ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ১৫ বস্তা টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ১৫ বস্তা টাকা

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুই মাস ২৯ দিন পরকিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। শনিবার (০১ অক্টোবর) সকালে মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। সিন্দুকগুলো থেকে ১৫ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। শুরু হয়েছে দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ।

টাকা গণনা কাজ তদারকি করছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ও পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা প্রমুখসহ আরো অনেকেই।
সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়। এবার দুই মাস ২৯ দিন পর মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে বিকেলে কতো টাকা পাওয়া গেলো তার হিসাব পাওয়া যাবে।

এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ২ জুলাই মসজিদের দান সিন্দুকগুলো খুলে গণনা করে তিন কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ১৫ বস্তা টাকা

আপডেট সময় : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২

দুই মাস ২৯ দিন পরকিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। শনিবার (০১ অক্টোবর) সকালে মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। সিন্দুকগুলো থেকে ১৫ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। শুরু হয়েছে দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ।

টাকা গণনা কাজ তদারকি করছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ও পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা প্রমুখসহ আরো অনেকেই।
সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়। এবার দুই মাস ২৯ দিন পর মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে বিকেলে কতো টাকা পাওয়া গেলো তার হিসাব পাওয়া যাবে।

এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ২ জুলাই মসজিদের দান সিন্দুকগুলো খুলে গণনা করে তিন কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন।