ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বন বিভাগের বদলি-পদোন্নতির অনিয়ম তদন্ত করবে সংসদীয় কমিটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বন অধিদফতরে নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নে অর্থনৈতিক লেনদেন ও অনিয়মের ১৫ থেকে ১৬টি অভিযোগ পেয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তারা এসব বিষয় তদন্ত করবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বন অধিদফতরে নিয়োগ, বদলি, পদায়নে লেনদেন, প্রভাবশালীদের তদবির হয় বলে অভিযোগ আছে। একটি স্তর থেকে আরেকটি স্তরে যেতে ন্যূনতম একটি সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট পদে দায়িত্ব পালন করতে হয়। সেটা না করেও পদোন্নতি হচ্ছে। কমিটি এ ধরনের ১৫-১৬টি অভিযোগ পেয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সাধারণত কমিটি কারও বেনামি চিঠি গ্রহণ করে না। তবে যদি অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হয়, তথ্য সঠিক হয়, তাহলে কমিটি এ ধরনের চিঠিও আমলে নেবে।

সাবের হোসেন চৌধুরী জানান, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য নিরূপণে (সিস্টেম অব এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিক অ্যাকাউন্টিং) কাজ শুরু হচ্ছে। ইউএনডিপির সঙ্গে বিবিএস যৌথভাবে কাজটি করবে। প্রতিবছর দেশে আড়াই শতাংশ বন উজাড় হচ্ছে, এর অর্থনৈতিক মূল্য কত। সুন্দরবন অনেক ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কমিয়ে দেয়, সেটার মূল্য কত; সুন্দরবনে যে কার্বন আছে, সেটার অর্থনৈতিক মূল্য কত; এখান থেকে মানুষ মাছ, মধু আহরণ করে, এসবের মূল্য কত—সব ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো বের করা হবে। পরে সেটা জিডিপির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের যে ক্ষতি, তার মূল্যমানও জানা যাবে।

সূত্র জানায়, এর আগে সংসদীয় কমিটিতে সাভারের চামড়াশিল্প নগরীর ১৯টি ট্যানারি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কমিটির আজকের বৈঠকে জানানো হয়, পাঁচটি ট্যানারি বন্ধ করা হয়েছে। বাকি ট্যানারিগুলোকে দ্রুত বন্ধ করতে বলেছে কমিটি। এর আগে কমিটি সেন্ট মার্টিনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হোটেল, মোটেলের তালিকা চেয়েছিল। মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানায়, এ ধরনের ১৬৬টি অবৈধ স্থাপনা আছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক কারা, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। কমিটি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিক কারা, কারা পেছনে আছে, তা বিস্তারিত জানাতে বলেছে।

কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ এবং খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন বৈঠকে অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন বিভাগের বদলি-পদোন্নতির অনিয়ম তদন্ত করবে সংসদীয় কমিটি

আপডেট সময় : ০৮:০০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বন অধিদফতরে নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নে অর্থনৈতিক লেনদেন ও অনিয়মের ১৫ থেকে ১৬টি অভিযোগ পেয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তারা এসব বিষয় তদন্ত করবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বন অধিদফতরে নিয়োগ, বদলি, পদায়নে লেনদেন, প্রভাবশালীদের তদবির হয় বলে অভিযোগ আছে। একটি স্তর থেকে আরেকটি স্তরে যেতে ন্যূনতম একটি সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট পদে দায়িত্ব পালন করতে হয়। সেটা না করেও পদোন্নতি হচ্ছে। কমিটি এ ধরনের ১৫-১৬টি অভিযোগ পেয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সাধারণত কমিটি কারও বেনামি চিঠি গ্রহণ করে না। তবে যদি অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হয়, তথ্য সঠিক হয়, তাহলে কমিটি এ ধরনের চিঠিও আমলে নেবে।

সাবের হোসেন চৌধুরী জানান, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য নিরূপণে (সিস্টেম অব এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিক অ্যাকাউন্টিং) কাজ শুরু হচ্ছে। ইউএনডিপির সঙ্গে বিবিএস যৌথভাবে কাজটি করবে। প্রতিবছর দেশে আড়াই শতাংশ বন উজাড় হচ্ছে, এর অর্থনৈতিক মূল্য কত। সুন্দরবন অনেক ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কমিয়ে দেয়, সেটার মূল্য কত; সুন্দরবনে যে কার্বন আছে, সেটার অর্থনৈতিক মূল্য কত; এখান থেকে মানুষ মাছ, মধু আহরণ করে, এসবের মূল্য কত—সব ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো বের করা হবে। পরে সেটা জিডিপির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের যে ক্ষতি, তার মূল্যমানও জানা যাবে।

সূত্র জানায়, এর আগে সংসদীয় কমিটিতে সাভারের চামড়াশিল্প নগরীর ১৯টি ট্যানারি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কমিটির আজকের বৈঠকে জানানো হয়, পাঁচটি ট্যানারি বন্ধ করা হয়েছে। বাকি ট্যানারিগুলোকে দ্রুত বন্ধ করতে বলেছে কমিটি। এর আগে কমিটি সেন্ট মার্টিনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হোটেল, মোটেলের তালিকা চেয়েছিল। মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানায়, এ ধরনের ১৬৬টি অবৈধ স্থাপনা আছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক কারা, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। কমিটি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিক কারা, কারা পেছনে আছে, তা বিস্তারিত জানাতে বলেছে।

কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ এবং খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন বৈঠকে অংশ নেন।