ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাকুন্দিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার কাহেৎধান্দুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিরোধিয় সম্পত্তিটি দখলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার কাহেৎধান্দুল মৌজার ২৩৭নং খতিয়ানের আরএস ৪৭৪নং দাগের ১০ শতাংশ জমির মধ্যে ৬ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ওই সম্পত্তির দাবিদার শফিকুল ইসলাম শরিফ কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে নালিশি সম্পত্তি নিয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। একই দিন আদালত ওই সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ ও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পাকুন্দিয়া থানার ওসিকে বলার আদেশ দেন। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষে উপপরিদর্শক এসআই কাজী মো. রবিউল হক সোহেল উভয়পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য নোটিশ দেন।

গত ৮ ফেব্রæয়ারি ফের প্রতিপক্ষ আ. আবদুল তার দলবল নিয়ে নালিশি সম্পত্তির চারদিকে সীমানা পিলার পুতে ও খেতের ফসল কেটে দখলে নিয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম শরিফ জানান, আমার বাবা ফজলুল হক আমাকে ১০ শতাংশ লিখে দেন। ওই জমির ৪ শতাংশ জায়গায় বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন এবং ৬ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করে ভোগদখলে আছেন। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ওই সম্পত্তি জোর করে ফসল কেটে দখলে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করায় তিনি আ. আউয়াল, রফিকুল ইসলাম, শফিক মিয়া, আমিন মিয়া ও হৃদয় মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর আদালত স্থিতাবস্থা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবারও আ. আউয়াল তার দলবল নিয়ে জমি দখলে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে আ. আউয়ালের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়ে তার ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, আরএস মূলে এই জমির মালিক আমার বাবা। কিন্তু ১৯৮২সালের মাঠ পর্চায় ৬ শতাংশ জমি শরিফের নামে তোলা হয়েছে। তাই এই জমির দাবিদার হিসাবে জমিটি আমাদের দখলে আছে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছাদুজ্জামান টিটু বলেন, এই জমিতে কিশোগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের ১৪৪ ধারা জারির আদেশ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকুন্দিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার কাহেৎধান্দুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিরোধিয় সম্পত্তিটি দখলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার কাহেৎধান্দুল মৌজার ২৩৭নং খতিয়ানের আরএস ৪৭৪নং দাগের ১০ শতাংশ জমির মধ্যে ৬ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ওই সম্পত্তির দাবিদার শফিকুল ইসলাম শরিফ কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে নালিশি সম্পত্তি নিয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। একই দিন আদালত ওই সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ ও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পাকুন্দিয়া থানার ওসিকে বলার আদেশ দেন। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষে উপপরিদর্শক এসআই কাজী মো. রবিউল হক সোহেল উভয়পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য নোটিশ দেন।

গত ৮ ফেব্রæয়ারি ফের প্রতিপক্ষ আ. আবদুল তার দলবল নিয়ে নালিশি সম্পত্তির চারদিকে সীমানা পিলার পুতে ও খেতের ফসল কেটে দখলে নিয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম শরিফ জানান, আমার বাবা ফজলুল হক আমাকে ১০ শতাংশ লিখে দেন। ওই জমির ৪ শতাংশ জায়গায় বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন এবং ৬ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করে ভোগদখলে আছেন। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ওই সম্পত্তি জোর করে ফসল কেটে দখলে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করায় তিনি আ. আউয়াল, রফিকুল ইসলাম, শফিক মিয়া, আমিন মিয়া ও হৃদয় মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর আদালত স্থিতাবস্থা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবারও আ. আউয়াল তার দলবল নিয়ে জমি দখলে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে আ. আউয়ালের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়ে তার ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, আরএস মূলে এই জমির মালিক আমার বাবা। কিন্তু ১৯৮২সালের মাঠ পর্চায় ৬ শতাংশ জমি শরিফের নামে তোলা হয়েছে। তাই এই জমির দাবিদার হিসাবে জমিটি আমাদের দখলে আছে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছাদুজ্জামান টিটু বলেন, এই জমিতে কিশোগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের ১৪৪ ধারা জারির আদেশ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর