ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নেপালে বৃষ্টিতে ভূমিধস, নিহত ২১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেপালে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে তিনদিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আছেন আরও দুইজন। এছাড়া আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ১১ জনকে।

চীনের তিব্বত-নেপাল সীমান্তঘেঁষা সুদূরপশ্চিম প্রদেশের আচ্ছাম জেলায় শনিবার ঘটেছে এ ঘটনা।

নেপালের দি পিপলস রিভিউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের জেরে ইতোমধ্যেই আচ্ছাম জেলার অধিকাংশ এলাকায় বন্যা শুরু হয়েছে। আছামের তুরমাখন্দ, কামালবাজার ও ঢাকাড়িতে ভূমিধসে, দুঙ্গালায় একই পরিবারের ৫ ও হাতিবাঞ্জে ৭ জন ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরের সাথে চাপা পড়ে মারা যায়। টানা বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা ভূমিধসে ভেসে গেছে যা উদ্ধার অভিযানে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

ভূমিধস উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে বলে পিটিআইকে নিশ্চিত করেছেন আচ্ছাম জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা দীপেশ রিজাল।

বন্যার কারণে সুদূরপশ্চিম প্রদেশভুক্ত ৭টি জেলার সংযোগকারী অধিকাংশ সড়ক-মহাসড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে উদ্ধার তৎপরতায় কাঙ্খিত গতি আনা সম্ভব হচ্ছে না।

‘হিমালয় কন্যা’ বলে পরিচিত দেশ নেপালে বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস একপ্রকার নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছরই জুন থেকে সেপ্টেম্বরে নেপালের কোনো না কোনো অঞ্চলে এই দুর্যোগ দেখা দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে বৃষ্টিতে ভূমিধস, নিহত ২১

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

নেপালে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে তিনদিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আছেন আরও দুইজন। এছাড়া আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ১১ জনকে।

চীনের তিব্বত-নেপাল সীমান্তঘেঁষা সুদূরপশ্চিম প্রদেশের আচ্ছাম জেলায় শনিবার ঘটেছে এ ঘটনা।

নেপালের দি পিপলস রিভিউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের জেরে ইতোমধ্যেই আচ্ছাম জেলার অধিকাংশ এলাকায় বন্যা শুরু হয়েছে। আছামের তুরমাখন্দ, কামালবাজার ও ঢাকাড়িতে ভূমিধসে, দুঙ্গালায় একই পরিবারের ৫ ও হাতিবাঞ্জে ৭ জন ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরের সাথে চাপা পড়ে মারা যায়। টানা বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা ভূমিধসে ভেসে গেছে যা উদ্ধার অভিযানে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

ভূমিধস উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে বলে পিটিআইকে নিশ্চিত করেছেন আচ্ছাম জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা দীপেশ রিজাল।

বন্যার কারণে সুদূরপশ্চিম প্রদেশভুক্ত ৭টি জেলার সংযোগকারী অধিকাংশ সড়ক-মহাসড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে উদ্ধার তৎপরতায় কাঙ্খিত গতি আনা সম্ভব হচ্ছে না।

‘হিমালয় কন্যা’ বলে পরিচিত দেশ নেপালে বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস একপ্রকার নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছরই জুন থেকে সেপ্টেম্বরে নেপালের কোনো না কোনো অঞ্চলে এই দুর্যোগ দেখা দেয়।