ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
  • / ৪৬৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// বিশেষ প্রতিনিধি //
ফরিদপুরের জেনারেল হাসপাতাল (যা সদর হাসপাতাল নামে পরিচিত ) শত বছর ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক হাসপাতালে নিরাপত্তাহীনতায় চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে সাধারণ জনগণ ও রাতে অবস্থানরত নার্সরা।
হাসপাতালের ইর্মাজেন্সির সামনে এবং হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে দিনে দুপুরে চুরি হয়ে যাচ্ছে জানালার থাইগ্রাসসহ মূল্যবান জিনিস পত্র। চোর ও নেশা খোরদের আড্ডা খানা রাতে জমে উঠে ওদের আনাগুনা। হাসপাতালের কয়েকটি কোয়ার্টারের জানানা দরজা খুলে নিয়ে গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে ও বয়ষ্ক অভিভাবকরা জানান, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালটি বয়স শত বছরের এবং ১০/১৫ বছর পৃর্বে ও চৌষট্টিটি জেলার মধ্যে এক নম্বর চিকিৎসা সেবা পেত ফরিদপুরের জনগণ। কিন্তু এখন আর সেই চিকিৎসা সেবা পায়না ফরিদপুরবাসিরা।
তারা আরো জানান, হাসপাতালের কর্তকর্তারদের ব‍্যর্থতার কারণে প্রতিদিন চুরি হয়ে যাচ্ছে হাসপাতালের মূল্যবান জিনিস।
এ বিষয়ে জেনারেল হাসপাতালের ওয়ার্ড মাষ্টারের সহিদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান হাসপাতালের ও  চুরি হত্তয়ার বিষয়ে
আমি কিছুই বলতে পারবো না। তার কারণ হাসপাতালের দায়িত্ব আছেন (আরএমও) আবাসিক চিকিৎসক,  তাকে জিজ্ঞেস করুন।
জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাক্তার গনেশ আগরওয়ালা জানান,  হাসপাতালের মালামাল প্রতিনিয়ত চুরির বিষয়টি ফরিদপুরের  সিভিল সার্জন কে জানানো হয়েছে। তিনিই জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান। আবাসিক ডাক্তার গনেশ আগরওয়ালা আরো জানান, চুরি ও হাসপাতালে নিরাপত্তার বিয়ের পুলিশ প্রসাশনকে অবগত করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে ৩৭ ডাক্তার ও ১০/১৫ জন নিরাপত্তা কর্মী থাকার কথা।
সেখানে ডাক্তার আছে কর্মরত ৭/৮ জন আর নিরাপত্তা কর্মী বলতে কিছুই নেই ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নার্সরা জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের ফরিদপুরের একটি চক্র চায় না ঐতিহ্যবাহী শতবছরের হাসপাতালটি প্রান ফিরে পাক।
তারা আরো বলেন, ফরিদপুর মেডিক্যাল হাসপাতাল হয়ে শহরে লোকেরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
ফরিদপুরের সুধি সমাজের ব‍্যাক্তিরা জানান, ঐতিহ্যবাহী জেনারেল হাসপাতালটি ধ্বংসের পথে। এই হাসপাতালটি যেন আর ভালো না হয় সেজন্য এর সাথে বেসরকারী হাসপাতালের মালিক ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোক জন জড়িত আছে। জেনারেল হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা সেবা পেলে বেসরকারী হাসপাতালের ব‍্যবসা হবে না।
তারা আরো বলেন যে, ডাক্তারা ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে কর্মরত আছে। ঐ সকল ডাক্তারাই ফরিদপুরে শহরে শতাধিক বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চেম্বারে বসে। ফরিদপুরবাসির দাবি শতবছরের ঐতিহ্যবাহী জেনারেল হাসপাতাল টি যেন আগের মতো চিকিৎসা সেবা পায় এ জন‍্য
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে

আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
// বিশেষ প্রতিনিধি //
ফরিদপুরের জেনারেল হাসপাতাল (যা সদর হাসপাতাল নামে পরিচিত ) শত বছর ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক হাসপাতালে নিরাপত্তাহীনতায় চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে সাধারণ জনগণ ও রাতে অবস্থানরত নার্সরা।
হাসপাতালের ইর্মাজেন্সির সামনে এবং হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে দিনে দুপুরে চুরি হয়ে যাচ্ছে জানালার থাইগ্রাসসহ মূল্যবান জিনিস পত্র। চোর ও নেশা খোরদের আড্ডা খানা রাতে জমে উঠে ওদের আনাগুনা। হাসপাতালের কয়েকটি কোয়ার্টারের জানানা দরজা খুলে নিয়ে গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে ও বয়ষ্ক অভিভাবকরা জানান, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালটি বয়স শত বছরের এবং ১০/১৫ বছর পৃর্বে ও চৌষট্টিটি জেলার মধ্যে এক নম্বর চিকিৎসা সেবা পেত ফরিদপুরের জনগণ। কিন্তু এখন আর সেই চিকিৎসা সেবা পায়না ফরিদপুরবাসিরা।
তারা আরো জানান, হাসপাতালের কর্তকর্তারদের ব‍্যর্থতার কারণে প্রতিদিন চুরি হয়ে যাচ্ছে হাসপাতালের মূল্যবান জিনিস।
এ বিষয়ে জেনারেল হাসপাতালের ওয়ার্ড মাষ্টারের সহিদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান হাসপাতালের ও  চুরি হত্তয়ার বিষয়ে
আমি কিছুই বলতে পারবো না। তার কারণ হাসপাতালের দায়িত্ব আছেন (আরএমও) আবাসিক চিকিৎসক,  তাকে জিজ্ঞেস করুন।
জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাক্তার গনেশ আগরওয়ালা জানান,  হাসপাতালের মালামাল প্রতিনিয়ত চুরির বিষয়টি ফরিদপুরের  সিভিল সার্জন কে জানানো হয়েছে। তিনিই জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান। আবাসিক ডাক্তার গনেশ আগরওয়ালা আরো জানান, চুরি ও হাসপাতালে নিরাপত্তার বিয়ের পুলিশ প্রসাশনকে অবগত করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে ৩৭ ডাক্তার ও ১০/১৫ জন নিরাপত্তা কর্মী থাকার কথা।
সেখানে ডাক্তার আছে কর্মরত ৭/৮ জন আর নিরাপত্তা কর্মী বলতে কিছুই নেই ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নার্সরা জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের ফরিদপুরের একটি চক্র চায় না ঐতিহ্যবাহী শতবছরের হাসপাতালটি প্রান ফিরে পাক।
তারা আরো বলেন, ফরিদপুর মেডিক্যাল হাসপাতাল হয়ে শহরে লোকেরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
ফরিদপুরের সুধি সমাজের ব‍্যাক্তিরা জানান, ঐতিহ্যবাহী জেনারেল হাসপাতালটি ধ্বংসের পথে। এই হাসপাতালটি যেন আর ভালো না হয় সেজন্য এর সাথে বেসরকারী হাসপাতালের মালিক ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোক জন জড়িত আছে। জেনারেল হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা সেবা পেলে বেসরকারী হাসপাতালের ব‍্যবসা হবে না।
তারা আরো বলেন যে, ডাক্তারা ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে কর্মরত আছে। ঐ সকল ডাক্তারাই ফরিদপুরে শহরে শতাধিক বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চেম্বারে বসে। ফরিদপুরবাসির দাবি শতবছরের ঐতিহ্যবাহী জেনারেল হাসপাতাল টি যেন আগের মতো চিকিৎসা সেবা পায় এ জন‍্য
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।