ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাবনায় রোজাদারদের ইফতারিতে পছন্দ বাঙ্গি ও তরমুজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

//শফিউল আযম, বিশেষ সংবাদদাতা //

মাহে রমজানে গ্রীস্মকালীন ফল বাঙ্গি ও তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। গরমে বাঙ্গি ও তরমুজ খেলে শরীর ঠান্ডা হয় বলে রোজাদারদের পছন্দে খাবার হয়ে উঠেছে ফলদুটি। গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে বাঙ্গির পরেই রসালো ফল তরমুজের অবস্থান। রমজানে সারাদিন রোজা থাকার পর শরীরের ক্লান্তির ছাপ মুছতে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ ইফতারের তালিকায় রাখছেন বাঙ্গি ও তরমুজ। নিন্মবিত্ত মানুষে নাগালের বাইরে মওসুমি ফল বাঙ্গি ও তরমুজের দাম।

অল্প শ্রম ও কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় প্রতি বছরই বাঙ্গি চাষে ঝুঁকছেন পাবনার কৃষকরা। তাছাড়া বাঙ্গি বিক্রি করতে কৃষকের তেমন একটা চিন্তা করতে হয়না। ক্ষেতেই পাইকারি ক্রেতারা এসে বাঙ্গি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ বছর বাঙ্গির ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা খুশি।

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৩০১ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি এবং ৩৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বেড়া, সুজানগর, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা ও যমুনার বুকে জেগে ওঠা চরপেচাকোলা, চরআড়ালিয়া, সাঁড়াশিয়া, চরসাফুল্লা, চরনাগদা, চরঢালা, চরকল্যানপুর, পূর্বশ্রীকন্ঠদিয়া, পদ্মারচর, চরযমুনা, বাইরচর, শ্রীপুর, খিদ্রদাশুরিয়া, মুরাদপুর, বরাংগাল চরে বেশি বাঙ্গির আবাদ হয়েছে। চরের বেলে-দোআঁশ মাটি অনেক উর্বর। ফলে বাঙ্গির ফলন ভালো পাওয়া যায়। এ অঞ্চলে তরমুজের আবাদ কম হয়। তবে বরগুনা, বরিশাল ও ভোলা জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা প্রচুর পারিমানে তরমুজ নিয়ে আসছেন।

বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মা ও যমুনা নদী বেষ্টিত বিশাল চর। বিস্তীর্ণ চরে ধান, আলু, বাদামসহ বাঙ্গির চাষ করা হয়েছে। মাটির উপর ছড়িয়ে রয়েছে বাঙ্গিগাছের সবুজ লতা। লতার ফাঁকে ফাঁকে কাঁচা-পাকা বাঙ্গি শোভা পাচ্ছে। উৎপাদিত ফসল নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে বাঙ্গি কেনার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা আসছেন। দুই পক্ষের দর কষাকষিতে ক্ষেতেই চলছে বেচাকেনা।

গতকাল সোমবার বেড়া সিঅ্যান্ডবি চতুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বরগুনা, বরিশাল ও ভোলা জেলা থেকে পাইকাররা প্রচুর পরিমান তরমুজ নিয়ে এসেছেন। তবে বিক্রি হচ্ছে ওজন দরে। প্রতি কেজির দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বাঙ্গির আমদানিও বেশ ভাল। আকার ভেদে প্রতি পিস বাঙ্গি ১০০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঙ্গি ও তরমুজের দাম এখনো নিন্ম আয়ের মানুষে নাগালের বাইরে।

গ্রীস্মকালীন ফল বাঙ্গি। সুগন্ধযুক্ত সাধারণ স্বাদের বাঙ্গি কিন্তু পুষ্টিগুণে অনন্য। বাজারে এখন ভরপুর গ্রীস্মের এই ফলে। পুষ্টিগুণে যেহেতু এর জুড়ি নেই, তাই বাঙ্গিকে অবহেলা করা ঠিক হবেনা। বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন সি, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ।

পাবনায় রোজাদারদের ইফতারিতে পছন্দ বাঙ্গি ও তরমুজ

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. তাহমিনা খানম বলেন, বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমার ফলিক আ্যসিড, যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অন্তঃসত্বা মায়েদে জন্য বাঙ্গি বিশেষ উপকারী। বাঙ্গিতে কোন চর্বি নেই। যাদের দেহের অতিরিক্ত জন নিয়ে বিশেষ চিন্তায় ভোগেন তারা এ ফল নির্দ্বিধায় খেতে পারেন। দেহের ওজন কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে। বাঙ্গিতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি। বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরা বাঙ্গি খেতে পারেন। এতে চিনির পরিমান রয়েছে খুব কম। বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমান পানি, যা গরমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমান খাদ্যআঁশ থাকায় হজমশক্তি বৃদ্ধি, গরম ও অতিরিক্ত রোদে সানবার্ন, সামার বয়েল, হিট হাইপার পাইরেক্রিয়া অসুখ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া অ্যাসিডিটি, আলসার, নিদ্রাহীনতা, ক্ষুদামন্দা, হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধ ও মজবুত করতে সাহায্য করে। মনের অবসাদ দুর কারার ক্ষমতাও রয়েছে বাঙ্গির। এ ফলে ভিটামিন বি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইন্সনিটোল, যা আমাদের নতুন করে চুল গজাতে সাহয্য করে।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, তরমুজে ক্যালোরির মাত্রা খুব কম। ফলে এই ফল সবার জন্য সমান স্বাস্থ্যকর। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। ভিটামিন এ, বি ৬, সি তরমুজে রয়েছে ভরপুর। সঙ্গে আছে পটাশিয়াম। এতে উপস্থিত সব অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট কোষের ক্ষয় আটকায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়। চোখ ও ত্বকের যত্ন নেয় তরমুজ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ দুটিই ত্বক ও চোখেন জন্য ভালো। ভিটামিন বি-৬ আছে তরমুজে, যা ত্বকের জন্য ভাল। এতে উপস্থিত পটাশিয়াম পেশির জোর বাড়ায়। শরীরচর্চার পর এক বাটি তরমুজ খেলে পেশি শক্তি বাড়ে।
তিনি বলেন, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে তরমুজের দেখা পাওয়া যায় মিসরে। তারপর স্বাদের গুণে এই ফল ছড়িয়ে গিয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। তরমুজ হলো এমন একটি ফল, যাতে নানা প্রকার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। সেই সঙ্গে লাইকোপিন, অ্যাসকর্বিক এসিড আর সাইট্রুলিন এই তিনটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সবচেয়ে বেশি মাত্রায় রয়েছে তরমুজে। এসব উপাদান হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় রোজাদারদের ইফতারিতে পছন্দ বাঙ্গি ও তরমুজ

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

//শফিউল আযম, বিশেষ সংবাদদাতা //

মাহে রমজানে গ্রীস্মকালীন ফল বাঙ্গি ও তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। গরমে বাঙ্গি ও তরমুজ খেলে শরীর ঠান্ডা হয় বলে রোজাদারদের পছন্দে খাবার হয়ে উঠেছে ফলদুটি। গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে বাঙ্গির পরেই রসালো ফল তরমুজের অবস্থান। রমজানে সারাদিন রোজা থাকার পর শরীরের ক্লান্তির ছাপ মুছতে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ ইফতারের তালিকায় রাখছেন বাঙ্গি ও তরমুজ। নিন্মবিত্ত মানুষে নাগালের বাইরে মওসুমি ফল বাঙ্গি ও তরমুজের দাম।

অল্প শ্রম ও কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় প্রতি বছরই বাঙ্গি চাষে ঝুঁকছেন পাবনার কৃষকরা। তাছাড়া বাঙ্গি বিক্রি করতে কৃষকের তেমন একটা চিন্তা করতে হয়না। ক্ষেতেই পাইকারি ক্রেতারা এসে বাঙ্গি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ বছর বাঙ্গির ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা খুশি।

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৩০১ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি এবং ৩৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বেড়া, সুজানগর, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা ও যমুনার বুকে জেগে ওঠা চরপেচাকোলা, চরআড়ালিয়া, সাঁড়াশিয়া, চরসাফুল্লা, চরনাগদা, চরঢালা, চরকল্যানপুর, পূর্বশ্রীকন্ঠদিয়া, পদ্মারচর, চরযমুনা, বাইরচর, শ্রীপুর, খিদ্রদাশুরিয়া, মুরাদপুর, বরাংগাল চরে বেশি বাঙ্গির আবাদ হয়েছে। চরের বেলে-দোআঁশ মাটি অনেক উর্বর। ফলে বাঙ্গির ফলন ভালো পাওয়া যায়। এ অঞ্চলে তরমুজের আবাদ কম হয়। তবে বরগুনা, বরিশাল ও ভোলা জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা প্রচুর পারিমানে তরমুজ নিয়ে আসছেন।

বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মা ও যমুনা নদী বেষ্টিত বিশাল চর। বিস্তীর্ণ চরে ধান, আলু, বাদামসহ বাঙ্গির চাষ করা হয়েছে। মাটির উপর ছড়িয়ে রয়েছে বাঙ্গিগাছের সবুজ লতা। লতার ফাঁকে ফাঁকে কাঁচা-পাকা বাঙ্গি শোভা পাচ্ছে। উৎপাদিত ফসল নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে বাঙ্গি কেনার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা আসছেন। দুই পক্ষের দর কষাকষিতে ক্ষেতেই চলছে বেচাকেনা।

গতকাল সোমবার বেড়া সিঅ্যান্ডবি চতুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বরগুনা, বরিশাল ও ভোলা জেলা থেকে পাইকাররা প্রচুর পরিমান তরমুজ নিয়ে এসেছেন। তবে বিক্রি হচ্ছে ওজন দরে। প্রতি কেজির দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বাঙ্গির আমদানিও বেশ ভাল। আকার ভেদে প্রতি পিস বাঙ্গি ১০০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঙ্গি ও তরমুজের দাম এখনো নিন্ম আয়ের মানুষে নাগালের বাইরে।

গ্রীস্মকালীন ফল বাঙ্গি। সুগন্ধযুক্ত সাধারণ স্বাদের বাঙ্গি কিন্তু পুষ্টিগুণে অনন্য। বাজারে এখন ভরপুর গ্রীস্মের এই ফলে। পুষ্টিগুণে যেহেতু এর জুড়ি নেই, তাই বাঙ্গিকে অবহেলা করা ঠিক হবেনা। বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন সি, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ।

পাবনায় রোজাদারদের ইফতারিতে পছন্দ বাঙ্গি ও তরমুজ

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. তাহমিনা খানম বলেন, বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমার ফলিক আ্যসিড, যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অন্তঃসত্বা মায়েদে জন্য বাঙ্গি বিশেষ উপকারী। বাঙ্গিতে কোন চর্বি নেই। যাদের দেহের অতিরিক্ত জন নিয়ে বিশেষ চিন্তায় ভোগেন তারা এ ফল নির্দ্বিধায় খেতে পারেন। দেহের ওজন কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে। বাঙ্গিতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি। বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরা বাঙ্গি খেতে পারেন। এতে চিনির পরিমান রয়েছে খুব কম। বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমান পানি, যা গরমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমান খাদ্যআঁশ থাকায় হজমশক্তি বৃদ্ধি, গরম ও অতিরিক্ত রোদে সানবার্ন, সামার বয়েল, হিট হাইপার পাইরেক্রিয়া অসুখ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া অ্যাসিডিটি, আলসার, নিদ্রাহীনতা, ক্ষুদামন্দা, হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধ ও মজবুত করতে সাহায্য করে। মনের অবসাদ দুর কারার ক্ষমতাও রয়েছে বাঙ্গির। এ ফলে ভিটামিন বি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইন্সনিটোল, যা আমাদের নতুন করে চুল গজাতে সাহয্য করে।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, তরমুজে ক্যালোরির মাত্রা খুব কম। ফলে এই ফল সবার জন্য সমান স্বাস্থ্যকর। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। ভিটামিন এ, বি ৬, সি তরমুজে রয়েছে ভরপুর। সঙ্গে আছে পটাশিয়াম। এতে উপস্থিত সব অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট কোষের ক্ষয় আটকায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়। চোখ ও ত্বকের যত্ন নেয় তরমুজ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ দুটিই ত্বক ও চোখেন জন্য ভালো। ভিটামিন বি-৬ আছে তরমুজে, যা ত্বকের জন্য ভাল। এতে উপস্থিত পটাশিয়াম পেশির জোর বাড়ায়। শরীরচর্চার পর এক বাটি তরমুজ খেলে পেশি শক্তি বাড়ে।
তিনি বলেন, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে তরমুজের দেখা পাওয়া যায় মিসরে। তারপর স্বাদের গুণে এই ফল ছড়িয়ে গিয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। তরমুজ হলো এমন একটি ফল, যাতে নানা প্রকার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। সেই সঙ্গে লাইকোপিন, অ্যাসকর্বিক এসিড আর সাইট্রুলিন এই তিনটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সবচেয়ে বেশি মাত্রায় রয়েছে তরমুজে। এসব উপাদান হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

বা/খ: এসআর।