ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে কোরবানির পাঁচ লাখ গরু-মহিষ প্রস্তুত

শফিউল আযম, বেড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • / ৪৮৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গবাদিপশু সমৃদ্ধ পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে এবার প্রায় পাঁচ লাখ গরু-মহিষ কোরবানির বাজার ধরার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। গোখাদ্য ও চিকিৎসা উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খামাারী, চাষি ও মওসুমি ব্যবসায়ীদের প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। যদি ভারত, মিয়ানমার ও ভূটান থেকে গরু আমদানি হয়, সেক্ষেত্রে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

খামারিরা বলছেন, সারাবছর গরু মোটাতাজাকরণে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তবে ঈদে গরু বিক্রি করতে পারবেন কি-না, তা নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না তাদের। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামের বিধাব, বেকার যুবক ও কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ গরু মহিষ, ছাগল, ভেড়া পালন করে। এখন অনেক শিক্ষিত যুবক গরু মোটাতাজাকরণকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। যে কারণে পাবনা-সিরাজগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় বড় গরু-মহিষ ও ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। সারাবছর কসাইদের কাছে বিক্রির পাশাপাশি কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্পেশাল গরু মহিষ তৈরি করেন খামারিরা।

পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী, জেলা দু’টিতে তালিকাভূক্ত প্রায় দেড় লাখ গোখামার রয়েছে। এছাড়া দু’টি জেলার গ্রামগুলোর প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে গবাদিপশু পালন কার হয়। এ অঞ্চলে গোখামারের পাশাপাশি প্রায় ৫৫ হাজার মওসুমী ব্যবসায়ী ও কৃষকের গোয়ালে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রায় পাঁচ লাখ গরু-মহিষ প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। কোরবানির ঈদ বাজারে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মুন্সিগঞ্জ থেকে সবচেয়ে বেশি গরু সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

পাবনার ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের একাধিক খামারীরা ও চাষিরা জানিয়েছেন, প্রকৃতিক নিয়মে মোটাতাজা গরুর মধ্যে রয়েছে, হাই ব্রিড জাতীয় পাবনা ব্রিড, অস্ট্রেলিয়ান-ফ্রিজিয়ান ব্রিড, ইন্ডিয়ান হরিয়ান ব্রিড, পাকিস্তানি সাহিয়াল ব্রিড। তবে এর পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয় ব্রিডিং পদ্ধতি যা লোকাল ক্রস ব্রিড নামে পরিচিত গরু। এসব ব্রান্ডের সব গরুই মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ায় বড় করে বাজারে তোলা হয়। গরু মোটাতাজাকরণ একটি নিয়মিত ও প্রচলিত পদ্ধতি। বিশেষ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত ইউরিয়া, লালিগুড় ও খড়ের একটি বিশেষ মিকচার আট দিন কোন পাত্রে বন্ধ করে রেখে তা রোদে শুকিয়ে গরুকে খাওয়াতে হয়। তিন মাস এটা খাওয়ালে গরু খুব দ্রুত মোটাতাজা হয়ে ওঠে। এই গরুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

সাঁথিয়া উপজেলার মনমথপুর গ্রামের খামারী আব্দুল জব্বার বলেছেন, গত বছর ২৫টি গরু মোটাতাজা করেছিলেন। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে খড়, লালিগুর, ভাতের মার, তাজা ঘাস, খৈল, গম, ছোলা, খোসারী, মাসকালাই ও মটরেরভূসিসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে। তিনি এবার ৮টি গরু লালন-পালন করে মোটাতাজা করছেন। এবছর মানুষের আর্থিক অবস্থা ভাল না। এজন্য গরু নিয়ে খুব চিন্তার মধ্যে আছেন। এদিকে গোখাদ্যের দামও অস্বাভাবিক বেড়েছে। এ কারণে গরু লালন-পালন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। আরেক খামারি আব্দুল জব্বার মিয়া জানালেন, গরু মোটাতাজা করে আতঙ্কে আছেন। তিনি বললেন, সারাবছর গরু মোটাতাজা করে কোরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকেন। যদি গরুগুলো কোরবানিতে বিক্রি না হয় তাহলে আমাদের প্রচুর লোকসান দিতে হবে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রাউতারা গ্রামের খামারি সাইফুল ইসলাম বললেন, গরু পালন করতে গিয়ে অনেকেই ধার-দেনা করেছেন। মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। গত বছর যারা কোরবানি দিয়েছিল এবার তাদের অনেকের পক্ষেই কোরবানি দেয়া সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন। এ অবস্থায় গরু বিক্রি করতে না পারলে কি-ভাবে ধার-দেনা শোধ করবেন এ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। পোঁতাজিয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন জানালেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদের এক দেড় মাস আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকার গরুর ব্যাপারীরা এ অঞ্চলে এসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে গরু কেনা শুরু করেন। এখন পর্যন্ত তাদের দেখা যাচ্ছে না। পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার পশুর হাটগুলো থেকেও তারা গরু কিনে দেশের বিভিন্ন জেলার হাটে বিক্রি করে থাকেন। এবার তাদের অনুপস্থিতির কারণে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারি ও সাধারন কৃষকরা।

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার খামারি আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এবার বেপারীদের গরু কেনায় কোন আগ্রহ নেই। আগে ব্যাপারীরা গরু কেনার জন্য বারবার ফোন করত। আর এবার তাদের ফোন করছি, কিন্তু তারা ফোনই ধরছে না। আমার মতো বহু খামারিই দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে। খামারিরা আশঙ্কা করছেন, এবারের কোরবানির হাটে ক্রেতার অভাবে গরু-মহিস কম বিক্রি হতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে তারা চেষ্টা করছেন এখনই গরু বিক্রি করে দেয়ার।

শাহজাদপুর উপজেলার সবচেয়ে রড় গরুর ব্যাপারী তালগাছি গ্রামের আলমগীর জানালেন, অন্যান্য বছর গরুর ব্যাপারীরা কোরবানির মাসখানেক আগে থেকেই ঢাকা ও চট্রগ্রামের কোরবানির হাটকে সামনে রেখে এই এলাকার খামারিদের কাছ থেকে গরু কিনতে থাকেন। কিন্তু এবার বেশিরভাগ ব্যাপারীই সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি খেয়াল করছেন। গত বছর এ সময় তিনি ৪০টি গরু কিনে ফেলেছিলেন, কিন্তু এবার এখনও কোনো গরু কেনেননি। তিনি বললেন, আর্থিক মন্দার কারণে হাটে গরুর দাম ও চাহিদা কেমন হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি গরু কিনছেন না।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে কোরবানির পাঁচ লাখ গরু-মহিষ প্রস্তুত

আপডেট সময় : ০২:০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

গবাদিপশু সমৃদ্ধ পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে এবার প্রায় পাঁচ লাখ গরু-মহিষ কোরবানির বাজার ধরার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। গোখাদ্য ও চিকিৎসা উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খামাারী, চাষি ও মওসুমি ব্যবসায়ীদের প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। যদি ভারত, মিয়ানমার ও ভূটান থেকে গরু আমদানি হয়, সেক্ষেত্রে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

খামারিরা বলছেন, সারাবছর গরু মোটাতাজাকরণে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তবে ঈদে গরু বিক্রি করতে পারবেন কি-না, তা নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না তাদের। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামের বিধাব, বেকার যুবক ও কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ গরু মহিষ, ছাগল, ভেড়া পালন করে। এখন অনেক শিক্ষিত যুবক গরু মোটাতাজাকরণকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। যে কারণে পাবনা-সিরাজগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় বড় গরু-মহিষ ও ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। সারাবছর কসাইদের কাছে বিক্রির পাশাপাশি কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্পেশাল গরু মহিষ তৈরি করেন খামারিরা।

পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী, জেলা দু’টিতে তালিকাভূক্ত প্রায় দেড় লাখ গোখামার রয়েছে। এছাড়া দু’টি জেলার গ্রামগুলোর প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে গবাদিপশু পালন কার হয়। এ অঞ্চলে গোখামারের পাশাপাশি প্রায় ৫৫ হাজার মওসুমী ব্যবসায়ী ও কৃষকের গোয়ালে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রায় পাঁচ লাখ গরু-মহিষ প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। কোরবানির ঈদ বাজারে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মুন্সিগঞ্জ থেকে সবচেয়ে বেশি গরু সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

পাবনার ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের একাধিক খামারীরা ও চাষিরা জানিয়েছেন, প্রকৃতিক নিয়মে মোটাতাজা গরুর মধ্যে রয়েছে, হাই ব্রিড জাতীয় পাবনা ব্রিড, অস্ট্রেলিয়ান-ফ্রিজিয়ান ব্রিড, ইন্ডিয়ান হরিয়ান ব্রিড, পাকিস্তানি সাহিয়াল ব্রিড। তবে এর পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয় ব্রিডিং পদ্ধতি যা লোকাল ক্রস ব্রিড নামে পরিচিত গরু। এসব ব্রান্ডের সব গরুই মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ায় বড় করে বাজারে তোলা হয়। গরু মোটাতাজাকরণ একটি নিয়মিত ও প্রচলিত পদ্ধতি। বিশেষ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত ইউরিয়া, লালিগুড় ও খড়ের একটি বিশেষ মিকচার আট দিন কোন পাত্রে বন্ধ করে রেখে তা রোদে শুকিয়ে গরুকে খাওয়াতে হয়। তিন মাস এটা খাওয়ালে গরু খুব দ্রুত মোটাতাজা হয়ে ওঠে। এই গরুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

সাঁথিয়া উপজেলার মনমথপুর গ্রামের খামারী আব্দুল জব্বার বলেছেন, গত বছর ২৫টি গরু মোটাতাজা করেছিলেন। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে খড়, লালিগুর, ভাতের মার, তাজা ঘাস, খৈল, গম, ছোলা, খোসারী, মাসকালাই ও মটরেরভূসিসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে। তিনি এবার ৮টি গরু লালন-পালন করে মোটাতাজা করছেন। এবছর মানুষের আর্থিক অবস্থা ভাল না। এজন্য গরু নিয়ে খুব চিন্তার মধ্যে আছেন। এদিকে গোখাদ্যের দামও অস্বাভাবিক বেড়েছে। এ কারণে গরু লালন-পালন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। আরেক খামারি আব্দুল জব্বার মিয়া জানালেন, গরু মোটাতাজা করে আতঙ্কে আছেন। তিনি বললেন, সারাবছর গরু মোটাতাজা করে কোরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকেন। যদি গরুগুলো কোরবানিতে বিক্রি না হয় তাহলে আমাদের প্রচুর লোকসান দিতে হবে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রাউতারা গ্রামের খামারি সাইফুল ইসলাম বললেন, গরু পালন করতে গিয়ে অনেকেই ধার-দেনা করেছেন। মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। গত বছর যারা কোরবানি দিয়েছিল এবার তাদের অনেকের পক্ষেই কোরবানি দেয়া সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন। এ অবস্থায় গরু বিক্রি করতে না পারলে কি-ভাবে ধার-দেনা শোধ করবেন এ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। পোঁতাজিয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন জানালেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদের এক দেড় মাস আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকার গরুর ব্যাপারীরা এ অঞ্চলে এসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে গরু কেনা শুরু করেন। এখন পর্যন্ত তাদের দেখা যাচ্ছে না। পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার পশুর হাটগুলো থেকেও তারা গরু কিনে দেশের বিভিন্ন জেলার হাটে বিক্রি করে থাকেন। এবার তাদের অনুপস্থিতির কারণে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারি ও সাধারন কৃষকরা।

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার খামারি আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এবার বেপারীদের গরু কেনায় কোন আগ্রহ নেই। আগে ব্যাপারীরা গরু কেনার জন্য বারবার ফোন করত। আর এবার তাদের ফোন করছি, কিন্তু তারা ফোনই ধরছে না। আমার মতো বহু খামারিই দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে। খামারিরা আশঙ্কা করছেন, এবারের কোরবানির হাটে ক্রেতার অভাবে গরু-মহিস কম বিক্রি হতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে তারা চেষ্টা করছেন এখনই গরু বিক্রি করে দেয়ার।

শাহজাদপুর উপজেলার সবচেয়ে রড় গরুর ব্যাপারী তালগাছি গ্রামের আলমগীর জানালেন, অন্যান্য বছর গরুর ব্যাপারীরা কোরবানির মাসখানেক আগে থেকেই ঢাকা ও চট্রগ্রামের কোরবানির হাটকে সামনে রেখে এই এলাকার খামারিদের কাছ থেকে গরু কিনতে থাকেন। কিন্তু এবার বেশিরভাগ ব্যাপারীই সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি খেয়াল করছেন। গত বছর এ সময় তিনি ৪০টি গরু কিনে ফেলেছিলেন, কিন্তু এবার এখনও কোনো গরু কেনেননি। তিনি বললেন, আর্থিক মন্দার কারণে হাটে গরুর দাম ও চাহিদা কেমন হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি গরু কিনছেন না।

 

বাখ//আর