ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের হট্টগোল

মোঃ আবু শহীদ, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুলাল হোসেন (৪০) নামে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের বিচার দাবী করে অবস্থান করেন রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি চিকিৎসকের অবহেলার কারনেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ১২পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই হট্রগোলের চলে।নিহত দুলাল হোসেন উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর ঘাটপাড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে, তিনি পেশায় ভ্যান চালক ছিলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭ টায় মৃত দুলাল হোসেন কে অসুস্থ অবস্থায় তার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এসময় রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে জমায়েত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্তরে স্থানীয়রা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমানের অপসারণ, দায়িত্ব অবহেলাকারী ডাক্তার ও নার্সদের বিচারের দাবিতে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন এর হস্তক্ষেপে থানা পুলিশের সহযোগিতায় প্রায় তিনঘন্টা পর উদ্ভুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং স্বজনরা মরদেহ বাড়ীতে নিয়ে যায়।

নিহতের ছোট ভাই নূর আলম (৩৫) বলেন, হাসপাতালে আমার ভাইয়ের অবস্থা ক্রমশঃ খারাপ হলে ডাক্তারকে ডেকেও পাওয়া যায়নি। তার অভিযোগ চিকিৎসকের অবহেলাতেই তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে নার্সিং সুপারভাইজার বিলকিস বেগম বলেন, ভর্তির পর ডাক্তারের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এর কিছু সময় পর হঠাৎ তার পরিস্থিতি খারাপ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। আমরা ধারণা করছি তার আগে থেকে হার্ডের সমস্যা ছিলো।

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমান জানান, জরুরী মিটিংয়ে বাহিরে আছি। ফিরে এসে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে কোন ত্রুটি থাকলে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন বলেন, হট্টগোলের খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে স্থানীয়নের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফিরে আসলে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে জানান তিনি।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের হট্টগোল

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুলাল হোসেন (৪০) নামে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের বিচার দাবী করে অবস্থান করেন রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি চিকিৎসকের অবহেলার কারনেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ১২পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই হট্রগোলের চলে।নিহত দুলাল হোসেন উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর ঘাটপাড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে, তিনি পেশায় ভ্যান চালক ছিলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭ টায় মৃত দুলাল হোসেন কে অসুস্থ অবস্থায় তার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এসময় রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে জমায়েত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্তরে স্থানীয়রা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমানের অপসারণ, দায়িত্ব অবহেলাকারী ডাক্তার ও নার্সদের বিচারের দাবিতে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন এর হস্তক্ষেপে থানা পুলিশের সহযোগিতায় প্রায় তিনঘন্টা পর উদ্ভুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং স্বজনরা মরদেহ বাড়ীতে নিয়ে যায়।

নিহতের ছোট ভাই নূর আলম (৩৫) বলেন, হাসপাতালে আমার ভাইয়ের অবস্থা ক্রমশঃ খারাপ হলে ডাক্তারকে ডেকেও পাওয়া যায়নি। তার অভিযোগ চিকিৎসকের অবহেলাতেই তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে নার্সিং সুপারভাইজার বিলকিস বেগম বলেন, ভর্তির পর ডাক্তারের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এর কিছু সময় পর হঠাৎ তার পরিস্থিতি খারাপ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। আমরা ধারণা করছি তার আগে থেকে হার্ডের সমস্যা ছিলো।

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমান জানান, জরুরী মিটিংয়ে বাহিরে আছি। ফিরে এসে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে কোন ত্রুটি থাকলে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন বলেন, হট্টগোলের খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে স্থানীয়নের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফিরে আসলে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে জানান তিনি।

 

বাখ//আর