ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নরসিংদীতে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য কারাগারে

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদীর রায়পুরায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় ইমন মিয়া (২৮) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইমন মিয়া উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর এলাকার মাহে আলমের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

রায়পুরা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় সোমবার (১২ ফেব্রয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রায়পুরা থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

তরুণীর করা মামলার এজাহারে জানা যায়, দেড় বছর আগে ওই তরণীর সঙ্গে কনস্টেবল ইমনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। পরে ওই তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন ইমন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। পরে রোববার (১১ ফেব্রয়ারি) দুপুরে দেখা করতে প্রেমিকার বাড়িতে আসেন ইমন। পরে পুণরায় শারীরিক মেলামেশা করতে চাইলে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে ইমনকে আটক করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণী স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। এদিকে কনস্টেবল ইমনও বিবাহিত। তিনি দুই সন্তানের জনক।

রায়পুরা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাফায়েত হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। পরে গতকাল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীতে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য কারাগারে

আপডেট সময় : ০৩:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নরসিংদীর রায়পুরায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় ইমন মিয়া (২৮) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইমন মিয়া উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর এলাকার মাহে আলমের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

রায়পুরা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় সোমবার (১২ ফেব্রয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রায়পুরা থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

তরুণীর করা মামলার এজাহারে জানা যায়, দেড় বছর আগে ওই তরণীর সঙ্গে কনস্টেবল ইমনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। পরে ওই তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন ইমন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। পরে রোববার (১১ ফেব্রয়ারি) দুপুরে দেখা করতে প্রেমিকার বাড়িতে আসেন ইমন। পরে পুণরায় শারীরিক মেলামেশা করতে চাইলে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে ইমনকে আটক করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণী স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। এদিকে কনস্টেবল ইমনও বিবাহিত। তিনি দুই সন্তানের জনক।

রায়পুরা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাফায়েত হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। পরে গতকাল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর