ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বড় হচ্ছে মন্ত্রিসভা, শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুনদের শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও কয়েকজন নতুন সদস্য যুক্ত হতে যাচ্ছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন মন্ত্রিসভা সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকার গঠনের দুই মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভার আকার বড় করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ৭ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের দুই দফায় (৪৮ ও ২ জন) শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়টি নেতাকর্মীদের মুখে মুখে আলোচিত হতে থাকে।

মন্ত্রিসভা বৃদ্ধির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক সূচিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান ৩৬ সদস্যের মন্ত্রিসভায় আরও নতুন সাত থেকে আট নতুন মুখের দেখা মিলতে পারে।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে নতুন করে আরও একজন পূর্ণমন্ত্রী, চারজন প্রতিমন্ত্রী ও তিন জন উপমন্ত্রী যোগ হতে পারেন মন্ত্রিসভায়। অবশ্য কারা মন্ত্রিসভায় আসছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, যে দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নেই সেই দুটি ছাড়া অর্থ, স্বাস্থ্য, পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ নেওয়া হতে পারে।

সূত্র বলছে, শ্রম ও কর্ম সংস্থান, সংস্কৃতি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যদের প্রতিমন্ত্রী বা মন্ত্রী করা হতে পারে। বাকিগুলোতে ৩০০ আসনে বিজয়ী নেতাদের মধ্য থেকে আনা হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৪টি, জাতীয় পার্টি ১১টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একটি করে আসন পেয়েছে। একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বড় হচ্ছে মন্ত্রিসভা, শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুনদের শপথ

আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও কয়েকজন নতুন সদস্য যুক্ত হতে যাচ্ছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন মন্ত্রিসভা সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকার গঠনের দুই মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভার আকার বড় করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ৭ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের দুই দফায় (৪৮ ও ২ জন) শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়টি নেতাকর্মীদের মুখে মুখে আলোচিত হতে থাকে।

মন্ত্রিসভা বৃদ্ধির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক সূচিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান ৩৬ সদস্যের মন্ত্রিসভায় আরও নতুন সাত থেকে আট নতুন মুখের দেখা মিলতে পারে।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে নতুন করে আরও একজন পূর্ণমন্ত্রী, চারজন প্রতিমন্ত্রী ও তিন জন উপমন্ত্রী যোগ হতে পারেন মন্ত্রিসভায়। অবশ্য কারা মন্ত্রিসভায় আসছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, যে দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নেই সেই দুটি ছাড়া অর্থ, স্বাস্থ্য, পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ নেওয়া হতে পারে।

সূত্র বলছে, শ্রম ও কর্ম সংস্থান, সংস্কৃতি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যদের প্রতিমন্ত্রী বা মন্ত্রী করা হতে পারে। বাকিগুলোতে ৩০০ আসনে বিজয়ী নেতাদের মধ্য থেকে আনা হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৪টি, জাতীয় পার্টি ১১টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একটি করে আসন পেয়েছে। একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।