শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গোলের পর কেঁদে ফেলেছি: পরীমণি ব্রাজিল যে কারণে ছিটকে গেল বিএনপির ৭ এমপির সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ১১ লাখের যৌতুক ফিরিয়ে দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন যুবক রোমান্টিক সিনেমায় আর অভিনয় করবেন না রণবীর বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য নাচবেন মেসি : আগুয়েরো রাজধানীর অলিগলিতে সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসভবনের আশপাশে আরো পুলিশ মোতায়েন বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘরে না ঢোকা পর্যন্ত আমরা পাহারায় থাকব : নিখিল সমাবেশ ঘিরে যে আতঙ্ক ছিল, আজ নেই: ডিবিপ্রধান নেতাকর্মীরা পাহারাদার হিসেবে আছেন: মায়া পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতি খুবই জটিল: জেলেনস্কি রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ১৯ কক্সবাজারের কালো টপসে ঝলমলে মিম

নয়াপল্টনেই বিএনপির মহাসমাবেশ হবে : গয়েশ্বর

নয়াপল্টনেই বিএনপির মহাসমাবেশ হবে : গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই বিএনপির ঢাকা বিভাগের মহাসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর শেরে-বাংলা-নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা যেখানে বলেছি সেখানেই হবে। অনুমতি দিলেও হবে, না দিলেও হবে। এ দেশটা আমাদের সবার। ইতোমধ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তারা দিতে যদি অপরাগ হয়, তারপরেও আমরা মহাসমাবেশ করব।

ঢাকা জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সাতটি সমাবেশ করেছি। আওয়ামী লীগ সব জায়গায় সংঘাতের চেষ্টা করেছে। প্রশাসন দিয়ে চেষ্টা করেছে, গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়ে চেষ্টা করেছে। কোন পথ তারা বাকি রাখেনি, আর নতুন কোন পথ খোলাও রাখেনি। সুতরাং ঢাকার মহাসমাবেশে তারা এটা করবে আমরা তা স্বাভাবিকভাবে মনে করছি, অস্বাভাবিক মনে করছি না।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমরা সরকারের ফাঁদে পা দেব না। আমরা সংঘাত এড়িয়ে আসব।
১০ ডিসেম্বর কী ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হবে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমরা ১০ তারিখের পরবর্তী কর্মসূচি অবশ্যই দেব। কিন্তু ১০ তারিখে তো বলব না এখানে আমাদের খেলা শেষ, আন্দোলন শেষ। ১০ তারিখের আগে যদি সরকার জনগণের দাবি মেনে নেয়, ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা অন্য ব্যাপার। কিন্তু এটা আমরা প্রত্যাশা করতে পারি না।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতেন, আইনের শাসনে বিশ্বাস করতেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন। সার্বিকভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ এবং ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করতেন। আজকে দেখছি এসব কিছু দূরে সরে গেছে।

বিএনপি এই নেতা বলেন, আজকে গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই, ন্যায়বিচার নেই। বিচারের নামে অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছি। এ অবস্থার উত্তরণ ঘটানোর জন্য চলমান আন্দোলনকে আরও গতিশীল করব। ইতোমধ্যে আন্দোলনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেওয়া শুরু করেছে। জনগণের অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে ভোটের অধিকার এবং জনগণ যে দেশের মালিক এটা প্রতিষ্ঠিত হবে।

এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবি রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার শাহ মাইনুল হোসেন বিল্টু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *