ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন ৮ ফেব্রুয়ারি

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আলিফ আলভী ও পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে একমত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁরা ঐক্যমতে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।

এর আগে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন বিষয়ে বৈঠক করতে প্রেসিডেন্ট ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সিকান্দার সুলতান রাজার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে।

বৈঠকের পর জানা যায়, আগামী বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ প্রস্তাব করে প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন সিইসি সিকান্দার সুলতান রাজা। ওই চিঠির একটি অনুলিপি ডনের হাতে এসেছে বলে দাবি করেছে পত্রিকাটি। তবে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়।

গতকাল এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রেসিডেন্ট আলভীর সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের চারজন সদস্যসহ প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজা এবং পাকিস্তানের অ্যাটর্নি জেনারেল (এজিপি) মনসুর উসমান আওয়ান প্রেসিডেন্ট আলভী সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আলভী নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্য শোনেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বিবৃতি প্রকাশের কিছু সময় পর নির্বাচন কমিশন থেকেও বিবৃতি জারি করে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে সরকার ভেঙে দিতে হয়। সেই উদ্দেশ্যে গত আগস্টে মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয় এবং নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে। তখন বলা হয়েছিল, চলতি বছরের অক্টোবরেরই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন ৮ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আলিফ আলভী ও পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে একমত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁরা ঐক্যমতে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।

এর আগে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন বিষয়ে বৈঠক করতে প্রেসিডেন্ট ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সিকান্দার সুলতান রাজার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে।

বৈঠকের পর জানা যায়, আগামী বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ প্রস্তাব করে প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন সিইসি সিকান্দার সুলতান রাজা। ওই চিঠির একটি অনুলিপি ডনের হাতে এসেছে বলে দাবি করেছে পত্রিকাটি। তবে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়।

গতকাল এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রেসিডেন্ট আলভীর সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের চারজন সদস্যসহ প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজা এবং পাকিস্তানের অ্যাটর্নি জেনারেল (এজিপি) মনসুর উসমান আওয়ান প্রেসিডেন্ট আলভী সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আলভী নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্য শোনেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বিবৃতি প্রকাশের কিছু সময় পর নির্বাচন কমিশন থেকেও বিবৃতি জারি করে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে সরকার ভেঙে দিতে হয়। সেই উদ্দেশ্যে গত আগস্টে মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয় এবং নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে। তখন বলা হয়েছিল, চলতি বছরের অক্টোবরেরই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলো।