ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফরিদপুরে চাঞ্চল্যকর শান্তা হত্যার প্রধান আসামি আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৭৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিশেষ  প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর শান্তা হত্যার প্রধান আসামি তার স্বামী আসাদ ওরফে বাচ্চুকে  আটক করেছে  র‌্যাব।
শনিবার (২৫ শে মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব-৮ এর প্রেস নোট সুত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদরের একটি এগ্রো ফার্মে ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর  স্ত্রী শান্তাকে (২২) খুন করে আসামি আসাদ ওরফে বাচ্চু পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। ওইদিন বেলা ১১টার দিকে জেলা সদরের দিরাজতুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের ইদ্রিস এগ্রো ফার্ম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, শান্তা ও বাচ্চুর বাড়ি মধুখালী উপজেলায়। শান্তা ওই ফার্মের শ্রমিক ছিলেন। তার স্বামী বাচ্চু ফার্মের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ওইদিন সকালে ১০টার দিকে শ্রমিকরা ফার্মের আবাসিক কক্ষে শান্তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ফার্মের মালিককে জানান। পরে ফার্মের মালিক ইদ্রিস মিয়া থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
থানা ও র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, বাচ্চু এর আগেও দুইটি বিয়ে করেছেন। পূর্ববর্তী স্ত্রীদেরকেও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শান্তাকে বিয়ের তিন মাসের মাথায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ার জন্য নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করে। ওই ঘটনা দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
পরে কোতোয়ালি থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাচ্চুকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাবের সহযোগিতা চান। পরে র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ (ফরিদপুর ক্যাম্প) ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামির অবস্থান নোয়াখালীতে নিশ্চিত করে। অভিযানে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ যোগদান করে। পরে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ এবং র‌্যাব- ৮, সিপিসি-২ এর যৌথ অভিযানে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে শনিবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে মূল হত্যাকারী আসাদ ওরফে বাচ্চুকে আটক করা হয়। বাচ্চু রাজবাড়ীর কানাই মাতুব্বর গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে।
ফরিদপুর র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার কে এম শাইখ আকতার  জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরো জানান, আটকের পর আসামি বাচ্চুকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে চাঞ্চল্যকর শান্তা হত্যার প্রধান আসামি আটক

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
বিশেষ  প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর শান্তা হত্যার প্রধান আসামি তার স্বামী আসাদ ওরফে বাচ্চুকে  আটক করেছে  র‌্যাব।
শনিবার (২৫ শে মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব-৮ এর প্রেস নোট সুত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদরের একটি এগ্রো ফার্মে ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর  স্ত্রী শান্তাকে (২২) খুন করে আসামি আসাদ ওরফে বাচ্চু পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। ওইদিন বেলা ১১টার দিকে জেলা সদরের দিরাজতুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের ইদ্রিস এগ্রো ফার্ম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, শান্তা ও বাচ্চুর বাড়ি মধুখালী উপজেলায়। শান্তা ওই ফার্মের শ্রমিক ছিলেন। তার স্বামী বাচ্চু ফার্মের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ওইদিন সকালে ১০টার দিকে শ্রমিকরা ফার্মের আবাসিক কক্ষে শান্তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ফার্মের মালিককে জানান। পরে ফার্মের মালিক ইদ্রিস মিয়া থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
থানা ও র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, বাচ্চু এর আগেও দুইটি বিয়ে করেছেন। পূর্ববর্তী স্ত্রীদেরকেও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শান্তাকে বিয়ের তিন মাসের মাথায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ার জন্য নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করে। ওই ঘটনা দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
পরে কোতোয়ালি থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাচ্চুকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাবের সহযোগিতা চান। পরে র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ (ফরিদপুর ক্যাম্প) ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামির অবস্থান নোয়াখালীতে নিশ্চিত করে। অভিযানে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ যোগদান করে। পরে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ এবং র‌্যাব- ৮, সিপিসি-২ এর যৌথ অভিযানে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে শনিবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে মূল হত্যাকারী আসাদ ওরফে বাচ্চুকে আটক করা হয়। বাচ্চু রাজবাড়ীর কানাই মাতুব্বর গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে।
ফরিদপুর র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার কে এম শাইখ আকতার  জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরো জানান, আটকের পর আসামি বাচ্চুকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বা/খ: এসআর।