ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারার সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা !

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৬৭২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দরিদ্র এক কৃষকের ১৫ শতাংশ জমিতে রোপণ করা পেঁয়াজের চারা ও ২০ শতাংশ জমির লাউ গাছের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবারটি।

বুধবার দিবাগত রাতের আঁধারে উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চর চারালবন্ধ গ্রামের কৃষক মাসুদ মিয়ার ক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক মাসুদ মিয়া বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ করে পাকুন্দিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সূত্রে জানা যায়, সংসারে সচ্ছলতা আনতে অনেক স্বপ্ন নিয়ে প্রায় একমাস আগে ১৫ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের চারা ও ২০ শতাংশ জমিতে লাউ গাছের চারা রোপণ করেন কৃষক মাসুদ মিয়া। অনেক পরিশ্রম করে পেঁয়াজ গাছের চারাগুলোকে ফলনের উপযোগী করে গড়ে তোলেন। অপরদিকে লাউ গাছের চারাগুলোও অনেক বড় হয়ে ওঠেছিল। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার ভোরে মাসুদ মিয়া ক্ষেতে গিয়ে দেখেন সবগুলো পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারা কে বা কারা উপড়ে ফেলেছে।

কৃষক মাসুদ মিয়া বলেন, জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাশের বাড়ির মৃত আজিম উদ্দীনের ছেলে নজুমুদ্দীন, মৃত ইসমাইলের ছেলে নুরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও বাবুল মিয়াদের সঙ্গে আমার বিরোধ চলে আসছে। আমাকে নিরীহ পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আমার জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে যেতে চায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন প্রায়ই আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিসহ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করা হবে বলেও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এর জের ধরেই প্রতিপক্ষের লোকজনই আমার এ সর্বনাশ করেছে।

ভুক্তভোগী কৃষক আরও বলেন, আমি গরিব মানুষ। ২০ হাজার টাকা ধারদেনা করে পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারা রোপণ করেছিলাম। এতে আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন আমি ধারদেনার টাকা কিভাবে পরিশোধ করব বুঝতে পারছি না। এভাবে কেউ শত্রুতা করতে পারে তা আমার জানা ছিল না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযোগের তদন্তকারি কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার এসআই শাহ কামাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারার সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা !

আপডেট সময় : ১২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দরিদ্র এক কৃষকের ১৫ শতাংশ জমিতে রোপণ করা পেঁয়াজের চারা ও ২০ শতাংশ জমির লাউ গাছের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবারটি।

বুধবার দিবাগত রাতের আঁধারে উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চর চারালবন্ধ গ্রামের কৃষক মাসুদ মিয়ার ক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক মাসুদ মিয়া বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ করে পাকুন্দিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সূত্রে জানা যায়, সংসারে সচ্ছলতা আনতে অনেক স্বপ্ন নিয়ে প্রায় একমাস আগে ১৫ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের চারা ও ২০ শতাংশ জমিতে লাউ গাছের চারা রোপণ করেন কৃষক মাসুদ মিয়া। অনেক পরিশ্রম করে পেঁয়াজ গাছের চারাগুলোকে ফলনের উপযোগী করে গড়ে তোলেন। অপরদিকে লাউ গাছের চারাগুলোও অনেক বড় হয়ে ওঠেছিল। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার ভোরে মাসুদ মিয়া ক্ষেতে গিয়ে দেখেন সবগুলো পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারা কে বা কারা উপড়ে ফেলেছে।

কৃষক মাসুদ মিয়া বলেন, জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাশের বাড়ির মৃত আজিম উদ্দীনের ছেলে নজুমুদ্দীন, মৃত ইসমাইলের ছেলে নুরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও বাবুল মিয়াদের সঙ্গে আমার বিরোধ চলে আসছে। আমাকে নিরীহ পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আমার জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে যেতে চায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন প্রায়ই আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিসহ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করা হবে বলেও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এর জের ধরেই প্রতিপক্ষের লোকজনই আমার এ সর্বনাশ করেছে।

ভুক্তভোগী কৃষক আরও বলেন, আমি গরিব মানুষ। ২০ হাজার টাকা ধারদেনা করে পেঁয়াজ ও লাউ গাছের চারা রোপণ করেছিলাম। এতে আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন আমি ধারদেনার টাকা কিভাবে পরিশোধ করব বুঝতে পারছি না। এভাবে কেউ শত্রুতা করতে পারে তা আমার জানা ছিল না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযোগের তদন্তকারি কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার এসআই শাহ কামাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।