ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বদলগাছীতে কয়লা ও জ্বালানীর উচ্চ মূল্যে দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইটভাটা মালিকেরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বদলগাছী(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

বদলগাছীতে কয়লার উচ্চ মূল্যে ইটভাটা মালিকেরা হত্যাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কয়লা সংকটের কারণে এখনো পুরোদমে শুরু হয়নি ভাটাগুলোতে কার্যকলাপ। ইটভাটা মালিকেরা বলেন, বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে লাখ লাখ কাঁচা ইট প্রস্তুত করে কয়লা সংকটে পড়লে আমাদের বিশাল ক্ষতি গ্রস্তের মধ্যে পড়তে হবে। প্রতিবছর এসময় ইটপোড় সব প্রস্ততি শেষ হয়। চলতি মৌসুমে ভাটায় ইট পোঁড়ানোর সময় চলে যাচ্ছে কিন্ত সাহস করে অনেকে পুরো দমে কাজ করতে পারছে না। বদলগাছীতে ২৬ টি ইট ভাটার মধ্যে ১৫টি ভাটায় আগুন দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে ৬টি হাওয়া ভাটা রয়েছে। এ বছর নতুন করে আবার নতুন করে জ্বালানী তেল,কয়লা,মাটির দাম ও বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ।

ইট ইটভাটা মালিক মোঃ বেলাল হোসেন জানান, আমরা প্রতি বছর নভেম্বর মাসের শুরুতেই প্রায় সবগুলো ভাটায় ইট পোড়ানো কাজ শুরু করি। কিন্ত গত বছর ইটের দাম ছিল ৮ থেকে ৯ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। গত বছর এক টন কয়লার মূল্য ছিল ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা। এবছর দাম বেড়ে দাড়িয়েছে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা টন। কয়লার দিগুন দাম হওয়ায় আমরা ইটভাটা মালিকরা কঠিন সমস্যায় পড়েছি। খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার ইটের মূল্য প্রতি হাজার ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকায় কিক্রি করতে হবে। আর উচ্চদামে ক্রেতারা বিভাবে ইট কিনবেন ফলে উন্নয়ন কাজ ব্যহত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

ইটভাটার শ্রমিকের সরদার আজিজ,জাফের আলী,সাদ্দাম,কফিল সহ অনেকে বলেন, আমরা প্রতিবছর ইট পোঁড়ার সিজিনে অগ্রিম ২-৩ লাখ টাকা ভাটা মালিকেরা আমাদের দিয়ে থাকে। আর সেই টাকা দিয়ে সারা বছর পরিবারের খাওয়ার খরচ জোগার করি। কিন্ত এবছর এখনো ভাটার কাজ পুরোদমে শুরু করেনি মালিকেরা। যারা মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়েছে তাদের ভাটার কাজ না হলে পরিবার নিয়ে মহাবিপদে পড়তে হবে। তারা বলেন ভাটা না চললে আমরা হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ব।

বদলগাছী উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভপতি মোঃ এনামুল হক বলেন, এবার শুরুতেই কয়লার দাম দিগুনেও বেশী বেড়ে যাওয়ায় ইট পোড়াতে খরচ অনেক বেশী হবে। আমরা ইটভাটা মালিকেরা প্রচুর অর্থ খরচ করে লাখ লাখ কাঁচা ইট কেটে সময় মত কয়লা না পেলে বড় ধরনের ক্ষতি গ্রস্তর মধ্যে পড়তে হবে। ইটপুড়তে বেশী খরচ হচ্ছে ফলে ইটের দামও বেশী হচ্ছে। বেশী দরে ইট কিনতে চায়না জন্যয় ভাটার ব্যবস্যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

ইটভাটা মালিক সমতির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, কয়লার দাম দিগুন বেশী হয়েছে। তা ছাড়া জ্বালানী তেলের দাম ও ইট ইট প্রস্তত কারক শ্রমিকের মুল্য অনেক ও বেড়েছে। ফলে হত্যশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে ভাটা মালিকেরা।তিনি আরো বলেন অনেক ইটভাটার মালিক ঠিকাদারদের কাছ কমদামে ইট দিবে বলে অগ্রিম টাকা দিয়েছেন। এখন ইটের উৎপাদন মূল্য অনেক বেড়ে গেছে শুধু কয়লারও জ্বালানীর দাম বেশী নয় আরো অনুষানিক কোদাল,বেলচা সহ সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বদলগাছীতে কয়লা ও জ্বালানীর উচ্চ মূল্যে দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইটভাটা মালিকেরা

আপডেট সময় : ০২:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

বদলগাছী(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

বদলগাছীতে কয়লার উচ্চ মূল্যে ইটভাটা মালিকেরা হত্যাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কয়লা সংকটের কারণে এখনো পুরোদমে শুরু হয়নি ভাটাগুলোতে কার্যকলাপ। ইটভাটা মালিকেরা বলেন, বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে লাখ লাখ কাঁচা ইট প্রস্তুত করে কয়লা সংকটে পড়লে আমাদের বিশাল ক্ষতি গ্রস্তের মধ্যে পড়তে হবে। প্রতিবছর এসময় ইটপোড় সব প্রস্ততি শেষ হয়। চলতি মৌসুমে ভাটায় ইট পোঁড়ানোর সময় চলে যাচ্ছে কিন্ত সাহস করে অনেকে পুরো দমে কাজ করতে পারছে না। বদলগাছীতে ২৬ টি ইট ভাটার মধ্যে ১৫টি ভাটায় আগুন দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে ৬টি হাওয়া ভাটা রয়েছে। এ বছর নতুন করে আবার নতুন করে জ্বালানী তেল,কয়লা,মাটির দাম ও বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ।

ইট ইটভাটা মালিক মোঃ বেলাল হোসেন জানান, আমরা প্রতি বছর নভেম্বর মাসের শুরুতেই প্রায় সবগুলো ভাটায় ইট পোড়ানো কাজ শুরু করি। কিন্ত গত বছর ইটের দাম ছিল ৮ থেকে ৯ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। গত বছর এক টন কয়লার মূল্য ছিল ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা। এবছর দাম বেড়ে দাড়িয়েছে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা টন। কয়লার দিগুন দাম হওয়ায় আমরা ইটভাটা মালিকরা কঠিন সমস্যায় পড়েছি। খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার ইটের মূল্য প্রতি হাজার ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকায় কিক্রি করতে হবে। আর উচ্চদামে ক্রেতারা বিভাবে ইট কিনবেন ফলে উন্নয়ন কাজ ব্যহত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

ইটভাটার শ্রমিকের সরদার আজিজ,জাফের আলী,সাদ্দাম,কফিল সহ অনেকে বলেন, আমরা প্রতিবছর ইট পোঁড়ার সিজিনে অগ্রিম ২-৩ লাখ টাকা ভাটা মালিকেরা আমাদের দিয়ে থাকে। আর সেই টাকা দিয়ে সারা বছর পরিবারের খাওয়ার খরচ জোগার করি। কিন্ত এবছর এখনো ভাটার কাজ পুরোদমে শুরু করেনি মালিকেরা। যারা মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়েছে তাদের ভাটার কাজ না হলে পরিবার নিয়ে মহাবিপদে পড়তে হবে। তারা বলেন ভাটা না চললে আমরা হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ব।

বদলগাছী উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভপতি মোঃ এনামুল হক বলেন, এবার শুরুতেই কয়লার দাম দিগুনেও বেশী বেড়ে যাওয়ায় ইট পোড়াতে খরচ অনেক বেশী হবে। আমরা ইটভাটা মালিকেরা প্রচুর অর্থ খরচ করে লাখ লাখ কাঁচা ইট কেটে সময় মত কয়লা না পেলে বড় ধরনের ক্ষতি গ্রস্তর মধ্যে পড়তে হবে। ইটপুড়তে বেশী খরচ হচ্ছে ফলে ইটের দামও বেশী হচ্ছে। বেশী দরে ইট কিনতে চায়না জন্যয় ভাটার ব্যবস্যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

ইটভাটা মালিক সমতির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, কয়লার দাম দিগুন বেশী হয়েছে। তা ছাড়া জ্বালানী তেলের দাম ও ইট ইট প্রস্তত কারক শ্রমিকের মুল্য অনেক ও বেড়েছে। ফলে হত্যশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে ভাটা মালিকেরা।তিনি আরো বলেন অনেক ইটভাটার মালিক ঠিকাদারদের কাছ কমদামে ইট দিবে বলে অগ্রিম টাকা দিয়েছেন। এখন ইটের উৎপাদন মূল্য অনেক বেড়ে গেছে শুধু কয়লারও জ্বালানীর দাম বেশী নয় আরো অনুষানিক কোদাল,বেলচা সহ সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।