ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ফরিদপুরে ওএমএসের পণ্য পেতে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন : ভোররাত থেকে হতদরিদ্রের প্রতীক্ষা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩
  • / ৪৭৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// নাজিম বকাউল, বিশেষ প্রতিনিধি, ফরিদপুর //
ফরিদপুরে খাদ‍্য অধিদপ্তরের  আওতায় সরকার অসহায় ও হতদরিদ্র এর জন‍্য কম দামে ওএমএস এর মাধ্যমে চাউল ও আটা বিক্রয়ের ব‍্যবস্থা করেছে।
ফরিদপুর শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম চলছে। বন্ধের দুই দিন এই কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এতে সপ্তাহে পাচ দিন এ কার্যক্রম  অব্যাহত  থাকে।
প্রতিজন পুরুষ  ও প্রতিজন মহিলাকে ৫ কেজি করে চাউল ও আটা দেয়া হয়। চাউল প্রতি কেজি ৩০ টাকা ও আটা ২৪ টাকা দরে।
তবে অনেকেরই অভিযোগ, সমস্যা দেখা দিয়েছে সময় নিয়ে। সকালে চাউল আটা নিতে আসলে প্রায় দুপুর হয়ে যায় বাড়ি ফিরতে ওই দিন আর অসহায় পরিবারের কেউ কাজে যোগদান করতে পারে না।
এ বিষয়ে কথা হয় কয়েক জন পুরুষ ও মহিলাদের সাথে। তাদের দাবি, সরকার যদি এই চাউল আটা দেয়ার ব‍্যবস্থা সকালে না করে সন্ধ্যায় করতো; আমাদের কোন কাজে যাওয়া বন্ধ হতো না!
আমরা সারাদিন কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ে যেতে পারতাম।
তারা আরো বলেন, বাধ্য হয়ে ভোর রাতে এসে লাইনে এসে দাঁড়িয়ে থাকি। কারণ তারাতারি যেতে পারলে অন‍্য কাজে যোগদান করতে পারি।
কিন্তু যেদিন চাউল ও আটা ক্রয় করতে আসি ওই দিন কোন কাজে যেতে পারি না। কারণ, সকাল নয়টা থেকে চাউল আটা দেওয়া শুরু করে।
এতে লাইনে ধরে চাউল আটা পেতে কোন কোন দিন দুপুর হয়ে যায়।
তাদের দাবি, যদি  সন্ধ্যায় চাউল আটা দেয়ার নিয়ম করা হয় তাহলে কাজে যাওয়া ওই দিন বন্ধ হবে না। সঠিক সময়ে কাজে যেতে পারবো। তাহলে জীবীকা নির্বাহের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না।
বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে ওএমএসের পণ্য পেতে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন : ভোররাত থেকে হতদরিদ্রের প্রতীক্ষা

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩
// নাজিম বকাউল, বিশেষ প্রতিনিধি, ফরিদপুর //
ফরিদপুরে খাদ‍্য অধিদপ্তরের  আওতায় সরকার অসহায় ও হতদরিদ্র এর জন‍্য কম দামে ওএমএস এর মাধ্যমে চাউল ও আটা বিক্রয়ের ব‍্যবস্থা করেছে।
ফরিদপুর শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম চলছে। বন্ধের দুই দিন এই কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এতে সপ্তাহে পাচ দিন এ কার্যক্রম  অব্যাহত  থাকে।
প্রতিজন পুরুষ  ও প্রতিজন মহিলাকে ৫ কেজি করে চাউল ও আটা দেয়া হয়। চাউল প্রতি কেজি ৩০ টাকা ও আটা ২৪ টাকা দরে।
তবে অনেকেরই অভিযোগ, সমস্যা দেখা দিয়েছে সময় নিয়ে। সকালে চাউল আটা নিতে আসলে প্রায় দুপুর হয়ে যায় বাড়ি ফিরতে ওই দিন আর অসহায় পরিবারের কেউ কাজে যোগদান করতে পারে না।
এ বিষয়ে কথা হয় কয়েক জন পুরুষ ও মহিলাদের সাথে। তাদের দাবি, সরকার যদি এই চাউল আটা দেয়ার ব‍্যবস্থা সকালে না করে সন্ধ্যায় করতো; আমাদের কোন কাজে যাওয়া বন্ধ হতো না!
আমরা সারাদিন কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ে যেতে পারতাম।
তারা আরো বলেন, বাধ্য হয়ে ভোর রাতে এসে লাইনে এসে দাঁড়িয়ে থাকি। কারণ তারাতারি যেতে পারলে অন‍্য কাজে যোগদান করতে পারি।
কিন্তু যেদিন চাউল ও আটা ক্রয় করতে আসি ওই দিন কোন কাজে যেতে পারি না। কারণ, সকাল নয়টা থেকে চাউল আটা দেওয়া শুরু করে।
এতে লাইনে ধরে চাউল আটা পেতে কোন কোন দিন দুপুর হয়ে যায়।
তাদের দাবি, যদি  সন্ধ্যায় চাউল আটা দেয়ার নিয়ম করা হয় তাহলে কাজে যাওয়া ওই দিন বন্ধ হবে না। সঠিক সময়ে কাজে যেতে পারবো। তাহলে জীবীকা নির্বাহের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না।
বা/খ: এসআর।