ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফরিদপুরে পরিবহনে মাদ্রাসা ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেফতার ৩

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// নাজিম বকাউল, বিশেষ প্রতিবেদক // 
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রচেষ্টা পরিবহনের  একটি বাসের যাত্রী মাদ্রাসা পড়ুয়া ১৩ বছরের এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ওই বাসের কন্ডাক্টর, হেলপার, এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
 এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা কালাম শেখ বাদি হয়ে সোমবার বিকেলে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে  অভিযুক্তদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলো, প্রচেষ্টা পরিবহনের কন্ডাক্টর আসিফ সরদার (২২), হেলপার রাকিব মাতুব্বর (২৪) ও তার মা লিলি বেগম (৫০)।মেয়েটির দুলাভাই সুমন আহমেদ জানান, তার শালিকা ঢাকার হাজারীবাগ খাদিজাতুল কোবরা নামের একটি মহিলা মাদ্রাসার  ছাত্রী। হাজারীবাগে একটি ভাড়া বাসায় তাদের সাথেই থাকে সে। গত রোববার (৩০ জুলাই) বিকেলে তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি নগরকান্দার পীরের গ্রামে যাওয়ার জন্য বাবুবাজার থেকে ভাঙ্গাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব- ৬৪৮৩) একটি বাসে তুলে দেন। তার জন্য ভাঙ্গায় অপেক্ষা করছিলেন শ্বশুর কালাম শেখ।
মেয়েটির বাবা মো. কালাম শেখ বলেন, মেয়েকে না পেয়ে তার মোবাইলে ফোন দিলে সেটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খুঁজাখুঁজি করে  তাকে না পেয়ে রাতে পুলিশকে জানানো হয়।
 ভাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই জুয়েল বলেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ব্যাপারে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পরিবারের লোকজনকে সাথে নিয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। এরপর সোমবার সকালে ঐ বাসের সুপারভাইজার আসিফকে আটক করার পর বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। পরে তার দেয়া তথ্য মতে উপজেলার হেলিপোর্ট সংলগ্ন কাপুড়িয়া সদরদী নামক গ্রামের একটি ভাড়া বাসা হেলপার রাকিবের বাসা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ভাঙ্গায় পৌছার পর মেয়েটিকে বাস থেকে না নেমে নিরাপদে পৌছে দেয়ার কথা বলে কিছুদূর সামনে নিয়ে নামিয়ে হেলপার রাকিবুলের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এস আই মনির বলেন, অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সাথে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাদের বিরদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার দুপুরে  অভিযুক্তদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে পরিবহনে মাদ্রাসা ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩
// নাজিম বকাউল, বিশেষ প্রতিবেদক // 
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রচেষ্টা পরিবহনের  একটি বাসের যাত্রী মাদ্রাসা পড়ুয়া ১৩ বছরের এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ওই বাসের কন্ডাক্টর, হেলপার, এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
 এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা কালাম শেখ বাদি হয়ে সোমবার বিকেলে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে  অভিযুক্তদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন ; ফরিদপুরের সালথায় এক দশক পরে উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন  অনুষ্ঠিত 
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলো, প্রচেষ্টা পরিবহনের কন্ডাক্টর আসিফ সরদার (২২), হেলপার রাকিব মাতুব্বর (২৪) ও তার মা লিলি বেগম (৫০)।মেয়েটির দুলাভাই সুমন আহমেদ জানান, তার শালিকা ঢাকার হাজারীবাগ খাদিজাতুল কোবরা নামের একটি মহিলা মাদ্রাসার  ছাত্রী। হাজারীবাগে একটি ভাড়া বাসায় তাদের সাথেই থাকে সে। গত রোববার (৩০ জুলাই) বিকেলে তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি নগরকান্দার পীরের গ্রামে যাওয়ার জন্য বাবুবাজার থেকে ভাঙ্গাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব- ৬৪৮৩) একটি বাসে তুলে দেন। তার জন্য ভাঙ্গায় অপেক্ষা করছিলেন শ্বশুর কালাম শেখ।
মেয়েটির বাবা মো. কালাম শেখ বলেন, মেয়েকে না পেয়ে তার মোবাইলে ফোন দিলে সেটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খুঁজাখুঁজি করে  তাকে না পেয়ে রাতে পুলিশকে জানানো হয়।
 ভাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই জুয়েল বলেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ব্যাপারে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পরিবারের লোকজনকে সাথে নিয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। এরপর সোমবার সকালে ঐ বাসের সুপারভাইজার আসিফকে আটক করার পর বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। পরে তার দেয়া তথ্য মতে উপজেলার হেলিপোর্ট সংলগ্ন কাপুড়িয়া সদরদী নামক গ্রামের একটি ভাড়া বাসা হেলপার রাকিবের বাসা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ভাঙ্গায় পৌছার পর মেয়েটিকে বাস থেকে না নেমে নিরাপদে পৌছে দেয়ার কথা বলে কিছুদূর সামনে নিয়ে নামিয়ে হেলপার রাকিবুলের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এস আই মনির বলেন, অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সাথে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাদের বিরদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার দুপুরে  অভিযুক্তদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।