ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বর-কনের বিয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় এক দম্পতি ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিয়ে করেছেন। রোববার (১৮ ডিসেম্বর) বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ আসলের ফাইনাল ম্যাচের দিন বিয়ে করেছেন এই দম্পতি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা— এ দুই রাজ্যে ফুটবল খুবই জনপ্রিয় খেলা। রোববার কেরালার অধিকাংশ বাড়িতে আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্সের পতাকা উড়েছে। নিজের প্রিয় দলের জার্সি পরে বাড়ির বাইরে বের হয়েছেন অনেকে। বিভিন্ন সড়কে বড় স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেছেন হাজার হাজার ফুটবলভক্ত।

কিন্তু আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ব্যাপক ভক্ত শচীন আর এবং ফ্রান্স ফুটবল দলের ‘ডাইহার্টেড ফ্যান’ আর আথিরা গতকাল তাদের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে পারেননি। কারণ ওই দিনই তাদের বিয়ে ছিল।
শচীন এবং আথিরার বন্ধুবান্ধব সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আগে দু’জন বিভিন্ন বিষয়ে বোঝাপড়ায় যেতে সম্মত হলেও নিজেদের ফুটবল দল সমর্থনের ব্যাপারে কোনো আপসে যেতে চাননি শচীন ও আথিরা। পরস্পরের এই ব্যাপারটি তারা মেনেও নিয়েছেন।

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে রোববার (১৮ ডিসেম্বর) যখন বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ শুরু হয়, তার কয়েক ঘণ্টা আগে কোচি শহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আথিরা এবং শচীন। বিয়ের সমস্ত সাজপোষাক ও অলঙ্কার পরে পরে তার ওপর নিজেদের সমর্থন করা ফুটবল দলের জার্সি চাপিয়েছিলেন তারা।

দুজনেই আবার পরেছিলেন ১০ নাম্বার জার্সি। আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে ১০ নাম্বার জার্সি গায়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলায় নামেন।

কেরালার দৈনিক মালায়ালা মনোরমার বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্রুত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা, অতিথিদের অভ্যর্থনা ও ভোজ শেষে কোচি থেকে ২০৬ কিলোমিটার দূরে থিরুভানান্থাপুরাম শহরের উদ্দেশে রীতিমতো ছুট লাগান এই দম্পতি। শচীনের বাড়ি সেই শহরে এবং বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্যই এই তাড়াহুড়ো ছিলো তাদের।

এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে বিজয়ী হয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ অর্জন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। ট্রাইব্রেকার পর্যায়ে ফ্রান্স ফুটবল দলকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বর-কনের বিয়ে

আপডেট সময় : ০৬:০৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় এক দম্পতি ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিয়ে করেছেন। রোববার (১৮ ডিসেম্বর) বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ আসলের ফাইনাল ম্যাচের দিন বিয়ে করেছেন এই দম্পতি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা— এ দুই রাজ্যে ফুটবল খুবই জনপ্রিয় খেলা। রোববার কেরালার অধিকাংশ বাড়িতে আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্সের পতাকা উড়েছে। নিজের প্রিয় দলের জার্সি পরে বাড়ির বাইরে বের হয়েছেন অনেকে। বিভিন্ন সড়কে বড় স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেছেন হাজার হাজার ফুটবলভক্ত।

কিন্তু আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ব্যাপক ভক্ত শচীন আর এবং ফ্রান্স ফুটবল দলের ‘ডাইহার্টেড ফ্যান’ আর আথিরা গতকাল তাদের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে পারেননি। কারণ ওই দিনই তাদের বিয়ে ছিল।
শচীন এবং আথিরার বন্ধুবান্ধব সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আগে দু’জন বিভিন্ন বিষয়ে বোঝাপড়ায় যেতে সম্মত হলেও নিজেদের ফুটবল দল সমর্থনের ব্যাপারে কোনো আপসে যেতে চাননি শচীন ও আথিরা। পরস্পরের এই ব্যাপারটি তারা মেনেও নিয়েছেন।

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে রোববার (১৮ ডিসেম্বর) যখন বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ শুরু হয়, তার কয়েক ঘণ্টা আগে কোচি শহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আথিরা এবং শচীন। বিয়ের সমস্ত সাজপোষাক ও অলঙ্কার পরে পরে তার ওপর নিজেদের সমর্থন করা ফুটবল দলের জার্সি চাপিয়েছিলেন তারা।

দুজনেই আবার পরেছিলেন ১০ নাম্বার জার্সি। আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে ১০ নাম্বার জার্সি গায়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলায় নামেন।

কেরালার দৈনিক মালায়ালা মনোরমার বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্রুত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা, অতিথিদের অভ্যর্থনা ও ভোজ শেষে কোচি থেকে ২০৬ কিলোমিটার দূরে থিরুভানান্থাপুরাম শহরের উদ্দেশে রীতিমতো ছুট লাগান এই দম্পতি। শচীনের বাড়ি সেই শহরে এবং বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্যই এই তাড়াহুড়ো ছিলো তাদের।

এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে বিজয়ী হয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ অর্জন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। ট্রাইব্রেকার পর্যায়ে ফ্রান্স ফুটবল দলকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে তারা।