ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাহাড়ে ফের সক্রিয় হচ্ছে সশস্ত্র গোষ্ঠীরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৮৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) হিসেবে যাত্রা শুরু করে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। কিন্তু এনজিও থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীতে পরিণত হয়ে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের ৬টি উপজেলায় অস্থিতিশীল এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে এই গোষ্ঠীটি। সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনার ভেতরেই বান্দরবানে ব্যাংক লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংযোগ থাকতে পারে। তাই এদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানকেন্দ্রিক বম, পাঙ্খোয়া, লুসাই, খুমী, ম্রো, খিয়াং–এই ছয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কুকি চিন ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিএর) যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালে। শুরুতে এনজিও হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও ২০১৬ সালে কেএনএফ নামে এই গোষ্ঠীটি সশস্ত্র হয়ে ওঠে।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তথ্য বলছে, কেএনএফের আলাদা উইং কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) রাঙামাটির বিলাইছড়ির বড়থলি ইউনিয়ন এবং বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড় ঘিরে রুমা, থানছি, লামা, আলীকদম ও রোয়াংছড়ি নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত রাজ্য তৈরির উদ্দেশ্যে কাজ শুরু করে।

কে এই নাথাম বম?

এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং এক সময়ের জনসংহতি সমিতির ছাত্র সংগঠন পিসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাথান বম। মূলত তাঁর নেতৃত্বে বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সীমান্ত ও সেখানকার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে কাজে লাগিয়ে অস্ত্র সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কেএনএ। এরই মধ্যে পাহাড়ের অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় নাথান বমের। ২০১৮ সালে তিনি বান্দরবান থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীও হন। তার সাথে ব্যক্তিগত পরিচয় ছিলো এমন অন্তত দু’জন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, একসময় তিনি নিজের সম্প্রদায়ের মানুষদের উন্নয়নে কাজ শুরু করলেও গত কয়েক বছর ধরে তাকে আর লোকসমক্ষে দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে এখন পর্যন্ত এটি রহস্যময় নাম।

পুরো নাম নাথান লনচেও বম। এখন পর্যন্ত রহস্যময় নাম। কেএনএফের দাবি, নাথান লনচেও বম-ই কেএনএফের প্রধান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নম্বর আসন বান্দরবান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন নাথান বম।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, নাথান বম রুমা উপজেলার হেডের পাড়ার বাসিন্দা। বয়স আনুমানিক ৪২ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকে সম্পন্ন করেছেন স্নাতকোত্তর। নাথান এক সন্তানের জনক। তার স্ত্রী স্থানীয় এক স্কুলের শিক্ষক। পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা কর্মী হিসেবে কাজ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাথান ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রথমে যুক্ত ছিলেন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদে। তবে ভাস্কর্য বিভাগের ছাত্র হিসেবে শিখেছিলেন ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর খাগড়াছড়ি শহরের মহাজন পাড়া এলাকায় লারমা স্কয়ারে এমএন লারমার একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয় ২০০০ সালে। এরপর শিল্পী হিসেবে খ্যাতি বাড়ে। সে সময় হিল আর্টিস্ট গ্রুপেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বম বিষয়ে লেখালেখি করেছেন। কুকি-চিনভুক্ত জাতিগোষ্ঠীর পরিচিতি নিয়ে ‘দ্য বমজৌ’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন। এছাড়া গবেষণামূলক আরও পাঁচটি বই প্রকাশিত হয়। এই কারণে নাথান লেখক হিসেবেও পরিচিত। তবে বর্তমানে তার অবস্থান কোথায় তা জানা যায়নি।

২০২১ সালে নাথাম বমের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠীর পাহাড়ে টাকার বিনিময়ে জঙ্গিদের সহায়তার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে ৪ সেনা সদস্য এবং কেএনএ’র অন্তত ১৬ সশস্ত্র সদস্য নিহত হন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তকেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগের কারণে সংখ্যায় কম হলেও এই দলটিকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, ভারতের সেনাবাহিনী যখন মিজো, নাগা বা উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তখন তাদের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে হয়ত আমাদের দেশে ঢুকে পড়ে। আবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যখন সীমান্তে তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করে তখন গ্রুপগুলোর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়।

সম্প্রতি এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন স্তরের আলোচনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থিতিশীল অবস্থা তৈরিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছিল। কিন্তু আলোচনাকালীন ব্যাংক লুটের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয় বলেই মতামত নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের। এই পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিদ্রোহের অনেকগুলো স্তর থাকে। এই গোষ্ঠীটি বর্তমানে মাঝামাঝি বা তিন নম্বর স্তরে চলে গেছে। এখনই এসব গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

বর্তমানে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাহাড়ে ফের সক্রিয় হচ্ছে সশস্ত্র গোষ্ঠীরা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪

বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) হিসেবে যাত্রা শুরু করে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। কিন্তু এনজিও থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীতে পরিণত হয়ে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের ৬টি উপজেলায় অস্থিতিশীল এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে এই গোষ্ঠীটি। সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনার ভেতরেই বান্দরবানে ব্যাংক লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংযোগ থাকতে পারে। তাই এদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানকেন্দ্রিক বম, পাঙ্খোয়া, লুসাই, খুমী, ম্রো, খিয়াং–এই ছয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কুকি চিন ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিএর) যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালে। শুরুতে এনজিও হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও ২০১৬ সালে কেএনএফ নামে এই গোষ্ঠীটি সশস্ত্র হয়ে ওঠে।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তথ্য বলছে, কেএনএফের আলাদা উইং কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) রাঙামাটির বিলাইছড়ির বড়থলি ইউনিয়ন এবং বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড় ঘিরে রুমা, থানছি, লামা, আলীকদম ও রোয়াংছড়ি নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত রাজ্য তৈরির উদ্দেশ্যে কাজ শুরু করে।

কে এই নাথাম বম?

এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং এক সময়ের জনসংহতি সমিতির ছাত্র সংগঠন পিসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাথান বম। মূলত তাঁর নেতৃত্বে বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সীমান্ত ও সেখানকার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে কাজে লাগিয়ে অস্ত্র সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কেএনএ। এরই মধ্যে পাহাড়ের অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় নাথান বমের। ২০১৮ সালে তিনি বান্দরবান থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীও হন। তার সাথে ব্যক্তিগত পরিচয় ছিলো এমন অন্তত দু’জন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, একসময় তিনি নিজের সম্প্রদায়ের মানুষদের উন্নয়নে কাজ শুরু করলেও গত কয়েক বছর ধরে তাকে আর লোকসমক্ষে দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে এখন পর্যন্ত এটি রহস্যময় নাম।

পুরো নাম নাথান লনচেও বম। এখন পর্যন্ত রহস্যময় নাম। কেএনএফের দাবি, নাথান লনচেও বম-ই কেএনএফের প্রধান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নম্বর আসন বান্দরবান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন নাথান বম।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, নাথান বম রুমা উপজেলার হেডের পাড়ার বাসিন্দা। বয়স আনুমানিক ৪২ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকে সম্পন্ন করেছেন স্নাতকোত্তর। নাথান এক সন্তানের জনক। তার স্ত্রী স্থানীয় এক স্কুলের শিক্ষক। পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা কর্মী হিসেবে কাজ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাথান ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রথমে যুক্ত ছিলেন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদে। তবে ভাস্কর্য বিভাগের ছাত্র হিসেবে শিখেছিলেন ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর খাগড়াছড়ি শহরের মহাজন পাড়া এলাকায় লারমা স্কয়ারে এমএন লারমার একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয় ২০০০ সালে। এরপর শিল্পী হিসেবে খ্যাতি বাড়ে। সে সময় হিল আর্টিস্ট গ্রুপেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বম বিষয়ে লেখালেখি করেছেন। কুকি-চিনভুক্ত জাতিগোষ্ঠীর পরিচিতি নিয়ে ‘দ্য বমজৌ’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন। এছাড়া গবেষণামূলক আরও পাঁচটি বই প্রকাশিত হয়। এই কারণে নাথান লেখক হিসেবেও পরিচিত। তবে বর্তমানে তার অবস্থান কোথায় তা জানা যায়নি।

২০২১ সালে নাথাম বমের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠীর পাহাড়ে টাকার বিনিময়ে জঙ্গিদের সহায়তার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে ৪ সেনা সদস্য এবং কেএনএ’র অন্তত ১৬ সশস্ত্র সদস্য নিহত হন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তকেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগের কারণে সংখ্যায় কম হলেও এই দলটিকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, ভারতের সেনাবাহিনী যখন মিজো, নাগা বা উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তখন তাদের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে হয়ত আমাদের দেশে ঢুকে পড়ে। আবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যখন সীমান্তে তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করে তখন গ্রুপগুলোর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়।

সম্প্রতি এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন স্তরের আলোচনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থিতিশীল অবস্থা তৈরিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছিল। কিন্তু আলোচনাকালীন ব্যাংক লুটের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয় বলেই মতামত নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের। এই পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিদ্রোহের অনেকগুলো স্তর থাকে। এই গোষ্ঠীটি বর্তমানে মাঝামাঝি বা তিন নম্বর স্তরে চলে গেছে। এখনই এসব গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

বর্তমানে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে।