ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা

দিনাজপুর সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৪৯২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমান কূপের কয়লা শেষ হয়ে যাওয়ায় ফের দুই মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন। নতুন ফেজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও কয়লা উত্তোলনের জন্য চালু করার জন্য এই সময় প্রয়োজন হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার (৩০ আগস্ট) থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকবে বড়পুকুরিযায়। আর নতুন ফেজে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে অক্টোবরের শেষের দিকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। পুরাতন ফেইসে কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি বন্ধ করে নতুন ফেইস চালু করা হবে। এজন্য আপাতত উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই কয়লার উৎপাদন অনেক কমে গেছে। নতুন ফেইসে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরে আগামী দুই মাস কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৫শে এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১ হাজার ১১৩ ফেইস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। ওই ফেইস থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের পর উৎপাদিত কয়লা বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু আছে। যা থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে চলবে- জানতে চাইলে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এই ইউনিট চালু রাখতে প্রতিদিন দুই হাজার টন কয়লা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইয়ার্ডে এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুত রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় দুই মাস ইউনিটটি সচল রাখা সম্ভব। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগামী দুই মাস বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়বে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

বর্তমান কূপের কয়লা শেষ হয়ে যাওয়ায় ফের দুই মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন। নতুন ফেজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও কয়লা উত্তোলনের জন্য চালু করার জন্য এই সময় প্রয়োজন হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার (৩০ আগস্ট) থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকবে বড়পুকুরিযায়। আর নতুন ফেজে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে অক্টোবরের শেষের দিকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। পুরাতন ফেইসে কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি বন্ধ করে নতুন ফেইস চালু করা হবে। এজন্য আপাতত উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই কয়লার উৎপাদন অনেক কমে গেছে। নতুন ফেইসে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরে আগামী দুই মাস কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৫শে এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১ হাজার ১১৩ ফেইস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। ওই ফেইস থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের পর উৎপাদিত কয়লা বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু আছে। যা থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে চলবে- জানতে চাইলে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এই ইউনিট চালু রাখতে প্রতিদিন দুই হাজার টন কয়লা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইয়ার্ডে এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুত রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় দুই মাস ইউনিটটি সচল রাখা সম্ভব। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগামী দুই মাস বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়বে না।