শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার হাত কালো নয়, সাদা: আফরোজা আব্বাস পটুয়াখালীর “শ্রেষ্ঠ জয়িতা” কলাপাড়ার মিলি রাস্তা বন্ধ করে সভা-সমাবেশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল: আইনমন্ত্রী নাশকতার চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে : র‌্যাব গোলের পর কেঁদে ফেলেছি: পরীমণি ব্রাজিল যে কারণে ছিটকে গেল বিএনপির ৭ এমপির সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ১১ লাখের যৌতুক ফিরিয়ে দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন যুবক রোমান্টিক সিনেমায় আর অভিনয় করবেন না রণবীর বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য নাচবেন মেসি : আগুয়েরো রাজধানীর অলিগলিতে সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসভবনের আশপাশে আরো পুলিশ মোতায়েন বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘরে না ঢোকা পর্যন্ত আমরা পাহারায় থাকব : নিখিল সমাবেশ ঘিরে যে আতঙ্ক ছিল, আজ নেই: ডিবিপ্রধান

বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাবির অবদান চির স্মরণীয়: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাবির অবদান চির স্মরণীয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত জ্ঞান-বিজ্ঞানের নিবিড় চর্চা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ও জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অনবদ্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের অর্জিত জ্ঞান, মেধা-মনন ও সৃজনশীলতা প্রয়োগ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

সমাবর্তন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্নাতক ছাত্র-ছাত্রী, তাদের পিতা-মাতা, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষকমন্ডলী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫৩তম সমাবর্তন উদযাপন করছে জেনে আমি আনন্দিত।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাবির আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি সবার আগে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং কালক্রমে হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু। তার নেতৃত্বে পরিচালিত বহু আন্দোলনের সাক্ষী হয়ে আছে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

তিনি বলেন, জাতির পিতার দূরদর্শী নির্দেশনায় ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডিন্যান্স ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন গঠন করা হয়, যার মূল বার্তা ছিল- বিশ্ববিদ্যালয়ে চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্ত-বুদ্ধিচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের বিগত প্রায় ১৪ বছরে গৃহীত বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে শিক্ষাখাতে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। উচ্চশিক্ষার সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসিক সংকট নিরসনে বিভিন্ন হল ও ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া, ২০০৯ সাল থেকে অদ্যবধি ঢাবির শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে ১৭টি নতুন বিভাগ, ৩টি ইনস্টিটিউট ও ২২টি গবেষণা কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

তিনি গৌরবদীপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *