ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পর্তুগালকে শেষ ষোলোয় তুললেন রোনালদো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
  • / ৪১৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জার্মানিতে চলমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তুরস্কের বিপক্ষে গোল পেলেন না পর্তুগালের সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। আর তার রেকর্ডের দিনে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা।

শনিবার (২২ জুন) জার্মানির ডর্টমুন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তুরস্ককে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে পর্তুগাল। দলের হয়ে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির বার্নার্ডো সিলভা ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। পর্তুগালের আরেকটি গোল আসে আত্মঘাতি থেকে।

জর্জিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলা তুরস্ক এদিন পর্তুগালের বিপক্ষে নিজেদের ছায়া হয়েছিল। মাঠে অসংখ্য সমর্থক থাকলেও মাঠের খেলায় প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হয় তুরস্ক। উল্টো ম্যাচের ২১তম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে তুর্কিশরা। বামদিক থেকে ডি বক্সের মধ্যে আসা বল ব্যাকহিলে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন তুরস্কের রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড়। বল সরাসরি চলে যায় বার্নার্ডো সিলভার কাছে। তিনি বাম পায়ের শটে জালে জড়াতে ভুল করেননি। ২৯ বছর বয়সী ম্যানচেস্টার সিটি উইঙ্গারের এটি পর্তুগালের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে প্রথম গোল। এর আগে দুটি করে ফিফা বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১৪ ম্যাচে গোলশূন্য ছিলেন তিনি।

ম্যাচের ২৮তম মিনিটে তুরস্কর সামেত আকায়দিনের আত্মঘাতী গোল করলে পর্তুগালের ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এ সময় তিনি ডি বক্সের সামনে থেকে গোলরক্ষকের উদ্দেশ্যে ব্যাক পাস দেন। কিন্তু সে সময় গোলরক্ষক ডানদিকে একটু দূরে ছিলেন। বল তার নাগালের বাইরে দিয়ে জালে প্রবেশ করে। যদিও গোলরক্ষক ও আরও একজন খেলোয়াড় বলটি রুখতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা নাগালে যাওয়ার আগেই বল গোললাইন অতিক্রম করে। এতে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় পর্তুগিজরা।

বিরতির পর ৫৫ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। রোনালদো ডানদিক দিয়ে আক্রমণে ওঠে তুরস্কের ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তাকে আটকাতে তুরস্কের গোলরক্ষক এগিয়ে আসলে বক্সের মধ্যে বামদিকে থাকা ব্রুনোকে বল বাড়িয়ে দিলে সেখান থেকে ফাঁকা পোস্টে অনায়াসে বল জালে পাঠান ব্রুনো। এ নিয়ে ইউরোতে ৭ গোলে অ্যাসিস্ট করলেন রোনালদো। ১৯৮০ আসর থেকে সংরক্ষিত রেকর্ড বলছে, এ সময়ে রোনালদোই সবচেয়ে বেশি গোল করিয়েছেন। ছাড়িয়ে গেছেন চেক প্রজাতন্ত্রের কারেল পোভরস্কির ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।

বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তুরস্ক। শেষ ম্যাচে আগামী বুধবার (২৬ জুন) দিবাগত রাতে জর্জিয়ার মুখোমুখি হবে রোনালদো-ব্রুনোরা। পর্তুগালের জয় ছাড়াও দিনের আরেক খেলায় গ্রুপ এফ এর দুই দল জর্জিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র ১-১ গোলে ড্র করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্তুগালকে শেষ ষোলোয় তুললেন রোনালদো

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

জার্মানিতে চলমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তুরস্কের বিপক্ষে গোল পেলেন না পর্তুগালের সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। আর তার রেকর্ডের দিনে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা।

শনিবার (২২ জুন) জার্মানির ডর্টমুন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তুরস্ককে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে পর্তুগাল। দলের হয়ে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির বার্নার্ডো সিলভা ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। পর্তুগালের আরেকটি গোল আসে আত্মঘাতি থেকে।

জর্জিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলা তুরস্ক এদিন পর্তুগালের বিপক্ষে নিজেদের ছায়া হয়েছিল। মাঠে অসংখ্য সমর্থক থাকলেও মাঠের খেলায় প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হয় তুরস্ক। উল্টো ম্যাচের ২১তম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে তুর্কিশরা। বামদিক থেকে ডি বক্সের মধ্যে আসা বল ব্যাকহিলে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন তুরস্কের রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড়। বল সরাসরি চলে যায় বার্নার্ডো সিলভার কাছে। তিনি বাম পায়ের শটে জালে জড়াতে ভুল করেননি। ২৯ বছর বয়সী ম্যানচেস্টার সিটি উইঙ্গারের এটি পর্তুগালের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে প্রথম গোল। এর আগে দুটি করে ফিফা বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১৪ ম্যাচে গোলশূন্য ছিলেন তিনি।

ম্যাচের ২৮তম মিনিটে তুরস্কর সামেত আকায়দিনের আত্মঘাতী গোল করলে পর্তুগালের ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এ সময় তিনি ডি বক্সের সামনে থেকে গোলরক্ষকের উদ্দেশ্যে ব্যাক পাস দেন। কিন্তু সে সময় গোলরক্ষক ডানদিকে একটু দূরে ছিলেন। বল তার নাগালের বাইরে দিয়ে জালে প্রবেশ করে। যদিও গোলরক্ষক ও আরও একজন খেলোয়াড় বলটি রুখতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা নাগালে যাওয়ার আগেই বল গোললাইন অতিক্রম করে। এতে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় পর্তুগিজরা।

বিরতির পর ৫৫ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। রোনালদো ডানদিক দিয়ে আক্রমণে ওঠে তুরস্কের ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তাকে আটকাতে তুরস্কের গোলরক্ষক এগিয়ে আসলে বক্সের মধ্যে বামদিকে থাকা ব্রুনোকে বল বাড়িয়ে দিলে সেখান থেকে ফাঁকা পোস্টে অনায়াসে বল জালে পাঠান ব্রুনো। এ নিয়ে ইউরোতে ৭ গোলে অ্যাসিস্ট করলেন রোনালদো। ১৯৮০ আসর থেকে সংরক্ষিত রেকর্ড বলছে, এ সময়ে রোনালদোই সবচেয়ে বেশি গোল করিয়েছেন। ছাড়িয়ে গেছেন চেক প্রজাতন্ত্রের কারেল পোভরস্কির ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।

বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তুরস্ক। শেষ ম্যাচে আগামী বুধবার (২৬ জুন) দিবাগত রাতে জর্জিয়ার মুখোমুখি হবে রোনালদো-ব্রুনোরা। পর্তুগালের জয় ছাড়াও দিনের আরেক খেলায় গ্রুপ এফ এর দুই দল জর্জিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র ১-১ গোলে ড্র করে।