ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাকিস্তানেই হচ্ছে এশিয়া কাপ, খেলবে ভারতও!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্পোটর্স ডেস্ক : পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী এশিয়ার বিশ্বকাপ খ্যাত এশিয়া কাপের ১৬তম আসরের স্বাগতিক দেশ পাকিস্তান। ওয়ানডে ফরমেটে হবে এবারের আসর। ১৬টি আসরের মধ্যে দুটি আসর হয়েছে টি-টোয়েন্টি ফরমেটে। তবে পাকিস্তানে আসরটি হওয়া নিয়ে বাধ সেধেছে ভারত। তারা ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে তারা পাকিস্তানে এসে খেলবে না। প্রয়োজনে আয়োজক ভেন্যুই পরিবর্তন করা হবে। পাকিস্তানও নাছোড়বান্দা, তারাও কোনভাবে দেশটির বাইরে আয়োজন করতে ইচ্ছুক নয়। উল্টো হুমকি দিয়ে রেখেছে এশিয়া কাপ পাকিস্তান থেকে সরলে ভারতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না তারা।

দু’দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার কারণেই মূলত এই সমস্যা। এমনিতে এই দু’দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে বেশ সহমর্মিতাই রয়েছে। এই যখন অবস্থা তখন খেলাধুলা বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো জানাচ্ছে এশিয়া কাপের আসরটি পাকিস্তানেই অনুষ্ঠিত হবে এবং তাতে ভারতও অংশ নেবে।

সেক্ষেত্রে যে ফর্মুলা বের করা হয়েছে সেটা হলো বাকি পাঁচ দল পাকিস্তানের তাদের ম্যাচগুলো খেলবে। শুধু ভারতের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের বাইরে। অর্থাৎ অন্তত ২টি ভারত-পাক লড়াইসহ টুর্নামেন্টের মোট ৫টি ম্যাচ আয়োজনের জন্য আরব আমিরাত, ওমান, শ্রীলঙ্কা এমনকি ইংল্যান্ডকেও সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চলতি আসরে মোট ছ’টি দেশ খেলবে এশিয়া কাপে। ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে একই গ্রুপে। সেপ্টেম্বরে হবে এই প্রতিযোগিতা। ৫০ ওভারের ম্যাচ হবে এবারের এশিয়া কাপে। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তান ছাড়াও আরও একটি দেশ খেলবে। সেই দেশ যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে আসবে। অন্য গ্রুপে থাকবে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান। মোট ১৩টি ম্যাচ খেলা হবে।

টুর্নামেন্টের ফরমেট অনুসারে উভয় গ্রুপ থেকে ২টি করে দল সুপার ফোরের যোগ্যতা অর্জন করবে। সুপার ফোর রাউন্ডের শেষে লিগ টেবিলের প্রথম ২টি দল ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করবে। ভারত-পাকিস্তান উভয় দল ফাইনালে উঠলে টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হতে পারেন বাবর-রোহিতরা। অর্থাৎ, এশিয়া কাপে ২ সপ্তাহের মধ্যে তিনটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ খেলা হতে পারে।

গত বছর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পর জয় বলেছিলেন, আমরা পাকিস্তানে খেলতে যাব না। এশিয়া কাপ নিরপেক্ষ দেশে হতে পারে। পাকিস্তানে দল যাবে কি না সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেয়। সেটা নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করব না। ২০২৩ সালের এশিয়া কাপ নিরপেক্ষ দেশে হবে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান রজার বিন্নী বলেন, পাকিস্তানে খেলতে যাব কি না সেটা বোর্ড ঠিক করবে না। আমরা দলকে বলতে পারি না যে পাকিস্তানে যেতেই হবে। সরকারের অনুমতি লাগবেও দেশে যেতে হলে। নিজেরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। সরকার যা বলবে সেটাই করতে হবে।

স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। সেই সময় পিসিবির প্রধান ছিলেন রামিজ রাজা। তিনি বলেন, পাকিস্তান যদি ভারতে গিয়ে পরের বছর বিশ্বকাপ না খেলে তা হলে কেউ সেটা দেখবে? আমাদের পরিষ্কার কথা, ভারত যদি এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে আসে, তাহলেই আমরা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলব। যদি ওরা না আসে, তা হলে পাকিস্তানকে বাদ দিয়েই বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারে ওরা। শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ পাকিস্তানেই হচ্ছে। কথা রাখল ভারতও। তারা খেলবে অন্য দেশে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানেই হচ্ছে এশিয়া কাপ, খেলবে ভারতও!

আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

স্পোটর্স ডেস্ক : পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী এশিয়ার বিশ্বকাপ খ্যাত এশিয়া কাপের ১৬তম আসরের স্বাগতিক দেশ পাকিস্তান। ওয়ানডে ফরমেটে হবে এবারের আসর। ১৬টি আসরের মধ্যে দুটি আসর হয়েছে টি-টোয়েন্টি ফরমেটে। তবে পাকিস্তানে আসরটি হওয়া নিয়ে বাধ সেধেছে ভারত। তারা ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে তারা পাকিস্তানে এসে খেলবে না। প্রয়োজনে আয়োজক ভেন্যুই পরিবর্তন করা হবে। পাকিস্তানও নাছোড়বান্দা, তারাও কোনভাবে দেশটির বাইরে আয়োজন করতে ইচ্ছুক নয়। উল্টো হুমকি দিয়ে রেখেছে এশিয়া কাপ পাকিস্তান থেকে সরলে ভারতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না তারা।

দু’দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার কারণেই মূলত এই সমস্যা। এমনিতে এই দু’দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে বেশ সহমর্মিতাই রয়েছে। এই যখন অবস্থা তখন খেলাধুলা বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো জানাচ্ছে এশিয়া কাপের আসরটি পাকিস্তানেই অনুষ্ঠিত হবে এবং তাতে ভারতও অংশ নেবে।

সেক্ষেত্রে যে ফর্মুলা বের করা হয়েছে সেটা হলো বাকি পাঁচ দল পাকিস্তানের তাদের ম্যাচগুলো খেলবে। শুধু ভারতের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের বাইরে। অর্থাৎ অন্তত ২টি ভারত-পাক লড়াইসহ টুর্নামেন্টের মোট ৫টি ম্যাচ আয়োজনের জন্য আরব আমিরাত, ওমান, শ্রীলঙ্কা এমনকি ইংল্যান্ডকেও সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চলতি আসরে মোট ছ’টি দেশ খেলবে এশিয়া কাপে। ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে একই গ্রুপে। সেপ্টেম্বরে হবে এই প্রতিযোগিতা। ৫০ ওভারের ম্যাচ হবে এবারের এশিয়া কাপে। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তান ছাড়াও আরও একটি দেশ খেলবে। সেই দেশ যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে আসবে। অন্য গ্রুপে থাকবে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান। মোট ১৩টি ম্যাচ খেলা হবে।

টুর্নামেন্টের ফরমেট অনুসারে উভয় গ্রুপ থেকে ২টি করে দল সুপার ফোরের যোগ্যতা অর্জন করবে। সুপার ফোর রাউন্ডের শেষে লিগ টেবিলের প্রথম ২টি দল ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করবে। ভারত-পাকিস্তান উভয় দল ফাইনালে উঠলে টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হতে পারেন বাবর-রোহিতরা। অর্থাৎ, এশিয়া কাপে ২ সপ্তাহের মধ্যে তিনটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ খেলা হতে পারে।

গত বছর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পর জয় বলেছিলেন, আমরা পাকিস্তানে খেলতে যাব না। এশিয়া কাপ নিরপেক্ষ দেশে হতে পারে। পাকিস্তানে দল যাবে কি না সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেয়। সেটা নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করব না। ২০২৩ সালের এশিয়া কাপ নিরপেক্ষ দেশে হবে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান রজার বিন্নী বলেন, পাকিস্তানে খেলতে যাব কি না সেটা বোর্ড ঠিক করবে না। আমরা দলকে বলতে পারি না যে পাকিস্তানে যেতেই হবে। সরকারের অনুমতি লাগবেও দেশে যেতে হলে। নিজেরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। সরকার যা বলবে সেটাই করতে হবে।

স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। সেই সময় পিসিবির প্রধান ছিলেন রামিজ রাজা। তিনি বলেন, পাকিস্তান যদি ভারতে গিয়ে পরের বছর বিশ্বকাপ না খেলে তা হলে কেউ সেটা দেখবে? আমাদের পরিষ্কার কথা, ভারত যদি এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে আসে, তাহলেই আমরা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলব। যদি ওরা না আসে, তা হলে পাকিস্তানকে বাদ দিয়েই বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারে ওরা। শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ পাকিস্তানেই হচ্ছে। কথা রাখল ভারতও। তারা খেলবে অন্য দেশে।