ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বন্ধুত্ব ভালোবাসায় ২১ বছর পর ফিরে এল শৈশব 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
  • / ৪৬৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা //
বন্ধু শব্দটা ছোট হলেও এর পরিধি এতোটাই বিস্তৃত যে পরিমাপ করার সাধ্য কারো নেই। তারপরেও ছোট পরিসরে বলতে গেলে বন্ধু মানে আত্নার টান ভালোবাসার বন্ধন হৃদয়ের স্পর্শ, একে অন্যের ছায়া, বড় রকমের ভরসার জায়গা। ভার্চ্যুয়াল জগতে বন্ধুত্বের যেমন কদর কম থাকে, তেমনি সম্পর্ক হয়ে থাকে একেবারে ঠুনকো। কিন্তু বাস্তব জীবনের বন্ধুত্ব বা স্কুলের বন্ধুত্ব হয়ে থাকে নিঃস্বার্থভাবে। সেই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের জন্য ২১ বছর পর এক হলেন ঐতিহ্যবাহী রসুলপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০১-২০০২ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
গত রোববার সকাল থেকেই নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। পুরোনো ছাত্রদের পেয়ে খুশি শিক্ষকেরাও।
স্মৃতি চারণ নিয়ে কথা হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে কর্মরত টেকনিক্যাল প্রোজেক্ট ম্যানেজার, রবি আজিয়াতা বাংলাদেশ লিমিটেড,মোঃ মাকসুদুল হাসান সোহাগের সাথে।
তিনি বলেন, স্কুলে পড়ার দিনগুলি সবার কাছেই মধুর একটা স্মৃতি। ফেলে যাওয়া স্কুলে এসে সেই স্মৃতিকেই আবার ফিরে দেখতে চাই আমরা। সবাই এক হওয়ার আনন্দটা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।’ স্কুল জীবনের বন্ধুরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত। সবাই সংসারের দৈনন্দিন ওঠাপড়ায় ব্যস্ত। তবু নিজের ছেলেবেলা, স্কুলকে ভোলেননি কেউই। কথায় কথায় ছোটবেলার আরও কত স্মৃতিচারণ করছিলেন। স্কুলের উন্নয়নের জন্য নিজেরাই তহবিল তৈরী করে স্কুলের উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করবেন বলেও তিনি জানান।
স্ত্রী সুমাইয়া ইসলাম ও সন্তান র‍াইয়ানকে নিয়ে স্কুলের পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে এসেছেন তানভীর রহমান হীরা। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোরেলের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। স্কুলজীবনের বন্ধুদের কাছে পেয়ে তিনি বললেন, ‘একসঙ্গে পুরোনো বন্ধুদের দেখে খুব ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মন ভরে গেল। কিছুক্ষণের জন্য আমরা আবার সেই পুরোনো দিনে ফিরে গেছি।’
মোছা. মাকসুদা খাতুন বলেন, ‘সেই কবেকার কথা। আমাদের সেই আড্ডার মাঠ, গল্পের কথাগুলো মনে পড়ে গেল। আজ অনেক বন্ধুকে পেয়েছি। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার একত্রিত হতে পারব, তা কখনো চিন্তা করিনি। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তানভীর, সাজ্জাদ রহমান, স্বদেব চন্দ্র সূত্রধর,সোহাগ, জাহাঙ্গীরসহ যাঁরা এমন একটি সুন্দর দিন উপহার দিয়েছেন,তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। তবে এ রকম অনুষ্ঠান যাতে ভবিষ্যতে হয় সেই প্রত্যাশা করি।’
বন্ধুত্ব ভালোবাসায় ২১ বছর পর ফিরে এল শৈশবআব্দুল্লাহ আল মারুফ, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ):
বন্ধু শব্দটা ছোট হলেও এর পরিধি এতোটাই বিস্তৃত যে পরিমাপ করার সাধ্য কারো নেই। তারপরেও ছোট পরিসরে বলতে গেলে বন্ধু মানে আত্নার টান ভালোবাসার বন্ধন হৃদয়ের স্পর্শ,একে অন্যের ছায়া,বড় রকমের ভরসার জায়গা। ভার্চ্যুয়াল জগতে বন্ধুত্বের যেমন কদর কম থাকে, তেমনি সম্পর্ক হয়ে থাকে একেবারে ঠুনকো। কিন্তু বাস্তব জীবনের বন্ধুত্ব বা স্কুলের বন্ধুত্ব হয়ে থাকে নিঃস্বার্থভাবে। সেই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের জন্য ২১ বছর পর এক হলেন ঐতিহ্যবাহী রসুলপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০১-২০০২ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।গত রোববার সকাল থেকেই নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। পুরোনো ছাত্রদের পেয়ে খুশি শিক্ষকেরাও।স্মৃতি চারণ নিয়ে কথা হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে কর্মরত
টেকনিক্যাল প্রোজেক্ট ম্যানেজার, রবি আজিয়াতা বাংলাদেশ লিমিটেড,মোঃ মাকসুদুল হাসান সোহাগের সাথে।তিনি বলেন,স্কুলে পড়ার দিনগুলি সবার কাছেই মধুর একটা স্মৃতি। ফেলে যাওয়া স্কুলে এসে সেই স্মৃতিকেই আবার ফিরে দেখতে চাই আমরা। সবাই এক হওয়ার আনন্দটা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।' স্কুল জীবনের বন্ধুরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত। সবাই সংসারের দৈনন্দিন ওঠাপড়ায় ব্যস্ত। তবু নিজের ছেলেবেলা,স্কুলকে ভোলেননি কেউই।
কথায় কথায় ছোটবেলার আরও কত স্মৃতিচারণ করছিলেন। স্কুলের উন্নয়নের জন্য নিজেরাই তহবিল তৈরী করে স্কুলের উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করবেন বলেও তিনি জানান।স্ত্রী সুমাইয়া ইসলাম ও সন্তান র‍াইয়ানকে নিয়ে স্কুলের পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে এসেছেন তানভীর রহমান হীরা। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোরেলের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। স্কুলজীবনের বন্ধুদের কাছে পেয়ে তিনি বললেন, ‘একসঙ্গে পুরোনো বন্ধুদের দেখে খুব ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মন ভরে গেল। কিছুক্ষণের জন্য আমরা আবার সেই পুরোনো দিনে ফিরে গেছি।’মোছা. মাকসুদা খাতুন বলেন, ‘সেই কবেকার কথা। আমাদের সেই আড্ডার মাঠ, গল্পের কথাগুলো মনে পড়ে গেল। আজ অনেক বন্ধুকে পেয়েছি। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার একত্রিত হতে পারব, তা কখনো চিন্তা করিনি। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তানভীর, সাজ্জাদ রহমান, স্বদেব চন্দ্র সূত্রধর,সোহাগ, জাহাঙ্গীরসহ যাঁরা এমন একটি সুন্দর দিন উপহার দিয়েছেন,তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। তবে এ রকম অনুষ্ঠান যাতে ভবিষ্যতে হয় সেই প্রত্যাশা করি।’কোম্পানি সেক্রেটারি ও হেড অব ব্যাংকিংয়ের সাজ্জাদ রহমান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বদেব চন্দ্র সূত্রধরের কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তাঁরা জানান,‘এ অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ফেসবুকে মোটামুটি সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়, কিন্তু সময়ের অভাবে আমরা বন্ধুরা কেউ সরাসরি এক হতে পারিনি। পুনর্মিলনীতে সেই সুযোগটা পেয়েছি, এতে আমার ভালো লাগছে দীর্ঘ ২১ বছর পরে সবাই এক হয়েছি।’নওগাঁ জেলায় পুলিশের এএসআই পদে কর্মরত রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা ও আড্ডা দেওয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে তাঁর খুবই ভালো লাগছে।স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ সরকার মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় স্কুল মাঠে বানানো মঞ্চে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শুরু হয়।পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আহছানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ও ডিজিএম পল্লী বিদ্যুতের বিপ্লব কুমার, সাবেক ও বর্তমান ২২ জন শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছাকমান আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মণ্ডল প্রমুখ।
কোম্পানি সেক্রেটারি ও হেড অব ব্যাংকিংয়ের সাজ্জাদ রহমান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বদেব চন্দ্র সূত্রধরের কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তাঁরা জানান,‘এ অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ফেসবুকে মোটামুটি সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়, কিন্তু সময়ের অভাবে আমরা বন্ধুরা কেউ সরাসরি এক হতে পারিনি। পুনর্মিলনীতে সেই সুযোগটা পেয়েছি, এতে আমার ভালো লাগছে দীর্ঘ ২১ বছর পরে সবাই এক হয়েছি।’
নওগাঁ জেলায় পুলিশের এএসআই পদে কর্মরত রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা ও আড্ডা দেওয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে তাঁর খুবই ভালো লাগছে।
স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ সরকার মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় স্কুল মাঠে বানানো মঞ্চে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শুরু হয়।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আহছানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ও ডিজিএম পল্লী বিদ্যুতের বিপ্লব কুমার, সাবেক ও বর্তমান ২২ জন শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছাকমান আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মণ্ডল প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্ধুত্ব ভালোবাসায় ২১ বছর পর ফিরে এল শৈশব 

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
// কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা //
বন্ধু শব্দটা ছোট হলেও এর পরিধি এতোটাই বিস্তৃত যে পরিমাপ করার সাধ্য কারো নেই। তারপরেও ছোট পরিসরে বলতে গেলে বন্ধু মানে আত্নার টান ভালোবাসার বন্ধন হৃদয়ের স্পর্শ, একে অন্যের ছায়া, বড় রকমের ভরসার জায়গা। ভার্চ্যুয়াল জগতে বন্ধুত্বের যেমন কদর কম থাকে, তেমনি সম্পর্ক হয়ে থাকে একেবারে ঠুনকো। কিন্তু বাস্তব জীবনের বন্ধুত্ব বা স্কুলের বন্ধুত্ব হয়ে থাকে নিঃস্বার্থভাবে। সেই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের জন্য ২১ বছর পর এক হলেন ঐতিহ্যবাহী রসুলপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০১-২০০২ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
গত রোববার সকাল থেকেই নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। পুরোনো ছাত্রদের পেয়ে খুশি শিক্ষকেরাও।
স্মৃতি চারণ নিয়ে কথা হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে কর্মরত টেকনিক্যাল প্রোজেক্ট ম্যানেজার, রবি আজিয়াতা বাংলাদেশ লিমিটেড,মোঃ মাকসুদুল হাসান সোহাগের সাথে।
তিনি বলেন, স্কুলে পড়ার দিনগুলি সবার কাছেই মধুর একটা স্মৃতি। ফেলে যাওয়া স্কুলে এসে সেই স্মৃতিকেই আবার ফিরে দেখতে চাই আমরা। সবাই এক হওয়ার আনন্দটা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।’ স্কুল জীবনের বন্ধুরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত। সবাই সংসারের দৈনন্দিন ওঠাপড়ায় ব্যস্ত। তবু নিজের ছেলেবেলা, স্কুলকে ভোলেননি কেউই। কথায় কথায় ছোটবেলার আরও কত স্মৃতিচারণ করছিলেন। স্কুলের উন্নয়নের জন্য নিজেরাই তহবিল তৈরী করে স্কুলের উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করবেন বলেও তিনি জানান।
স্ত্রী সুমাইয়া ইসলাম ও সন্তান র‍াইয়ানকে নিয়ে স্কুলের পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে এসেছেন তানভীর রহমান হীরা। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোরেলের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। স্কুলজীবনের বন্ধুদের কাছে পেয়ে তিনি বললেন, ‘একসঙ্গে পুরোনো বন্ধুদের দেখে খুব ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মন ভরে গেল। কিছুক্ষণের জন্য আমরা আবার সেই পুরোনো দিনে ফিরে গেছি।’
মোছা. মাকসুদা খাতুন বলেন, ‘সেই কবেকার কথা। আমাদের সেই আড্ডার মাঠ, গল্পের কথাগুলো মনে পড়ে গেল। আজ অনেক বন্ধুকে পেয়েছি। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার একত্রিত হতে পারব, তা কখনো চিন্তা করিনি। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তানভীর, সাজ্জাদ রহমান, স্বদেব চন্দ্র সূত্রধর,সোহাগ, জাহাঙ্গীরসহ যাঁরা এমন একটি সুন্দর দিন উপহার দিয়েছেন,তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। তবে এ রকম অনুষ্ঠান যাতে ভবিষ্যতে হয় সেই প্রত্যাশা করি।’
বন্ধুত্ব ভালোবাসায় ২১ বছর পর ফিরে এল শৈশবআব্দুল্লাহ আল মারুফ, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ):
বন্ধু শব্দটা ছোট হলেও এর পরিধি এতোটাই বিস্তৃত যে পরিমাপ করার সাধ্য কারো নেই। তারপরেও ছোট পরিসরে বলতে গেলে বন্ধু মানে আত্নার টান ভালোবাসার বন্ধন হৃদয়ের স্পর্শ,একে অন্যের ছায়া,বড় রকমের ভরসার জায়গা। ভার্চ্যুয়াল জগতে বন্ধুত্বের যেমন কদর কম থাকে, তেমনি সম্পর্ক হয়ে থাকে একেবারে ঠুনকো। কিন্তু বাস্তব জীবনের বন্ধুত্ব বা স্কুলের বন্ধুত্ব হয়ে থাকে নিঃস্বার্থভাবে। সেই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের জন্য ২১ বছর পর এক হলেন ঐতিহ্যবাহী রসুলপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০১-২০০২ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।গত রোববার সকাল থেকেই নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। পুরোনো ছাত্রদের পেয়ে খুশি শিক্ষকেরাও।স্মৃতি চারণ নিয়ে কথা হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে কর্মরত
টেকনিক্যাল প্রোজেক্ট ম্যানেজার, রবি আজিয়াতা বাংলাদেশ লিমিটেড,মোঃ মাকসুদুল হাসান সোহাগের সাথে।তিনি বলেন,স্কুলে পড়ার দিনগুলি সবার কাছেই মধুর একটা স্মৃতি। ফেলে যাওয়া স্কুলে এসে সেই স্মৃতিকেই আবার ফিরে দেখতে চাই আমরা। সবাই এক হওয়ার আনন্দটা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।' স্কুল জীবনের বন্ধুরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত। সবাই সংসারের দৈনন্দিন ওঠাপড়ায় ব্যস্ত। তবু নিজের ছেলেবেলা,স্কুলকে ভোলেননি কেউই।
কথায় কথায় ছোটবেলার আরও কত স্মৃতিচারণ করছিলেন। স্কুলের উন্নয়নের জন্য নিজেরাই তহবিল তৈরী করে স্কুলের উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করবেন বলেও তিনি জানান।স্ত্রী সুমাইয়া ইসলাম ও সন্তান র‍াইয়ানকে নিয়ে স্কুলের পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে এসেছেন তানভীর রহমান হীরা। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোরেলের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। স্কুলজীবনের বন্ধুদের কাছে পেয়ে তিনি বললেন, ‘একসঙ্গে পুরোনো বন্ধুদের দেখে খুব ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মন ভরে গেল। কিছুক্ষণের জন্য আমরা আবার সেই পুরোনো দিনে ফিরে গেছি।’মোছা. মাকসুদা খাতুন বলেন, ‘সেই কবেকার কথা। আমাদের সেই আড্ডার মাঠ, গল্পের কথাগুলো মনে পড়ে গেল। আজ অনেক বন্ধুকে পেয়েছি। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার একত্রিত হতে পারব, তা কখনো চিন্তা করিনি। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তানভীর, সাজ্জাদ রহমান, স্বদেব চন্দ্র সূত্রধর,সোহাগ, জাহাঙ্গীরসহ যাঁরা এমন একটি সুন্দর দিন উপহার দিয়েছেন,তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। তবে এ রকম অনুষ্ঠান যাতে ভবিষ্যতে হয় সেই প্রত্যাশা করি।’কোম্পানি সেক্রেটারি ও হেড অব ব্যাংকিংয়ের সাজ্জাদ রহমান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বদেব চন্দ্র সূত্রধরের কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তাঁরা জানান,‘এ অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ফেসবুকে মোটামুটি সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়, কিন্তু সময়ের অভাবে আমরা বন্ধুরা কেউ সরাসরি এক হতে পারিনি। পুনর্মিলনীতে সেই সুযোগটা পেয়েছি, এতে আমার ভালো লাগছে দীর্ঘ ২১ বছর পরে সবাই এক হয়েছি।’নওগাঁ জেলায় পুলিশের এএসআই পদে কর্মরত রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা ও আড্ডা দেওয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে তাঁর খুবই ভালো লাগছে।স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ সরকার মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় স্কুল মাঠে বানানো মঞ্চে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শুরু হয়।পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আহছানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ও ডিজিএম পল্লী বিদ্যুতের বিপ্লব কুমার, সাবেক ও বর্তমান ২২ জন শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছাকমান আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মণ্ডল প্রমুখ।
কোম্পানি সেক্রেটারি ও হেড অব ব্যাংকিংয়ের সাজ্জাদ রহমান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বদেব চন্দ্র সূত্রধরের কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তাঁরা জানান,‘এ অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ফেসবুকে মোটামুটি সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়, কিন্তু সময়ের অভাবে আমরা বন্ধুরা কেউ সরাসরি এক হতে পারিনি। পুনর্মিলনীতে সেই সুযোগটা পেয়েছি, এতে আমার ভালো লাগছে দীর্ঘ ২১ বছর পরে সবাই এক হয়েছি।’
নওগাঁ জেলায় পুলিশের এএসআই পদে কর্মরত রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা ও আড্ডা দেওয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে তাঁর খুবই ভালো লাগছে।
স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ সরকার মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় স্কুল মাঠে বানানো মঞ্চে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শুরু হয়।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আহছানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ও ডিজিএম পল্লী বিদ্যুতের বিপ্লব কুমার, সাবেক ও বর্তমান ২২ জন শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছাকমান আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মণ্ডল প্রমুখ।