ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শাহজাদপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তেলন

পানির নিচে দুই হাজার বিঘা ফসলী জমি এলাকাবাসির বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৬৮৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে অবৈধভাবে বালু ফেলার জন্য বর্ষার পানি আটকে থাকার কারনে প্রায় দুই হাজার বিঘা ফসলী জমিতে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না স্থানীয় কৃষকেরা। এ ঘটনায় এলাকাবাসি বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের জন্য উদ্ধতর্ন কতৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন ও বারবার ধর্না দিয়েও কাজ না হওয়ায় উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের নুকালি, আলোকদিয়ার, শাকতোলা, শেলাচাপড়ী, নগর বায়রা ও ছোট বায়রাসহ আশেপাশের গ্রামের সহ্রাধিক ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় কৃষকেরা ছোট বায়রায় শত শত মানুষ আজ মঙ্গলবার এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। প্রায় ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন সাবেক পোতাজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা আলী আশরাফ বাচ্চু, বর্তমান ৪নং ইউপি সদস্য উজ্জ্বল হোসেন মোল্লা, ৫নং ইউপি সদস্য আব্বাস মোল্লা, সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গির মোল্লা, আলহাজ্ব কুদ্দুস আলী খানসহ স্থানীয় কৃষকেরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, এখানে প্রায় ৬টা গ্রামের ২ হাজার বিঘা ফসলী জমি রয়েছে। যা বিগত ১০০ বছর যাবৎ বর্ষার পানি ছোট বায়রার কাঁটা জোলা হয়ে মিল্কভিটা সুইচগেট দিয়ে পানি বেড় হয়ে যেতো কিন্ত গত কয়েক বছর যাবৎ স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে বালু ফেলার কারনে এখন আর পানি বের হতে পারে না তাই প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলী জমি এখনো পানি বন্দি হয়ে আছে। আমরা সরিষা আবাদ’তো করতেই পারবো না এমনি কি ইরি’র আবাদ করতে পারবো কি না এ নিয়েও দ্বিধার মধ্যে রয়েছি। এ নিয়ে আমরা ডিসি মহোদয়সহ বিভিন্ন উদ্ধতন মহলে স্বারকলিপি প্রদান করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে আজ আমরা রাস্তায় দাড়িয়েছি। তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছে একটু জায়গায় যেন ফাঁকা না থাকে তাই সবাই কে আব্দ করার কথা বললেও এখানে ২ হাজার বিঘা অনাবাদি রয়েছে । তাই যদি তাদের ন্যায্য দাবি ও বালু বন্ধ না করলে আগামীতে মহাসড়ক অবরোধ সহ কঠিন কর্মসুচি পালন করা হবে ।

পানিবন্দি ২ হাজার বিঘা ফসলী জমির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টি জানা মাত্র থানা ইঞ্জিনিয়ারসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ফসলী জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য থানা ইঞ্জিনিয়ারকে আগামীকাল থেকে ড্রেন তৈরী জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আশাকরি অতিদ্রুত কৃষকেরা জমিতে আবাদ করতে পারবে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজাদপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তেলন

পানির নিচে দুই হাজার বিঘা ফসলী জমি এলাকাবাসির বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে অবৈধভাবে বালু ফেলার জন্য বর্ষার পানি আটকে থাকার কারনে প্রায় দুই হাজার বিঘা ফসলী জমিতে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না স্থানীয় কৃষকেরা। এ ঘটনায় এলাকাবাসি বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের জন্য উদ্ধতর্ন কতৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন ও বারবার ধর্না দিয়েও কাজ না হওয়ায় উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের নুকালি, আলোকদিয়ার, শাকতোলা, শেলাচাপড়ী, নগর বায়রা ও ছোট বায়রাসহ আশেপাশের গ্রামের সহ্রাধিক ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় কৃষকেরা ছোট বায়রায় শত শত মানুষ আজ মঙ্গলবার এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। প্রায় ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন সাবেক পোতাজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা আলী আশরাফ বাচ্চু, বর্তমান ৪নং ইউপি সদস্য উজ্জ্বল হোসেন মোল্লা, ৫নং ইউপি সদস্য আব্বাস মোল্লা, সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গির মোল্লা, আলহাজ্ব কুদ্দুস আলী খানসহ স্থানীয় কৃষকেরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, এখানে প্রায় ৬টা গ্রামের ২ হাজার বিঘা ফসলী জমি রয়েছে। যা বিগত ১০০ বছর যাবৎ বর্ষার পানি ছোট বায়রার কাঁটা জোলা হয়ে মিল্কভিটা সুইচগেট দিয়ে পানি বেড় হয়ে যেতো কিন্ত গত কয়েক বছর যাবৎ স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে বালু ফেলার কারনে এখন আর পানি বের হতে পারে না তাই প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলী জমি এখনো পানি বন্দি হয়ে আছে। আমরা সরিষা আবাদ’তো করতেই পারবো না এমনি কি ইরি’র আবাদ করতে পারবো কি না এ নিয়েও দ্বিধার মধ্যে রয়েছি। এ নিয়ে আমরা ডিসি মহোদয়সহ বিভিন্ন উদ্ধতন মহলে স্বারকলিপি প্রদান করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে আজ আমরা রাস্তায় দাড়িয়েছি। তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছে একটু জায়গায় যেন ফাঁকা না থাকে তাই সবাই কে আব্দ করার কথা বললেও এখানে ২ হাজার বিঘা অনাবাদি রয়েছে । তাই যদি তাদের ন্যায্য দাবি ও বালু বন্ধ না করলে আগামীতে মহাসড়ক অবরোধ সহ কঠিন কর্মসুচি পালন করা হবে ।

পানিবন্দি ২ হাজার বিঘা ফসলী জমির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টি জানা মাত্র থানা ইঞ্জিনিয়ারসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ফসলী জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য থানা ইঞ্জিনিয়ারকে আগামীকাল থেকে ড্রেন তৈরী জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আশাকরি অতিদ্রুত কৃষকেরা জমিতে আবাদ করতে পারবে।

 

বাখ//আর