সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আমি বৈবাহিক ধর্ষণের শিকার : বাঁধন বিদেশি লবিস্টদের পরামর্শে ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভারতের বিপক্ষে জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এই পারফরম্যান্স আমার জন্য সত্যিই স্মরণীয়: মিরাজ নাইজেরিয়ায় মসজিদে বন্দুক হামলা, ইমামসহ নিহত ১২ এম্বাপ্পের জাদুতে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স মশক নিধন কার্যক্রমে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা : মেয়র আতিক নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ভারতের বিপক্ষে জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে রাসিক মেয়রের অভিনন্দন ১০ তারিখে বিএনপি পাকিস্তানিদের মতোই আত্মসমর্পণ করবে: তথ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ মনি’র জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আজ অব্দি শাকিব খানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিইনি: বুবলী রাজশাহীতে লোকাল গর্ভনমেন্ট কোভিড-১৯ রিসপন্স এন্ড রিকভারি প্রজেক্ট বাস্তবায়ন ভিত্তিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাসিক মেয়রের সাথে লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রিসপন্স এন্ড রিকভারি প্রজেক্টের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ মিরাজের বীরত্বে রুদ্ধশ্বাস জয় বাংলাদেশের

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করে : তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করে : তথ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করে। আমরা জনগণকে নিয়েই আগামী মাসে গণসমাবেশ ও মিছিল করবো চট্টগ্রামের প্রত্যেকটি উপজেলা ও থানায়। তার পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শহরে আমরা জেলা সমাবেশ করবো। তখন আপনারা দেখবেন ইনশাআল্লাহ আমাদের জেলা সমাবেশ কেমন হয়।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি তিনমাস হাঁকডাক করে মহাসমাবেশ নাম দিয়ে একটি ফ্লপ সমাবেশ করেছে। সারাদেশ থেকে সন্ত্রাসীদের চট্টগ্রামে এনে হোটেলভাড়া করে রেখেছে। পরদিন তাদের নিয়ে সমাবেশ করেছে। চট্টগ্রামে জব্বারের বলিখেলায় এরচেয়ে অনেক বেশি মানুষ হয়। সাধারণ মানুষের কোনো সমাবেশে ছিল না।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপি চট্টগ্রামে একটি সমাবেশ করেছে, সেই সমাবেশ থেকে তারা নানাধরনের আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছে। সমাবেশে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে সন্ত্রাসীদের সমাবেশ ঘটিয়েছে। চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির একটি ছক এঁকেছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমাদের করণীয় ঠিক করবো।

তিনি আরো বলেন, আপনারা জানেন বিএনপি চট্টগ্রামে যেই সমাবেশ করেছে, সেই সমাবেশের প্রস্তুতি তারা দীর্ঘ তিনমাস ধরে নিয়েছে। প্রস্তুতি নিয়ে তারা বলেছিল, পনের লাখ মানুষের সমাগম হবে। এখান থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১৮০ কিলোমিটার, টেকনাফের দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার, সেখান থেকেও মানুষ এনেছে। তারা পলোগ্রাউন্ড মাঠের চল্লিশ শতাংশ পেছনে রেখে মঞ্চ করেছে। আর সামনের যেই অংশ তার অর্ধেকও পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ পলোগ্রাউন্ড মাঠের একতৃতীয়াংশও ঠিকমতো পূর্ণ হয়নি। চট্টগ্রামে জব্বারের বলি খেলায় যত মানুষ হয়, তারচেয়েও অনেক কম মানুষ হয়েছে।

বিএনপি যেই প্লাটপর্মে সমাবেশ করেছে সেখানে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রতিবাদ হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কথা বলার কারণে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্র মামলা নামে তিনটি মামলা দিয়েছিল। মৌলভী সৈয়দকে নির্যাতন করে মেরেছে, সেই বিষয়ে আপনাদের অবস্থান কি, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান আসলে ইতিহাসের পাতায় একজন খুনি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি নাস্তা করতে করতে ফাঁসির আদেশে সই করতো। এমন ঘটনাও ঘটেছে, ফাঁসি কার্যকর হয়ে গেছে, রায় হয়েছে ফাঁসি কার্যকর হবার পর। তারা যে এই চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সেগুলো নিয়ে ইতোমধ্যে যারা সেই নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের শিকার তাদের স্বজনরা সরব হয়েছেন। আমরা সেগুলোকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে যাবো।

বিএনপির একদফা দাবি সরকারের পতন, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি গত ১৪ বছর ধরেই এই আন্দোলনের মধ্যে আছে। আমরা সরকার গঠনের দুই-এক মাস পর থেকেই তারা সরকারকে বিদায় দেওয়ার আন্দোলনের মধ্যে আছে। আন্দোলন করতে করতে দেখা গেলো তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাদের আন্দোলনের মধ্যেই জনগণ পরপর তিনবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমাদেরকে দিয়েছে। তারা এই আন্দোলন করার প্রেক্ষিতে আমরা মনে করি আগামী নির্বাচনে ভোট আমাদের আরও বাড়বে, ইনশাআল্লাহ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহফুজুর রহমান মিতা, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, দিদারুল আলম, খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান প্রমুখ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *