ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফরিদপুরে মৃৎশিল্প ব্যবসার মন্দা : কুমারদের সংসার চালানো মুশকিল 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩
  • / ৪৫৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// বিশেষ প্রতিনিধি //
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কোড়কদি ইউনিয়নের বাগবাড়ি এলাকায় শতবর্ষ ধরে বসবাস করে আসছে মৃৎশিল্প ব্যবসায়ীরা ( কুমার) । ব্যবহার কমে যাবার কারণে ব্যবসায়ীরা এখন কষ্টে দিন পার করছে । অভিযোগ সঠিক সহায়তা না পাবার ।
এ এলাকায় সর্বমোট ৩৫ টি  মৃৎশিল্প ব্যবসার সাথে জড়িত পরিবারের বসবাস । এ পরিবার গুলো বিভিন্ন ধরণের মাটির তৈরি  আসবাবপত্র , খেলনা, রান্নার উপকরণ ও দই এবং মিষ্টির খুটি তৈরি করে । এ জন্য এলাকাটা পালবাড়ি হিসেবে পরিচিত।
মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় , বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির কারণে মৃৎশিল্পের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না । আগের মতো কোন মালামাল চলে না । এখন বাজারে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরণের প্রযুক্তির সরঞ্জাম তৈরি হচ্ছে বিধায় আমরা এখন এ ব্যবসায় বেকারত্ব জীবন পার করছি । আমরা সরকারের কাছ থেকে বা অন্য কারো কোন সহযোগীতা পাচ্ছি না । সহযোগীতা পেলে ভালো ভাবে এ শিল্প ব্যবসাকে ধরে রাখতে পারতাম । অন্যান্য পণ্যের মধ্যে দই ও মিষ্টির খুটি আর কিছু খেলনার মালামাল বিক্রয় হয়ে থাকে। বর্তমানে অনেক মাল তৈরি করে রেখেছি যার উৎপাদন খরচের চেয়েও ৩/৪ টাকা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ।   এ ব্যবসার সাথে জড়িত রণজিৎ পাল , কবিতা রাণী পাল , সবিতা পাল , অসিত কুমার পাল , অশোক পাল , রাজকুমার পাল , অখিল পাল ও অরবিন্দ পাল জানান , দীর্ঘ বছর ধরে এ  ব্যবসা মন্দা থাকার কারনে এতে ছেলে – মেয়ে নিয়ে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে । তারা আরো জানান , যে সকল সরঞ্জাম দিয়ে পণ্য তৈরি করতাম তার ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে মৃৎশিল্প ব্যবসার মন্দা : কুমারদের সংসার চালানো মুশকিল 

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩
// বিশেষ প্রতিনিধি //
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কোড়কদি ইউনিয়নের বাগবাড়ি এলাকায় শতবর্ষ ধরে বসবাস করে আসছে মৃৎশিল্প ব্যবসায়ীরা ( কুমার) । ব্যবহার কমে যাবার কারণে ব্যবসায়ীরা এখন কষ্টে দিন পার করছে । অভিযোগ সঠিক সহায়তা না পাবার ।
এ এলাকায় সর্বমোট ৩৫ টি  মৃৎশিল্প ব্যবসার সাথে জড়িত পরিবারের বসবাস । এ পরিবার গুলো বিভিন্ন ধরণের মাটির তৈরি  আসবাবপত্র , খেলনা, রান্নার উপকরণ ও দই এবং মিষ্টির খুটি তৈরি করে । এ জন্য এলাকাটা পালবাড়ি হিসেবে পরিচিত।
মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় , বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির কারণে মৃৎশিল্পের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না । আগের মতো কোন মালামাল চলে না । এখন বাজারে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরণের প্রযুক্তির সরঞ্জাম তৈরি হচ্ছে বিধায় আমরা এখন এ ব্যবসায় বেকারত্ব জীবন পার করছি । আমরা সরকারের কাছ থেকে বা অন্য কারো কোন সহযোগীতা পাচ্ছি না । সহযোগীতা পেলে ভালো ভাবে এ শিল্প ব্যবসাকে ধরে রাখতে পারতাম । অন্যান্য পণ্যের মধ্যে দই ও মিষ্টির খুটি আর কিছু খেলনার মালামাল বিক্রয় হয়ে থাকে। বর্তমানে অনেক মাল তৈরি করে রেখেছি যার উৎপাদন খরচের চেয়েও ৩/৪ টাকা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ।   এ ব্যবসার সাথে জড়িত রণজিৎ পাল , কবিতা রাণী পাল , সবিতা পাল , অসিত কুমার পাল , অশোক পাল , রাজকুমার পাল , অখিল পাল ও অরবিন্দ পাল জানান , দীর্ঘ বছর ধরে এ  ব্যবসা মন্দা থাকার কারনে এতে ছেলে – মেয়ে নিয়ে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে । তারা আরো জানান , যে সকল সরঞ্জাম দিয়ে পণ্য তৈরি করতাম তার ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে।