বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৬ দিনে ৭৪৫ কোটি ছাড়িয়েছে ‘পাঠান’ পুলের ধারে বসে চুরুট ধরালেন সুস্মিতা দেশে চার হাজার ৬৩৩টি ইটভাটা অবৈধ: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে : মহিলাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী চার্লসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে কুমিল্লার জয় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি : মেয়র আতিক দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে : রাষ্ট্রপতি আকাশে কেবিন ক্রুকে নারী যাত্রীর থাপ্পড় সাহস থাকলে দেশে আসুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পকেটে আহলে হাদিসের দুই কোটি ভোট : সংসদে এমপি রহমতুল্লাহ প্ররোচনায় পড়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারামুক্ত যুবদল নেতা নয়ন ‘ভারতীয় ছবি রিলিজের পক্ষে সবাই থাকলেও আমি নেই’-রাউজানে অভিনেতা রুবেল ইসলামপুরে দৈনিক গণমুক্তি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবসরে গেলেন সকলের প্রিয় ফজলু স্যার

পাবনায় নিপাহ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু! 

পাবনায় নিপাহ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু! 

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় নিপাহ ভাইরাস বা এনকেফালাইটিসে (মস্তিষ্কের প্রদাহ) আক্রান্ত হয়ে মো. সোয়াত নামের ৭ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাবনা জেলায় এটিই প্রথম মৃত্যু।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত শিশু সোয়াত ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিঘা গ্রামের মো. সানোয়ার হোসেনের ছেলে এবং দীঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী। তার মৃত্যুতে এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোয়াতের বাবা মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, গত শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সোয়াতের নানা মো. রজব আলী  তার নিজ হাতে লাগানো খেজুর গাছের রস নিয়ে মেয়ের বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেই রস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সোয়াত। প্রাথমিকভাবে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনলে কর্মরত চিকিৎসক সোয়াতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে পাবনা সিভিল সার্জন মনিসর চৌধুরী বলেন, আমাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এর আগে পাবনায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। এটাই প্রথম আক্রান্ত ও প্রথম মৃত্যু। শিশুটি‌ ঠিক কিভাবে কখন আক্রান্ত হলো আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এবিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।
এনিয়ে চলতি বছরের দ্বিতীয় জনের মৃত্যু হলো। এর আগে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীতে এক নারীর মৃত্যু হয়েছিল। এ পর্যন্ত দেশে আক্রান্ত ৩২৭ জনকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৩২ জন।
দেশে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে ২০০১ সালে। পরে ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষার মাধ্যমে একে নিপাহ ভাইরাস বলে সনাক্ত করা হয়। মালয়েশিয়ায় ১৯৯৮ সালে প্রথম এ ভাইরাসটির সংক্রমণের কথা জানা যায়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ভয়াল এই ভাইরাস যেসব এলাকায় খেঁজুর গাছ রয়েছে কেবল সেসব এলাকাতেই এর সংক্রমণ ঘটে। এটি নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সংক্রমিত হয় এবং কেন নতুন জায়গায় ছড়ায় সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
বা/খ: এসআর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *