ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

 বছরের পর বছর অনুপস্থিত শিক্ষক : বেতন ভাতা তুলছেন নিয়মিত 

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৬৬৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৩০ নভেম্বর অনুসন্ধানে জানা যায় নীলফামারীর ডিমলায় এক মাদ্রাসার সরকারি শিক্ষক বছরের পর বছর অনুপস্থিত থেকেই ও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। জানা যায় উপজেলা খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোট খাতা কামিল মাদ্রাসা ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক শামসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন। সহকারী শিক্ষক বছরের পর বছর অনুপস্থিতির কারণেই মাদ্রাসাটিতে নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না।

১৯৬৬ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১৯৯৪ সালে এমপিও ভুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠান কাল থেকেই পড়ালেখার মান ভালো হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা এই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ইবতেদায়ী শাখাসহ মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১ হাজারের মতো এরমধ্যে ইবতেদায়ী শাখায় ১২০ জন শিক্ষার্থী আছে শিক্ষক চারজনের মধ্যে একজন অবসর হয় বর্তমান তিনজনের মধ্যে সরকারি শিক্ষক শামসুল হক মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণেই ভেঙ্গে পড়ছে পাঠদান। নিয়ম শৃঙ্খলার মান দিন দিন নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে স্থানীয় জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিভাবক জানান, সরকারি শিক্ষক শামসুল হক চাকরির বিধি লংঘন করে স্থানীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বছরের পর বছর মাদ্রাসায় উপস্থিত না হয়ে নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।  শিক্ষকের অনিমের সুপার এর অবহেলায় মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হচ্ছে এবং নির্ধারিত বিষয়ের পাঠদান হচ্ছে না। ছুটির জন্য আবেদন না করেই প্রতি মাসেই ঠিক নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছেন।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, সহকারী শিক্ষক শামসুল হক কোন দায়িত্বেই পালন না করার কারণ হচ্ছে তিনি একজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায়। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মী উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসা সুপার মোঃ বজলা রহমানের কাছে জানতে চাইলে বলেন ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক শামসুল হক গত দুইদিন ধরে মাদ্রাসায় আসে নাই ১০ দিনের ছুটির দরখাস্ত দিয়েছেন আমি মনজুর করি নাই এই দুই দিন না আসার কারণেই তার বেতন ভাতা কর্তন ব্যবস্থা করব কিভাবে বছরের পর বছর না এসে বেতন ভাতা তুলছেন এমন প্রশ্নকরলে কি বলেন উনি একজন অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন তাই উনাকে কিভাবে বলি ক্লাস করতে।

সহকারী শিক্ষক শামসুল হককে মাদ্রাসায় না পেয়ে মুঠোফোনে অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রাসায় যাবো কি না যাবো আপনাকে কেন বলব আপনার কি করার আছে করেন বলে ফোনটি কেটে দেন।

উক্ত বিষয়ে ডিমলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হালিম মাদ্রাসায় অনুপস্থিতির শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের সুপার আমাকে কখনো বলেন নাই আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

 বছরের পর বছর অনুপস্থিত শিক্ষক : বেতন ভাতা তুলছেন নিয়মিত 

আপডেট সময় : ০৪:২৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩

৩০ নভেম্বর অনুসন্ধানে জানা যায় নীলফামারীর ডিমলায় এক মাদ্রাসার সরকারি শিক্ষক বছরের পর বছর অনুপস্থিত থেকেই ও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। জানা যায় উপজেলা খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোট খাতা কামিল মাদ্রাসা ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক শামসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন। সহকারী শিক্ষক বছরের পর বছর অনুপস্থিতির কারণেই মাদ্রাসাটিতে নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না।

১৯৬৬ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১৯৯৪ সালে এমপিও ভুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠান কাল থেকেই পড়ালেখার মান ভালো হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা এই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ইবতেদায়ী শাখাসহ মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১ হাজারের মতো এরমধ্যে ইবতেদায়ী শাখায় ১২০ জন শিক্ষার্থী আছে শিক্ষক চারজনের মধ্যে একজন অবসর হয় বর্তমান তিনজনের মধ্যে সরকারি শিক্ষক শামসুল হক মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণেই ভেঙ্গে পড়ছে পাঠদান। নিয়ম শৃঙ্খলার মান দিন দিন নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে স্থানীয় জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিভাবক জানান, সরকারি শিক্ষক শামসুল হক চাকরির বিধি লংঘন করে স্থানীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বছরের পর বছর মাদ্রাসায় উপস্থিত না হয়ে নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।  শিক্ষকের অনিমের সুপার এর অবহেলায় মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হচ্ছে এবং নির্ধারিত বিষয়ের পাঠদান হচ্ছে না। ছুটির জন্য আবেদন না করেই প্রতি মাসেই ঠিক নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছেন।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, সহকারী শিক্ষক শামসুল হক কোন দায়িত্বেই পালন না করার কারণ হচ্ছে তিনি একজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায়। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মী উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসা সুপার মোঃ বজলা রহমানের কাছে জানতে চাইলে বলেন ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক শামসুল হক গত দুইদিন ধরে মাদ্রাসায় আসে নাই ১০ দিনের ছুটির দরখাস্ত দিয়েছেন আমি মনজুর করি নাই এই দুই দিন না আসার কারণেই তার বেতন ভাতা কর্তন ব্যবস্থা করব কিভাবে বছরের পর বছর না এসে বেতন ভাতা তুলছেন এমন প্রশ্নকরলে কি বলেন উনি একজন অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন তাই উনাকে কিভাবে বলি ক্লাস করতে।

সহকারী শিক্ষক শামসুল হককে মাদ্রাসায় না পেয়ে মুঠোফোনে অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রাসায় যাবো কি না যাবো আপনাকে কেন বলব আপনার কি করার আছে করেন বলে ফোনটি কেটে দেন।

উক্ত বিষয়ে ডিমলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হালিম মাদ্রাসায় অনুপস্থিতির শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের সুপার আমাকে কখনো বলেন নাই আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

বাখ//আর