ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

‘নির্বাচনে না এলে বিএনপি’র অস্তিত্ব থাকবে না’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে আর কোনদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আজ (শনিবার) রাজধানীতে শান্তি সমাবেশে একথা বলেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে উল্লে­খ করে বিএনপিকে ভোটে অংশ নেয়ার আহবান জানান তারা। অন্যথায় বিএনপির অস্তিত্ব বিলীন হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধ রাখার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে বিএনপি পালাবার পথ পাবে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি আবার আসে, কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে সেই সরকার কত বছর থাকবে। ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ৩ মাসের জন্য এসে কত বছর ছিলো? সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাই তাই কোনো অবস্থাতে বাংলাদেশে এই সরকার আসতে পারে না। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার পদত্যাগ করবে না। সংবিধানের বাইরে কোনো নির্বাচনের সুযোগ নাই।

এরপর কামরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি, রাজনীতি নিয়ে আইনমন্ত্রী যথার্থ বলেছেন। তার মুক্তির জন্য বিএনপির নেতারা কোনো চেষ্টা করছে না। আর বিএনপি আদালতের পক্ষপাতিত্বের যে অভিযোগ তুলছে, আদালত পক্ষপাতিত্ব করলে করলে বিএনপির সব নেতা জেলে থাকতো বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বিএনপির বর্তমান অবস্থার কথা তুলে ধরে অ্যাডভোকেট কামরুল বলেন, বিএনপির সাথে কোনো মানুষ নেই। অহেতুক মিথ্যাচার করছে। আগুন সন্ত্রাস শুরু করার আগে বাক সন্ত্রাস (কথাযুদ্ধ) করছে। উস্কানিমূলক কথা বার্তা না বলতে বিএনপি নেতাদের আহ্বান জানান তিনি।

পরে তিনি মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভালো হয়ে যান, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। নাহলে পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না। বিএনপির কর্মসূচি বড় হচ্ছে এটাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নাই। দলের নেতা -র্মীদের সমাবেশ থেকে সকল ব্যানার নামানোর নির্দেশ দেন।

পরে দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে হটানো এতো সহজ না। আগুন সন্ত্রাস থেকে দূরে থাকুন। বিএনপির চরিত্র লুটপাটের, আগুন সন্ত্রাসের, নৈরাজ্যের। বাংলার মাটিতে কোনো রকম নৈরাজ্য করতে দেয়া যাবে না। মহানগর আওয়ামী লীগ সজাগ আছে। যে সহিংসতা করবে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।

এদিকে, ঢাকার বাইরে সারাদেশে জেলা ও মহানগরে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনকে ঘিরে নৈরাজ্য ও সংঘাত-সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে থাকার কথা জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘নির্বাচনে না এলে বিএনপি’র অস্তিত্ব থাকবে না’

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে আর কোনদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আজ (শনিবার) রাজধানীতে শান্তি সমাবেশে একথা বলেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে উল্লে­খ করে বিএনপিকে ভোটে অংশ নেয়ার আহবান জানান তারা। অন্যথায় বিএনপির অস্তিত্ব বিলীন হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধ রাখার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে বিএনপি পালাবার পথ পাবে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি আবার আসে, কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে সেই সরকার কত বছর থাকবে। ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ৩ মাসের জন্য এসে কত বছর ছিলো? সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাই তাই কোনো অবস্থাতে বাংলাদেশে এই সরকার আসতে পারে না। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার পদত্যাগ করবে না। সংবিধানের বাইরে কোনো নির্বাচনের সুযোগ নাই।

এরপর কামরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি, রাজনীতি নিয়ে আইনমন্ত্রী যথার্থ বলেছেন। তার মুক্তির জন্য বিএনপির নেতারা কোনো চেষ্টা করছে না। আর বিএনপি আদালতের পক্ষপাতিত্বের যে অভিযোগ তুলছে, আদালত পক্ষপাতিত্ব করলে করলে বিএনপির সব নেতা জেলে থাকতো বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বিএনপির বর্তমান অবস্থার কথা তুলে ধরে অ্যাডভোকেট কামরুল বলেন, বিএনপির সাথে কোনো মানুষ নেই। অহেতুক মিথ্যাচার করছে। আগুন সন্ত্রাস শুরু করার আগে বাক সন্ত্রাস (কথাযুদ্ধ) করছে। উস্কানিমূলক কথা বার্তা না বলতে বিএনপি নেতাদের আহ্বান জানান তিনি।

পরে তিনি মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভালো হয়ে যান, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। নাহলে পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না। বিএনপির কর্মসূচি বড় হচ্ছে এটাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নাই। দলের নেতা -র্মীদের সমাবেশ থেকে সকল ব্যানার নামানোর নির্দেশ দেন।

পরে দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে হটানো এতো সহজ না। আগুন সন্ত্রাস থেকে দূরে থাকুন। বিএনপির চরিত্র লুটপাটের, আগুন সন্ত্রাসের, নৈরাজ্যের। বাংলার মাটিতে কোনো রকম নৈরাজ্য করতে দেয়া যাবে না। মহানগর আওয়ামী লীগ সজাগ আছে। যে সহিংসতা করবে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।

এদিকে, ঢাকার বাইরে সারাদেশে জেলা ও মহানগরে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনকে ঘিরে নৈরাজ্য ও সংঘাত-সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে থাকার কথা জানিয়েছেন তারা।