ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দেশে বছরে যক্ষ্মা আক্রান্ত হচ্ছে আড়াই লাখ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রতি বছর আড়াই লাখের বেশি মানুষের নতুন করে যক্ষ্মা শনাক্ত হচ্ছে। বেশিরভাগের রোগ ধরা পড়ছে দেরিতে। এতে বাড়ছে সংক্রমণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেশের চার কোটির বেশি মানুষের শরীরে সুপ্ত অবস্থায় যক্ষ্মার জীবাণু আছে। সংক্রমণ কমাতে জীবাণু বহনকারীদের প্রিভেন্টিভ থেরাপির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে ছড়ায় যক্ষ্মার জীবাণু। গত বছর সারা দেশে ২৯ লাখ নমুনা পরীক্ষা করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার মানুষের। সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ৭৫ হাজার। এর পর চট্টগ্রামে ৪৯ হাজার, খুলনা ও রাজশাহীতে ২৭ হাজার করে রোগী শনাক্ত হয়। আর সব চেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালক অধ্যাপক সামিউল ইসলাম বলেছেন, চিকিৎসায় যক্ষ্মা ভালো হলেও প্রতি বছর শনাক্তের বাইরে থাকছে অনেক রোগী। আর যারা চিকিৎসা পাচ্ছেন, তাদেরও রোগ ধরা পড়ছে দেরিতে। এতে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু।

অধ্যাপক সামিউল ইসলাম আরও বলেছেন, দেশে নিরবে যক্ষ্মার জীবাণু বহন করছে ৪ কোটির বেশি মানুষ। কোনো কারণে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে যক্ষ্মা রোগ হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে।

সারা দেশের উপজেলা পর্যায়েও যক্ষ্মা নির্ণয় ও চিকিৎসা দেওয়া হয় বিনামূল্যে। দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলেই পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টিবিএল অ্যান্ড এএসপি লাইন ডাইরেক্টর ডা. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করা জনগোষ্ঠী যক্ষায় আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে বছরে যক্ষ্মা আক্রান্ত হচ্ছে আড়াই লাখ

আপডেট সময় : ১২:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রতি বছর আড়াই লাখের বেশি মানুষের নতুন করে যক্ষ্মা শনাক্ত হচ্ছে। বেশিরভাগের রোগ ধরা পড়ছে দেরিতে। এতে বাড়ছে সংক্রমণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেশের চার কোটির বেশি মানুষের শরীরে সুপ্ত অবস্থায় যক্ষ্মার জীবাণু আছে। সংক্রমণ কমাতে জীবাণু বহনকারীদের প্রিভেন্টিভ থেরাপির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে ছড়ায় যক্ষ্মার জীবাণু। গত বছর সারা দেশে ২৯ লাখ নমুনা পরীক্ষা করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার মানুষের। সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ৭৫ হাজার। এর পর চট্টগ্রামে ৪৯ হাজার, খুলনা ও রাজশাহীতে ২৭ হাজার করে রোগী শনাক্ত হয়। আর সব চেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালক অধ্যাপক সামিউল ইসলাম বলেছেন, চিকিৎসায় যক্ষ্মা ভালো হলেও প্রতি বছর শনাক্তের বাইরে থাকছে অনেক রোগী। আর যারা চিকিৎসা পাচ্ছেন, তাদেরও রোগ ধরা পড়ছে দেরিতে। এতে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু।

অধ্যাপক সামিউল ইসলাম আরও বলেছেন, দেশে নিরবে যক্ষ্মার জীবাণু বহন করছে ৪ কোটির বেশি মানুষ। কোনো কারণে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে যক্ষ্মা রোগ হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে।

সারা দেশের উপজেলা পর্যায়েও যক্ষ্মা নির্ণয় ও চিকিৎসা দেওয়া হয় বিনামূল্যে। দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলেই পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টিবিএল অ্যান্ড এএসপি লাইন ডাইরেক্টর ডা. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করা জনগোষ্ঠী যক্ষায় আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।