ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৬৭০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪
  • / ৪২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামের আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটিতে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছেন জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা।

পাপুয়া নিউ গনির রাজধানী পোর্ট মোর্সবে-ভিত্তিক জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র সেরহান আকতোপার্ক বলেছেন, ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামের ১৫০টিরও বেশি বাড়িঘর মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এতে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং এখনও ভূমিধস ঘটছে। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানকার প্রত্যেকের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এক সময়ের ব্যস্ত ওই গ্রামের আরও এক হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকতোপার্ক। তিনি বলেছেন, ভূমিধসের শিকার গ্রামটির ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্রামটির পানির সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

‘‘মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ সরাতে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য লোকজন লাঠি, কোদাল, বড় কৃষি যন্ত্র ব্যবহার করছে।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৬৭০

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামের আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটিতে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছেন জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা।

পাপুয়া নিউ গনির রাজধানী পোর্ট মোর্সবে-ভিত্তিক জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র সেরহান আকতোপার্ক বলেছেন, ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামের ১৫০টিরও বেশি বাড়িঘর মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এতে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং এখনও ভূমিধস ঘটছে। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানকার প্রত্যেকের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এক সময়ের ব্যস্ত ওই গ্রামের আরও এক হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকতোপার্ক। তিনি বলেছেন, ভূমিধসের শিকার গ্রামটির ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্রামটির পানির সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

‘‘মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ সরাতে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য লোকজন লাঠি, কোদাল, বড় কৃষি যন্ত্র ব্যবহার করছে।’’