ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পরকীয়ার জেরে রূপপুর এনপিপি নিকিমথ কোম্পানির পরিচালকের গাড়ি চালক খুন : এক নারী আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :
নিখোঁজের দু’দিন পর নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে (আরএনপিপি) কর্মরত রাশিয়ান মালিকানাধীন নিকিমথ কোম্পানির পরিচালক  ইউরো ফেদোলোভের  ভাড়াকৃত ব্যক্তিগত গাড়ি চালক সম্রাট আলী (২৭) বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল (শনিবার) সকালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার সাদীপুর এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এই সময় গাড়িটিও জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত সম্রাট আলী পাবনার ঈশ্বরদী শহরের মধ্য অরণকোলা (আলহাজ্ব ক্যাম্প) এলাকার আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ সীমা খাতুন (২৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে। লাশ ময়না তদন্ত ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক সীমা খাতুন ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়ার বাহাদুর খানের ছেলে আব্দুল মোমিন খানের (৩৫) স্ত্রী। পরক্রীয়া প্রেমজণিতকারণে গাড়ি চালক সম্রাটকে খুন করা হয়েছে বলে আটক সীমা খাতুনের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে। সীমা খাতুন দুই কন্যা সন্তানের মা। বর্তমানে সে গর্ভবতী।
নিহত সম্রাটের বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক ও চাচা আলমগীর হোসেন বাদশা জানান,  গত বৃহস্পতিবার সকালে সম্রাট বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে রূপপুর প্রকল্পের অফিসে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। এরপর আর ফিরে আসেনি। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান মেলেনি।
আটক সীমা খাতুনের বরাত দিয়ে থানা, আরবিডিতে ভাড়া দেওয়া গাড়ির মালিক আনিসুর রহমান ও এলাকাবাসী জানায়, নিহত সম্রাট ও আটক সীমা খাতুনের স্বামী আব্দুল মোমিন দুজনই আরবিডি কোম্পানির মাধ্যমে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের রাশিয়ান নিকিমথ কোম্পানির গাড়ি চালক ছিলেন। এক সঙ্গে কাজের সূত্রে দুজনের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সৃষ্টি হয়। এই কারণে আব্দুল মোমিনের বাড়িতে সম্রাটের অবাধ যাতায়াত ছিলো।
সীমা জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে সম্রাটের গাড়িতে ঈশ্বরদী যাওয়ার পথেমধ্যে কোমলপানিতে কিছুএকটা মিশিয়ে তাকে পান করানো হয়। এতে সে অচেতন হয়ে পড়লে সম্রাট গাড়িতে সীমাকে ধর্ষণ করে। সেই চিত্র নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে। এরপর সেই চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঝেমধ্যেই ধর্ষণ করতো। শেষ বার কয়েকমাস আগে মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও চিত্র মুছে ফেলার নাম বলে সীমা খাতুনকে পাকশী রিপোর্টে ডেকে নিয়ে যায় সম্রাট। সেখানেও তাকে ধর্ষণ করা হয়। কিন্তু শত অনুরোধ করার পরও সেই চিত্র মুছে ফেলেনি সম্রাট।
পরক্রীয়ার জেরে রূপপুর এনপিপি নিকিমথ কোম্পানির পরিচালকের গাড়ি চালক খুন : এক নারী আটক
এরপর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সম্রাট গাড়ি নিয়ে সহকর্মী আব্দুল মোমিনের বাড়িতে যায়। তার মাথা ব্যথা করছে জানিয়ে মোমিনের বিছানায় শুয়ে পড়ে সম্রাট। আর বন্ধু আব্দুল মোমিনকে ওষুধ আনতে দোকানে পাঠায়। মোমিন দোকানে গেলে মোমিনের স্ত্রী সীমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সম্রাট। এই সময় সীমা ঘরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে। আব্দুল মোমিন ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরে অবস্থার বেগতিক দেখে ও স্ত্রীর নিকট থেকে সব শুনে আহত সম্রাটকে বস্তায় ভরে গাড়িতে তুলে চলে যায়। এই সময় সম্রাট মৃত্যু যন্ত্রণায় বস্তার ভেতর থেকে গোংরাতে থাকে। তখন তারা গাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে থাকে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে সীমাকে পাবনা সদরের মাধপুর এলাকায় নামিয়ে দিয়ে বস্তাভর্তি লাশ নিয়ে গাড়িসহ মোমিন চলে যায়।
উদ্ধারকৃত পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির স্বত্তাধিকারী আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার সকালে গাড়ি নিয়ে সম্রাট অফিসে না গেলে নিকিমথ কোম্পানি থেকে ফোনে তাকে জানানো হয়। ফোনে চেষ্টা করেও সম্রাটকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ সম্রাটের ফোনের সর্বশেষ অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সহকর্মী আব্দুল মোমিনের বাড়িতে কয়েকদফা পুলিশ যায়। এক পর্যায় পুলিশের জেরার মুখে মোমিনের স্ত্রী সীমা জানায় সে সম্রাটকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তার স্বামী আব্দুল মোমিন লাশ গায়েব করতে গাড়ি নিয়ে চলে গেছে।
নিহত সম্রাটের বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক ও চাচা আলমগীর হোসেন বাদশা জানান, সম্রাটকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। সে নিকিমথ কোম্পানিতে গাড়ি সরবরাহকারী আরবিডি কোম্পানির হয়ে গাড়ি চালকের কাজ করলেও নিজেও বিভিন্ন জায়গা থেকে গাড়ি এনে প্রকল্পে ভাড়া দিতো। বৃহস্পতিবার সেসব গাড়ির মাসিকভাড়াসহ তার বেতনের টাকা পাওয়ার কথা ছিলো। এইসব টাকার কারণেই হয়তো পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, অনেকগুলো বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পেছনে নারী ঘটিত কোন ব্যাপার রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় আব্দুল মোমিনের স্ত্রী সীমা খাতুনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই খুনের প্রকৃত রহুস্য উৎঘাটন করা সম্ভব হবে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সীমা স্বামী আব্দুল মোমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

পরকীয়ার জেরে রূপপুর এনপিপি নিকিমথ কোম্পানির পরিচালকের গাড়ি চালক খুন : এক নারী আটক

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :
নিখোঁজের দু’দিন পর নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে (আরএনপিপি) কর্মরত রাশিয়ান মালিকানাধীন নিকিমথ কোম্পানির পরিচালক  ইউরো ফেদোলোভের  ভাড়াকৃত ব্যক্তিগত গাড়ি চালক সম্রাট আলী (২৭) বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল (শনিবার) সকালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার সাদীপুর এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এই সময় গাড়িটিও জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত সম্রাট আলী পাবনার ঈশ্বরদী শহরের মধ্য অরণকোলা (আলহাজ্ব ক্যাম্প) এলাকার আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ সীমা খাতুন (২৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে। লাশ ময়না তদন্ত ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক সীমা খাতুন ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়ার বাহাদুর খানের ছেলে আব্দুল মোমিন খানের (৩৫) স্ত্রী। পরক্রীয়া প্রেমজণিতকারণে গাড়ি চালক সম্রাটকে খুন করা হয়েছে বলে আটক সীমা খাতুনের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে। সীমা খাতুন দুই কন্যা সন্তানের মা। বর্তমানে সে গর্ভবতী।
নিহত সম্রাটের বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক ও চাচা আলমগীর হোসেন বাদশা জানান,  গত বৃহস্পতিবার সকালে সম্রাট বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে রূপপুর প্রকল্পের অফিসে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। এরপর আর ফিরে আসেনি। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান মেলেনি।
আটক সীমা খাতুনের বরাত দিয়ে থানা, আরবিডিতে ভাড়া দেওয়া গাড়ির মালিক আনিসুর রহমান ও এলাকাবাসী জানায়, নিহত সম্রাট ও আটক সীমা খাতুনের স্বামী আব্দুল মোমিন দুজনই আরবিডি কোম্পানির মাধ্যমে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের রাশিয়ান নিকিমথ কোম্পানির গাড়ি চালক ছিলেন। এক সঙ্গে কাজের সূত্রে দুজনের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সৃষ্টি হয়। এই কারণে আব্দুল মোমিনের বাড়িতে সম্রাটের অবাধ যাতায়াত ছিলো।
সীমা জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে সম্রাটের গাড়িতে ঈশ্বরদী যাওয়ার পথেমধ্যে কোমলপানিতে কিছুএকটা মিশিয়ে তাকে পান করানো হয়। এতে সে অচেতন হয়ে পড়লে সম্রাট গাড়িতে সীমাকে ধর্ষণ করে। সেই চিত্র নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে। এরপর সেই চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঝেমধ্যেই ধর্ষণ করতো। শেষ বার কয়েকমাস আগে মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও চিত্র মুছে ফেলার নাম বলে সীমা খাতুনকে পাকশী রিপোর্টে ডেকে নিয়ে যায় সম্রাট। সেখানেও তাকে ধর্ষণ করা হয়। কিন্তু শত অনুরোধ করার পরও সেই চিত্র মুছে ফেলেনি সম্রাট।
পরক্রীয়ার জেরে রূপপুর এনপিপি নিকিমথ কোম্পানির পরিচালকের গাড়ি চালক খুন : এক নারী আটক
এরপর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সম্রাট গাড়ি নিয়ে সহকর্মী আব্দুল মোমিনের বাড়িতে যায়। তার মাথা ব্যথা করছে জানিয়ে মোমিনের বিছানায় শুয়ে পড়ে সম্রাট। আর বন্ধু আব্দুল মোমিনকে ওষুধ আনতে দোকানে পাঠায়। মোমিন দোকানে গেলে মোমিনের স্ত্রী সীমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সম্রাট। এই সময় সীমা ঘরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে। আব্দুল মোমিন ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরে অবস্থার বেগতিক দেখে ও স্ত্রীর নিকট থেকে সব শুনে আহত সম্রাটকে বস্তায় ভরে গাড়িতে তুলে চলে যায়। এই সময় সম্রাট মৃত্যু যন্ত্রণায় বস্তার ভেতর থেকে গোংরাতে থাকে। তখন তারা গাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে থাকে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে সীমাকে পাবনা সদরের মাধপুর এলাকায় নামিয়ে দিয়ে বস্তাভর্তি লাশ নিয়ে গাড়িসহ মোমিন চলে যায়।
উদ্ধারকৃত পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির স্বত্তাধিকারী আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার সকালে গাড়ি নিয়ে সম্রাট অফিসে না গেলে নিকিমথ কোম্পানি থেকে ফোনে তাকে জানানো হয়। ফোনে চেষ্টা করেও সম্রাটকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ সম্রাটের ফোনের সর্বশেষ অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সহকর্মী আব্দুল মোমিনের বাড়িতে কয়েকদফা পুলিশ যায়। এক পর্যায় পুলিশের জেরার মুখে মোমিনের স্ত্রী সীমা জানায় সে সম্রাটকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তার স্বামী আব্দুল মোমিন লাশ গায়েব করতে গাড়ি নিয়ে চলে গেছে।
নিহত সম্রাটের বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক ও চাচা আলমগীর হোসেন বাদশা জানান, সম্রাটকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। সে নিকিমথ কোম্পানিতে গাড়ি সরবরাহকারী আরবিডি কোম্পানির হয়ে গাড়ি চালকের কাজ করলেও নিজেও বিভিন্ন জায়গা থেকে গাড়ি এনে প্রকল্পে ভাড়া দিতো। বৃহস্পতিবার সেসব গাড়ির মাসিকভাড়াসহ তার বেতনের টাকা পাওয়ার কথা ছিলো। এইসব টাকার কারণেই হয়তো পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, অনেকগুলো বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পেছনে নারী ঘটিত কোন ব্যাপার রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় আব্দুল মোমিনের স্ত্রী সীমা খাতুনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই খুনের প্রকৃত রহুস্য উৎঘাটন করা সম্ভব হবে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সীমা স্বামী আব্দুল মোমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বা/খ: এসআর।