ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাইকগাছায় রেমালের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানিবন্দী দেড় লক্ষাধিক মানুষ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪
  • / ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার পাইকগাছায় রেমালের প্রভাবে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারনে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে ১০টি ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা চিংড়ি ঘের ও ভেঙ্গে গেছে ঘরবাড়ি। ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্হা।

পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১০টি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ।এদিকে সোলাদানা বাজার সংলগ্ন সোলাদানা-পাইকগাছা মেইন সড়কের সুইচ গেট নামক স্হান ভেঙ্গে উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্হা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া সোলাদানা ইউনিয়নের ১৩টি স্থান ভেঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক।

জানাগেছে, উপজেলার গড়ইখালী, দেলুটি, সোলাদানা, লস্কর, লতা ও কপিলমুনি ইউনিয়নে দুর্বল ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লবন পানিতে প্লাবিত হয়েছে।ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের ও ভেঙ্গে গেছে বাড়িঘর। ডুবে গেছে পুকুর ও জলাশয়। ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা দুর্বল বেড়িবাঁধ গুলি মেরামত করার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে ওয়াপদা ছাপিয়ে পোল্ডার অভ্যান্তরে পানি প্রবেশ করায় দুর্বল ভেড়িবাঁধ গুলি ভেঙ্গে যায়।

গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আব্দুস ছালাম জানান, শিবসা নদীর পাড়ে খুদখালী নামক স্হানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়।

এলাকাবাসির সহযোগিতায় ভেঙ্গে যাওয়া স্থানটি জিও ব্যাগ দিয়ে আটকানো হয়েছে। লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম আরিফুজ্জামান জানান, লস্কর ইউনিয়নে আটটি স্হানের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল জানান, আমার ইউনিয়নটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। তার মধ্যে ২০,২০(১)ও ২১ এই তিনটি পোল্ডারে প্রায় ১৩টি স্থান ভেঙ্গে গেছে।

লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস জানান, আমার ইউনিয়নে হাড়িয়া,লতা ও পুতলাখালীর কয়েক স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে।

এদিকে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান ক্ষতিগ্রস্হ এলাকা পরিদর্শন করে বাঁধ মেরামতের কাজ তদারকি করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন জানান,ক্ষতিগ্রস্হ বাঁধ গুলো উপজেলা প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগনের সার্বিক সহযোগিতায় ও স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে।

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

পাইকগাছায় রেমালের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানিবন্দী দেড় লক্ষাধিক মানুষ

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

খুলনার পাইকগাছায় রেমালের প্রভাবে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারনে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে ১০টি ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা চিংড়ি ঘের ও ভেঙ্গে গেছে ঘরবাড়ি। ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্হা।

পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১০টি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ।এদিকে সোলাদানা বাজার সংলগ্ন সোলাদানা-পাইকগাছা মেইন সড়কের সুইচ গেট নামক স্হান ভেঙ্গে উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্হা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া সোলাদানা ইউনিয়নের ১৩টি স্থান ভেঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক।

জানাগেছে, উপজেলার গড়ইখালী, দেলুটি, সোলাদানা, লস্কর, লতা ও কপিলমুনি ইউনিয়নে দুর্বল ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লবন পানিতে প্লাবিত হয়েছে।ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের ও ভেঙ্গে গেছে বাড়িঘর। ডুবে গেছে পুকুর ও জলাশয়। ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা দুর্বল বেড়িবাঁধ গুলি মেরামত করার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে ওয়াপদা ছাপিয়ে পোল্ডার অভ্যান্তরে পানি প্রবেশ করায় দুর্বল ভেড়িবাঁধ গুলি ভেঙ্গে যায়।

গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আব্দুস ছালাম জানান, শিবসা নদীর পাড়ে খুদখালী নামক স্হানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়।

এলাকাবাসির সহযোগিতায় ভেঙ্গে যাওয়া স্থানটি জিও ব্যাগ দিয়ে আটকানো হয়েছে। লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম আরিফুজ্জামান জানান, লস্কর ইউনিয়নে আটটি স্হানের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল জানান, আমার ইউনিয়নটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। তার মধ্যে ২০,২০(১)ও ২১ এই তিনটি পোল্ডারে প্রায় ১৩টি স্থান ভেঙ্গে গেছে।

লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস জানান, আমার ইউনিয়নে হাড়িয়া,লতা ও পুতলাখালীর কয়েক স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে।

এদিকে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান ক্ষতিগ্রস্হ এলাকা পরিদর্শন করে বাঁধ মেরামতের কাজ তদারকি করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন জানান,ক্ষতিগ্রস্হ বাঁধ গুলো উপজেলা প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগনের সার্বিক সহযোগিতায় ও স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে।

বাখ//আর