ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পদ্মা সেতুর রেলপথে পরীক্ষামূলক ‘ট্র্যাক কার’ চালু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
বহুল প্রত্যাশার পদ্মা বহুমুখী সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এবার অপেক্ষা সেতুর নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের। অবশেষে সেই অপেক্ষারও শেষ হতে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৩২ কিলোমিটার নতুন রেলপথে পরীক্ষামূলক ‘ট্র্যাক কার’ বা ‘গ্যাংকার’ চলার আয়োজন চলছে।

এরিমধ্যে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন থেকে পরীক্ষামূলক একটি ট্রেন পদ্মা সেতু পর্যন্ত পৌঁছেছে। ট্রেনটি বিশেষ আকৃতিতে নির্মিত একটি রেল ইঞ্জিন বিশেষ। এটি গ্যাংকার নামে পরিচিত।

মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙ্গা রেল স্টেশন সংলগ্ন প্রকল্প এলাকা থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যায়। দুপুর পৌনে ১টার দিকে এই বিশেষ ট্রেনটি পদ্মা সেতুর কাছে পৌঁছায়।

এ সময় গ্যাংকারে প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন এবং সেনাবাহিনীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মেজর জেনারেল জাহিদ আফজাল ছিলেন।

ভাঙ্গা স্টেশন ম্যানেজার মো. শাহজাহান জানান, নতুন রেলপথ চালু হওয়ার আগে পরীক্ষামূলক এই গ্যাংকারটি মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) ভাঙ্গা থেকে শুরু করে পদ্মা সেতু পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে পদ্মা স্টেশন পার হয়ে পদ্মা সেতুর দক্ষিণে জাজিরার ভায়াডাক্টে পৌঁছায়।

৩২ কিলোমিটারের মধ্যে চার কিলোমিটার পাথরবিহীন এবং ২৮ কিলোমিটার পাথরসহ রেল লাইন বসে গেছে। এই রেল লাইন ভাঙ্গার পুরোনো রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

কিছুদিন আগে এই পথের কাজ শেষ হয়। এবার চীনের তৈরি একটি গ্যাংকার এই ট্রাকে চালিয়ে দেখা হলো কার্যকারিতা। কিছুটা ধীরগতিতে ট্র্যাক কারটি চালানো হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সেটি পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্টে (সংযোগ সেতু) পৌঁছে।

পদ্মা সেতুর নিচতলায় রেললাইন বসানোর কাজ চলছে। সেতুতে রেললাইন বসানোর পরই সেতু অতিক্রম করবে রেল। সেতুতে রেললাইন স্থাপনে ব্যস্ত সময় করছে প্রকৌশলীরা।

স্টেশন ইনচার্জ অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদ বলেন, কয়েক দিন আগে এই পথের কাজ শেষ হয়েছে। চীনের তৈরি গ্যাঙকারটি পরীক্ষামূলক চালানো হয়। কিছুটা ধীরগতিতে ট্র্যাক কার চালিয়ে দেখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু দিয়ে রেল চলাচলের টার্গেট রয়েছে আগামী জুনে। মাওয়া রেল স্টেশনের অগ্রগতি প্রায় ৮৫ শতাংশ ও জাজিরা প্রান্তের পদ্মা রেল স্টেশনের কাজের অগ্রগতি ৭৭ ভাগের বেশি। তবে রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললিঙ্ক প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পদ্মা সেতুর রেলপথে পরীক্ষামূলক ‘ট্র্যাক কার’ চালু

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
বহুল প্রত্যাশার পদ্মা বহুমুখী সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এবার অপেক্ষা সেতুর নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের। অবশেষে সেই অপেক্ষারও শেষ হতে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৩২ কিলোমিটার নতুন রেলপথে পরীক্ষামূলক ‘ট্র্যাক কার’ বা ‘গ্যাংকার’ চলার আয়োজন চলছে।

এরিমধ্যে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন থেকে পরীক্ষামূলক একটি ট্রেন পদ্মা সেতু পর্যন্ত পৌঁছেছে। ট্রেনটি বিশেষ আকৃতিতে নির্মিত একটি রেল ইঞ্জিন বিশেষ। এটি গ্যাংকার নামে পরিচিত।

মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙ্গা রেল স্টেশন সংলগ্ন প্রকল্প এলাকা থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যায়। দুপুর পৌনে ১টার দিকে এই বিশেষ ট্রেনটি পদ্মা সেতুর কাছে পৌঁছায়।

এ সময় গ্যাংকারে প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন এবং সেনাবাহিনীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মেজর জেনারেল জাহিদ আফজাল ছিলেন।

ভাঙ্গা স্টেশন ম্যানেজার মো. শাহজাহান জানান, নতুন রেলপথ চালু হওয়ার আগে পরীক্ষামূলক এই গ্যাংকারটি মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) ভাঙ্গা থেকে শুরু করে পদ্মা সেতু পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে পদ্মা স্টেশন পার হয়ে পদ্মা সেতুর দক্ষিণে জাজিরার ভায়াডাক্টে পৌঁছায়।

৩২ কিলোমিটারের মধ্যে চার কিলোমিটার পাথরবিহীন এবং ২৮ কিলোমিটার পাথরসহ রেল লাইন বসে গেছে। এই রেল লাইন ভাঙ্গার পুরোনো রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

কিছুদিন আগে এই পথের কাজ শেষ হয়। এবার চীনের তৈরি একটি গ্যাংকার এই ট্রাকে চালিয়ে দেখা হলো কার্যকারিতা। কিছুটা ধীরগতিতে ট্র্যাক কারটি চালানো হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সেটি পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্টে (সংযোগ সেতু) পৌঁছে।

পদ্মা সেতুর নিচতলায় রেললাইন বসানোর কাজ চলছে। সেতুতে রেললাইন বসানোর পরই সেতু অতিক্রম করবে রেল। সেতুতে রেললাইন স্থাপনে ব্যস্ত সময় করছে প্রকৌশলীরা।

স্টেশন ইনচার্জ অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদ বলেন, কয়েক দিন আগে এই পথের কাজ শেষ হয়েছে। চীনের তৈরি গ্যাঙকারটি পরীক্ষামূলক চালানো হয়। কিছুটা ধীরগতিতে ট্র্যাক কার চালিয়ে দেখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু দিয়ে রেল চলাচলের টার্গেট রয়েছে আগামী জুনে। মাওয়া রেল স্টেশনের অগ্রগতি প্রায় ৮৫ শতাংশ ও জাজিরা প্রান্তের পদ্মা রেল স্টেশনের কাজের অগ্রগতি ৭৭ ভাগের বেশি। তবে রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললিঙ্ক প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালে।