ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নির্বাসিত বেলারুশের বিরোধী নেতার ১৫ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাসিত বেলারুশিয়ান বিরোধী নেতা সভিয়াতলানা সিখানউসকায়াকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর দেশটির একটি আদালত সোমবার (৬ই মার্চ) এই কারাদণ্ড দেন। আজ (মঙ্গলবার) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪০ বছর বয়সী সিখানৌস্কায়া ইংরেজির সাবেক একজন শিক্ষক। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পর তিনি প্রতিবেশী লিথুয়ানিয়ায় পালিয়ে যান। ওই নির্বাচনে লুকাশেঙ্কো জয়ী হয়েছিলেন।

অবশ্য সিখানৌস্কায়া-সহ বেলারুশের অন্য বিরোধীরা সেই সময় বলেছিলেন, লুকাশেঙ্কোকে জয়ী করার জন্য নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। আর তাই ভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল সামনে আসার পর সেসময় দেশটির মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং এর জেরে ব্যাপক প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র লুকাশেঙ্কো বিক্ষোভকারীদের সেসময় ওপর নৃশংস দমনপীড়ন চালান, একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনেন। সেসময় বেলারুশের প্রধান বিরোধী ব্যক্তিত্ব ও কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাসিত বেলারুশের বিরোধী নেতার ১৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

নির্বাসিত বেলারুশিয়ান বিরোধী নেতা সভিয়াতলানা সিখানউসকায়াকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর দেশটির একটি আদালত সোমবার (৬ই মার্চ) এই কারাদণ্ড দেন। আজ (মঙ্গলবার) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪০ বছর বয়সী সিখানৌস্কায়া ইংরেজির সাবেক একজন শিক্ষক। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পর তিনি প্রতিবেশী লিথুয়ানিয়ায় পালিয়ে যান। ওই নির্বাচনে লুকাশেঙ্কো জয়ী হয়েছিলেন।

অবশ্য সিখানৌস্কায়া-সহ বেলারুশের অন্য বিরোধীরা সেই সময় বলেছিলেন, লুকাশেঙ্কোকে জয়ী করার জন্য নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। আর তাই ভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল সামনে আসার পর সেসময় দেশটির মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং এর জেরে ব্যাপক প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র লুকাশেঙ্কো বিক্ষোভকারীদের সেসময় ওপর নৃশংস দমনপীড়ন চালান, একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনেন। সেসময় বেলারুশের প্রধান বিরোধী ব্যক্তিত্ব ও কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।