ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাবনায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২
  • / ৫০৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
পাবনায় গুলি করে পৃথক পৃথক ছিনতাইয়ের ৩টি আলোচিত ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৪ ডাকতকে আটক করেছে পুলিশ। পাবনা পুলিশ সুপার মোঃ আকবর আলী মুনসীর নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্বাবধানে বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা শেষে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মাসুদ আলম এবং অতিঃ পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রোকনুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে পাবনা ডিবি’র ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ তার টিমের এসআই (নিরস্ত্র) অসিত কুমার বসাক, এসআই (নিরস্ত্র) তানভীর রহমান এবং পাবনা সদর থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পাবনা সদর থানার একটি টিমের যৌথ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।
পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সদর থানাধীন বাংলা ক্লিনিকের গলিতে ছদ্মবেশে ভাড়া নেওয়া দেলোয়ারের বসত বাড়ীর নিচ তলায় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, পিস্তল, গুলি, মোবাইল , জামা-কাপড়সহ ছিনতাইকারীদের মূল পরিকল্পনাকারী মোঃ মাসুদ রানাকে (৩২) প্রথমে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই যাওয়া মোবাইল, ব্যাগ এবং ৩,৮৩,০০০/-(তিন লক্ষ তেরাশি হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাসুদ রানাকে ৪দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাসুদ রানা তার সহযোগীদের তথ্য দেয়। পরে ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, গাজিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে  মোঃ আল আমিন (৩৬), মোঃ ইব্রাহিম খান ওরফে মোর্শেদ খান ওরফে মামা (৪৯) এবং আব্দুর রহিমকে (৩২) আটক করা হয়।
পুলিশ জানায় ডাকাত চক্রের এই সদস্যদের মূলত কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। তারা প্রথমে কোন একটি এলাকাকে টার্গেট করে ভূয়া নাম ঠিকানা দিয়ে নির্জন এলাকায় ছদ্মবেশে বাড়ী ভাড়া নেয়। এরপর সেই এলাকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে নির্দিষ্ট দিনে অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং বয়স্ক টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদের টার্গেট করে তার পিছু নেয়। নির্জন স্থানে পৌছামাত্র তাদের আক্রমন করে উপর্যুপরি গুলি চালিয়ে টাকা ছিনতাই করে মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। ডাকাত মাসুদ রানা উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের আশ্রয়, মোটরসাইকেল, অস্ত্র এবং নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে। আটকৃতরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় চুরি,ডাকাতি, ছিনতাই, দস্যুতা, খুন, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা মুলতবী রয়েছে। এই চক্রের আরো দুইজন সদস্য পলাতক রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক 

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক :
পাবনায় গুলি করে পৃথক পৃথক ছিনতাইয়ের ৩টি আলোচিত ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৪ ডাকতকে আটক করেছে পুলিশ। পাবনা পুলিশ সুপার মোঃ আকবর আলী মুনসীর নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্বাবধানে বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা শেষে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মাসুদ আলম এবং অতিঃ পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রোকনুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে পাবনা ডিবি’র ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ তার টিমের এসআই (নিরস্ত্র) অসিত কুমার বসাক, এসআই (নিরস্ত্র) তানভীর রহমান এবং পাবনা সদর থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পাবনা সদর থানার একটি টিমের যৌথ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।
পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সদর থানাধীন বাংলা ক্লিনিকের গলিতে ছদ্মবেশে ভাড়া নেওয়া দেলোয়ারের বসত বাড়ীর নিচ তলায় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, পিস্তল, গুলি, মোবাইল , জামা-কাপড়সহ ছিনতাইকারীদের মূল পরিকল্পনাকারী মোঃ মাসুদ রানাকে (৩২) প্রথমে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই যাওয়া মোবাইল, ব্যাগ এবং ৩,৮৩,০০০/-(তিন লক্ষ তেরাশি হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাসুদ রানাকে ৪দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাসুদ রানা তার সহযোগীদের তথ্য দেয়। পরে ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, গাজিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে  মোঃ আল আমিন (৩৬), মোঃ ইব্রাহিম খান ওরফে মোর্শেদ খান ওরফে মামা (৪৯) এবং আব্দুর রহিমকে (৩২) আটক করা হয়।
পুলিশ জানায় ডাকাত চক্রের এই সদস্যদের মূলত কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। তারা প্রথমে কোন একটি এলাকাকে টার্গেট করে ভূয়া নাম ঠিকানা দিয়ে নির্জন এলাকায় ছদ্মবেশে বাড়ী ভাড়া নেয়। এরপর সেই এলাকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে নির্দিষ্ট দিনে অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং বয়স্ক টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদের টার্গেট করে তার পিছু নেয়। নির্জন স্থানে পৌছামাত্র তাদের আক্রমন করে উপর্যুপরি গুলি চালিয়ে টাকা ছিনতাই করে মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। ডাকাত মাসুদ রানা উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের আশ্রয়, মোটরসাইকেল, অস্ত্র এবং নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে। আটকৃতরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় চুরি,ডাকাতি, ছিনতাই, দস্যুতা, খুন, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা মুলতবী রয়েছে। এই চক্রের আরো দুইজন সদস্য পলাতক রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশ।