ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পাঁচবিবিতে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি ও ধর্ষনের অভিযোগ

মোঃ জিহাদ মন্ডল
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪
  • / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আনসার ও ভিডিপি  কোম্পানি  কমান্ডার  মিঠু কবিরাজের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি ও বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ   করেছে  এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী আনসার  সদস্য। এর প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী উপজেলায় মৌখিক ও জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে  মিঠু কবিরাজ তার ২টি সন্তানসহ তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এমতবস্থায়, সন্তানসহ আতংক ও নিরাপত্তাহীনতায়  ভুগছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মিঠু কবিরাজ উপজেলার রতনপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের নাসির কবিরাজের ছেলে।

লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, বিভিন্ন সময়ে উপজেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ডিউটিতে নাম দেওয়ার অজুহাতে ভুক্তভোগী ওই নারীর সাথে সর্ম্পক গড়ে তোলেন  মিঠু কবিরাজ। কিন্তুু ওই নারীর আনসার ও ভিডিপির কোন প্রশিক্ষণ সনদ না থাকায় ৬ হাজার টাকায় তাকে একটি ভুয়া সনদ (নং-৪০২১৮৯৭)  তৈরী করে দেন মিঠু।  এরপর সেই সনদ দিয়ে বিভিন্ন সময় ডিউটিও  করেন ওই নারী।  সুযোগে বুঝে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার সাথে  একাধিকবার শারীরীক সম্পর্ক  করে মিঠু ।

সম্প্রতি, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ডিউটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রশিক্ষণ সনদ, কাগজ পত্র বাবদ তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকাও নেয়  মিঠু কবিরাজ। তবে নির্বাচন উপলক্ষে সদস্য যাচাই বাছাইয়ের সময় সনদটি জাল হওয়াই নির্বাচনী ডিউটিতে বাদ পড়েন ওই নারী সদস্য । পরে এ নিয়ে তার সাথে  বাকবিতন্ডা হয়। ভবিষ্যতে এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাকে ভয় ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় মিঠু । এ কারণে ওই নারী জেলা ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন ।

এ বিষয়ে মিঠু কবিরাজ বলেন, “বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট । এসবের কোন ভিত্তি  নাই।”

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা তৃপ্তি রাণী বলেন, “আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। তবে মেয়েটি মৌখিক ভাবে জানিয়েছে, মিঠু তাকে জাল সনদ তৈরি  করে দেয় এবং তার সংগে খারাপ সম্পর্ক গড়ে তোলে।”

জয়পুরহাট জেলা কমান্ড্যান্ট মির্জা সিফাত-ই-খোদা জানান, “অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে ৩ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে । উপজেলা  নির্বাচনের কারণে তদন্ত হয়নি । এখন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাঁচবিবিতে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি ও ধর্ষনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আনসার ও ভিডিপি  কোম্পানি  কমান্ডার  মিঠু কবিরাজের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি ও বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ   করেছে  এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী আনসার  সদস্য। এর প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী উপজেলায় মৌখিক ও জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে  মিঠু কবিরাজ তার ২টি সন্তানসহ তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এমতবস্থায়, সন্তানসহ আতংক ও নিরাপত্তাহীনতায়  ভুগছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মিঠু কবিরাজ উপজেলার রতনপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের নাসির কবিরাজের ছেলে।

লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, বিভিন্ন সময়ে উপজেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ডিউটিতে নাম দেওয়ার অজুহাতে ভুক্তভোগী ওই নারীর সাথে সর্ম্পক গড়ে তোলেন  মিঠু কবিরাজ। কিন্তুু ওই নারীর আনসার ও ভিডিপির কোন প্রশিক্ষণ সনদ না থাকায় ৬ হাজার টাকায় তাকে একটি ভুয়া সনদ (নং-৪০২১৮৯৭)  তৈরী করে দেন মিঠু।  এরপর সেই সনদ দিয়ে বিভিন্ন সময় ডিউটিও  করেন ওই নারী।  সুযোগে বুঝে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার সাথে  একাধিকবার শারীরীক সম্পর্ক  করে মিঠু ।

সম্প্রতি, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ডিউটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রশিক্ষণ সনদ, কাগজ পত্র বাবদ তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকাও নেয়  মিঠু কবিরাজ। তবে নির্বাচন উপলক্ষে সদস্য যাচাই বাছাইয়ের সময় সনদটি জাল হওয়াই নির্বাচনী ডিউটিতে বাদ পড়েন ওই নারী সদস্য । পরে এ নিয়ে তার সাথে  বাকবিতন্ডা হয়। ভবিষ্যতে এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাকে ভয় ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় মিঠু । এ কারণে ওই নারী জেলা ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন ।

এ বিষয়ে মিঠু কবিরাজ বলেন, “বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট । এসবের কোন ভিত্তি  নাই।”

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা তৃপ্তি রাণী বলেন, “আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। তবে মেয়েটি মৌখিক ভাবে জানিয়েছে, মিঠু তাকে জাল সনদ তৈরি  করে দেয় এবং তার সংগে খারাপ সম্পর্ক গড়ে তোলে।”

জয়পুরহাট জেলা কমান্ড্যান্ট মির্জা সিফাত-ই-খোদা জানান, “অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে ৩ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে । উপজেলা  নির্বাচনের কারণে তদন্ত হয়নি । এখন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।