ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে নানা বাড়ির সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করায় সংবাদ সম্মলন

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • / ৪১৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীতে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে ছোলে মূলে সাত শতাংশ জমি দলিল করে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখায়ে ঘরবাড়ি নির্মানে পায়তারার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মাসুদ খানসহ ৫ ভাই- বোন।

শুক্রবার (১৪ জুন) বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বরুনবাড়িয়া নিবাসী মোঃ মাসুম খান তার লিখিত বক্তব্যে বলেছেন-আমরা ৪ ভাই ও ৩ বোন। আমার মা’য়ের বাবার বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভাধীন ৯ নং ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুরে ওয়ারিশ সূত্রে ৭ শতাংশ জমির মালিক হন। আমার মা রাহিমা বেগম মৃত্যু বরন করায় আমরা ভাই- বোন ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত ৭ শতাংশ জমির মালিক বিদ্যমান থাকি।

আমি রুটি রুজির জন্য মালয়েশিয়ায় থাকার সুযোগে আমার মামাতো ভাই জজ কোর্টের পেশকার মো. মাহাতাব খন্দকার আমার অশিক্ষিত ৬ ভাই বোনকে নানা বাড়ির ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি রেকর্ড করে দেয়ার কথা বলে এক কপি করে ছবি নিয়ে ৭ ভাই বোনের মধ্যে ৪ ভাই কবির খান, মো. সোহাগ খান, বাহাদুর খান ও রেহেনা বেগমের স্বাক্ষর নেয় এবং আমার( মাসুদ খান বিদেশে ছিল), বোন সাহিদা বেগম ও ঝর্না বেগমের স্বাক্ষর জাল করে প্রতারনা জালজালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে ছোলে মূলে দিলল করেন মাহাতাব খানগং।

আমি দেশে এসে জাল দলিল করার খবর জেনে কোর্ট থেকে কাগজ পত্র সংগ্রহ করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি চলমান রেখে উক্ত সম্পত্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা ত্রদান করেন। সম্প্রতি আমার মামাতো ভাই পেশকার মাহাতাব খন্দকার কোর্ট থেকে মামলার নথিপত্র গায়েব করে আমাদের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তিতে বিশেষ করে এ জমিতে নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান থাকা সত্বেও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপনা করার পায়তারা করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন মাসুদ খান। এ সময়র তার সাথে ছিলেন তার ভাই কবির খান, সোহাগ খান, বোন সাহিদা বেগম ও বোন মরহুমা ঝর্না বেগমের মেয়ে লাভলি আক্তারসহ অন্যান্য স্বজনরা।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাহতাব খন্দকারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে নানা বাড়ির সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করায় সংবাদ সম্মলন

আপডেট সময় : ০৩:৩২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

পটুয়াখালীতে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে ছোলে মূলে সাত শতাংশ জমি দলিল করে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখায়ে ঘরবাড়ি নির্মানে পায়তারার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মাসুদ খানসহ ৫ ভাই- বোন।

শুক্রবার (১৪ জুন) বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বরুনবাড়িয়া নিবাসী মোঃ মাসুম খান তার লিখিত বক্তব্যে বলেছেন-আমরা ৪ ভাই ও ৩ বোন। আমার মা’য়ের বাবার বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভাধীন ৯ নং ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুরে ওয়ারিশ সূত্রে ৭ শতাংশ জমির মালিক হন। আমার মা রাহিমা বেগম মৃত্যু বরন করায় আমরা ভাই- বোন ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত ৭ শতাংশ জমির মালিক বিদ্যমান থাকি।

আমি রুটি রুজির জন্য মালয়েশিয়ায় থাকার সুযোগে আমার মামাতো ভাই জজ কোর্টের পেশকার মো. মাহাতাব খন্দকার আমার অশিক্ষিত ৬ ভাই বোনকে নানা বাড়ির ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি রেকর্ড করে দেয়ার কথা বলে এক কপি করে ছবি নিয়ে ৭ ভাই বোনের মধ্যে ৪ ভাই কবির খান, মো. সোহাগ খান, বাহাদুর খান ও রেহেনা বেগমের স্বাক্ষর নেয় এবং আমার( মাসুদ খান বিদেশে ছিল), বোন সাহিদা বেগম ও ঝর্না বেগমের স্বাক্ষর জাল করে প্রতারনা জালজালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে ছোলে মূলে দিলল করেন মাহাতাব খানগং।

আমি দেশে এসে জাল দলিল করার খবর জেনে কোর্ট থেকে কাগজ পত্র সংগ্রহ করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি চলমান রেখে উক্ত সম্পত্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা ত্রদান করেন। সম্প্রতি আমার মামাতো ভাই পেশকার মাহাতাব খন্দকার কোর্ট থেকে মামলার নথিপত্র গায়েব করে আমাদের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তিতে বিশেষ করে এ জমিতে নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান থাকা সত্বেও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপনা করার পায়তারা করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন মাসুদ খান। এ সময়র তার সাথে ছিলেন তার ভাই কবির খান, সোহাগ খান, বোন সাহিদা বেগম ও বোন মরহুমা ঝর্না বেগমের মেয়ে লাভলি আক্তারসহ অন্যান্য স্বজনরা।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাহতাব খন্দকারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

বাখ//আর