার ঈদগাহে না যায়।’
কুরবানির পশুর গোশত তিন ভাগ করে একভাগ আত্মীয়স্বজনকে, আরেক ভাগ গরিবদের মধ্যে বণ্টন এবং বাকি একভাগ নিজেরা খাওয়া সুন্নত। ঈদুল আজহার দুই রাকাত নামাজ জামাতে আদায় করা ওয়াজিব। কুরবানি ১০ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজের যেকোনো দিন করা যায়। তবে প্রথমদিন করাই উত্তম।