ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বদলগাছীতে ঈদ ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার দর্শনার্থীদের পড়া ভীড়

হাফিজার রহমান, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিশ্ব ঐতিহ্য দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর বিহার) থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা। আর ৫৩ হাজার ৪০৭ জন পর্যটক ভ্রমণ করেছে এই পাহাড়পুর। আবারো নতুন করে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো প্রত্নতত্বস্থল এই পাহাড়পুর। এর আদি নাম সোমপুর বিহার। নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে অবস্থিত এটি। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এটি মূলত পাল রাজ্ত্বের রাজধানী ও সেই সময়ের এটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো। এখানে সে সময় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা পড়ালেখা করতো। নওগাঁ শহর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের দূরত্ব প্রায় ৩৪ কিলোমিটার, বাস ভারা ৬০ টাকা। জয়পুরহাট জেলা থেকে ১২ কিলোমিটার, বাস ভাড়া ২৫ টাকা।

জামাল গঞ্জ বাজার থেকে দুরত্ব ৬ কিলোমিটার অটো ভাড়া ২০ টাকা। এখানে সারা বছর দেশ/ বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। বিগত সময়ের তুলনায় এই ঈদে দর্শানার্থীদের আগমন রের্কড পরিমান। আগের চেয়ে অনেক আধুনিকায়ন হওয়ায় পাহাড়পুরের পরিবেশ নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন দর্শনার্থীরা। আগামী সোমবার সরকারী ছুটির দিন পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আগমন বেশি হবে বলে আশা করছেন বিহার কর্তৃপক্ষ। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাস্টোডিয়ান মোঃ ফজলুল করিম আরজু বলেন, এবার পাহাড়পুর দর্শক অনেক বেশী। আমরা সীমিত লোকজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীদের মানসম্মত সেবা প্রদানের চেস্টা করে আসছি। এতো দর্শনাথী সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই আবার বিহারের প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করছে। আমি আশাবাদি আগামী সোমবার পর্যন্ত দর্শকদের উপস্থিতি থাকবে।
টুরিস্ট পুলিশ নওগাঁ জোনের ইনচার্জ কিরন কুমার রায় বলেন, আমি আমাদের টুরিস্ট পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে আগত দর্শনার্থীদের সাবর্বক্ষনিক নিরাপত্তা কাজে দিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

বদলগাছীতে ঈদ ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার দর্শনার্থীদের পড়া ভীড়

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিশ্ব ঐতিহ্য দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর বিহার) থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা। আর ৫৩ হাজার ৪০৭ জন পর্যটক ভ্রমণ করেছে এই পাহাড়পুর। আবারো নতুন করে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো প্রত্নতত্বস্থল এই পাহাড়পুর। এর আদি নাম সোমপুর বিহার। নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে অবস্থিত এটি। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এটি মূলত পাল রাজ্ত্বের রাজধানী ও সেই সময়ের এটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো। এখানে সে সময় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা পড়ালেখা করতো। নওগাঁ শহর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের দূরত্ব প্রায় ৩৪ কিলোমিটার, বাস ভারা ৬০ টাকা। জয়পুরহাট জেলা থেকে ১২ কিলোমিটার, বাস ভাড়া ২৫ টাকা।

জামাল গঞ্জ বাজার থেকে দুরত্ব ৬ কিলোমিটার অটো ভাড়া ২০ টাকা। এখানে সারা বছর দেশ/ বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। বিগত সময়ের তুলনায় এই ঈদে দর্শানার্থীদের আগমন রের্কড পরিমান। আগের চেয়ে অনেক আধুনিকায়ন হওয়ায় পাহাড়পুরের পরিবেশ নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন দর্শনার্থীরা। আগামী সোমবার সরকারী ছুটির দিন পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আগমন বেশি হবে বলে আশা করছেন বিহার কর্তৃপক্ষ। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাস্টোডিয়ান মোঃ ফজলুল করিম আরজু বলেন, এবার পাহাড়পুর দর্শক অনেক বেশী। আমরা সীমিত লোকজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীদের মানসম্মত সেবা প্রদানের চেস্টা করে আসছি। এতো দর্শনাথী সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই আবার বিহারের প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করছে। আমি আশাবাদি আগামী সোমবার পর্যন্ত দর্শকদের উপস্থিতি থাকবে।
টুরিস্ট পুলিশ নওগাঁ জোনের ইনচার্জ কিরন কুমার রায় বলেন, আমি আমাদের টুরিস্ট পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে আগত দর্শনার্থীদের সাবর্বক্ষনিক নিরাপত্তা কাজে দিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।
বাখ//আর