ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাউফলে পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • / ৪২৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পল্লীবিদ্যুতের ভূতুরে বিলের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে ঝাড়ু মিছিল করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১ টার দিকে বাউফল পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের সামনের সড়কে এ ঝাড়ু মিছিল করে ভুক্তোভোগী গ্রাহকরা। মিছিল শেষে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেছেন তারা।

গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘ মাস ধরে পল্লীবিদ্যুতের ভূতুরে বিলের শিকার হচ্ছেন তারা। অফিসে অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। বিল সম্বন্বয় করার কথা বললেও দেখা যাচ্ছে পরবর্তী মাসে আবার ভূতুরে বিল আসছে। এতে আমরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। ফলে বাধ্য হয়ে প্রতিবাদ করছি।

ক্ষুদ্ধ গ্রাহক নাজিরপুর গ্রামের মৎস ও মুরগীর খামারী ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম কেনান বলেন, প্রতিমাসে আমার ২-৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। গত জানুয়ারী মাসে আমার বিদ্যুত বিল এসেছে ৩ হাজার ৩১২ টাকা পরবর্তী ফেব্রুয়ারি মাসে বিল আসে ৪৫ হাজার ৯৮২ টাকা, মার্চে ৩৫ হাজার ১৭৪ টাকা আবার এপ্রিলে ৬৬৩ টাকা, মে মাসে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা আবার জুনে ২ হাজার ৮১৫ টাকা। অথচ আমি একই বৈদ্যুতিক জিনিস ব্যবহার করে আসছি। আমার এই ভূতুরে বিল পরিশোধ করা সম্ভব নয়। অফিসে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। বিদ্যুতের এই ভূতরে বিল পরিশোধ করা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় অছি। এ ব্যাপরে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তিনি আরো বলেন শুধু আমি নই। আমার মত এরকম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসংখ্য গ্রাহক রয়েছেন যারা একই রকম ভূতুরে বিলের শিকার হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, ক্ষুদ্ধ গ্রহকরা আমার কাছে আসলে আমি পল্লী বিদুতের বাউফল জোনাল অফিসের এজিএম কম প্রকৌশল গগন সাহার কাছে করনীয় কি জানতে চাই। এ সময় তিনি আমাকে বলেন, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘুর্নিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সেক্টরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে মিটার রিডাররা অধিকাংশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুমান নির্ভর বিল করেছেন। তাই অতিরিক্ত বিল এসেছে। গ্রাহকরা অফিসে এসে আপত্তি জানালে সংশোধন করে দেয়া হবে।

বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোঃ মজিবুর রহমান চৌধূরী বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যে সব এলাকার অনুমান নির্ভর বিল করা হয়েছে, সেগুলো সংশোধন করে দেয়া হবে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

বাউফলে পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

পল্লীবিদ্যুতের ভূতুরে বিলের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে ঝাড়ু মিছিল করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১ টার দিকে বাউফল পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের সামনের সড়কে এ ঝাড়ু মিছিল করে ভুক্তোভোগী গ্রাহকরা। মিছিল শেষে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেছেন তারা।

গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘ মাস ধরে পল্লীবিদ্যুতের ভূতুরে বিলের শিকার হচ্ছেন তারা। অফিসে অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। বিল সম্বন্বয় করার কথা বললেও দেখা যাচ্ছে পরবর্তী মাসে আবার ভূতুরে বিল আসছে। এতে আমরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। ফলে বাধ্য হয়ে প্রতিবাদ করছি।

ক্ষুদ্ধ গ্রাহক নাজিরপুর গ্রামের মৎস ও মুরগীর খামারী ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম কেনান বলেন, প্রতিমাসে আমার ২-৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। গত জানুয়ারী মাসে আমার বিদ্যুত বিল এসেছে ৩ হাজার ৩১২ টাকা পরবর্তী ফেব্রুয়ারি মাসে বিল আসে ৪৫ হাজার ৯৮২ টাকা, মার্চে ৩৫ হাজার ১৭৪ টাকা আবার এপ্রিলে ৬৬৩ টাকা, মে মাসে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা আবার জুনে ২ হাজার ৮১৫ টাকা। অথচ আমি একই বৈদ্যুতিক জিনিস ব্যবহার করে আসছি। আমার এই ভূতুরে বিল পরিশোধ করা সম্ভব নয়। অফিসে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। বিদ্যুতের এই ভূতরে বিল পরিশোধ করা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় অছি। এ ব্যাপরে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তিনি আরো বলেন শুধু আমি নই। আমার মত এরকম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসংখ্য গ্রাহক রয়েছেন যারা একই রকম ভূতুরে বিলের শিকার হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, ক্ষুদ্ধ গ্রহকরা আমার কাছে আসলে আমি পল্লী বিদুতের বাউফল জোনাল অফিসের এজিএম কম প্রকৌশল গগন সাহার কাছে করনীয় কি জানতে চাই। এ সময় তিনি আমাকে বলেন, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘুর্নিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সেক্টরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে মিটার রিডাররা অধিকাংশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুমান নির্ভর বিল করেছেন। তাই অতিরিক্ত বিল এসেছে। গ্রাহকরা অফিসে এসে আপত্তি জানালে সংশোধন করে দেয়া হবে।

বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোঃ মজিবুর রহমান চৌধূরী বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যে সব এলাকার অনুমান নির্ভর বিল করা হয়েছে, সেগুলো সংশোধন করে দেয়া হবে।

 

বাখ//আর