ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৪ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

৬৪টি জেলার ওপর বিশেষ প্রতিবেদন করে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন

দেশের সেরা অদম্য এক মফস্বল সাংবাদিকের নাম ‘কামাল আতাতুর্ক মিসেল’

// শামছুর রহমান শিশির //
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত।

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের সুপরিচিত তারুণ্যদীপ্ত ক্ষুরধার লেখনিসম্পন্ন সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল। সংবাদের পেছনে ছুঁটে চলাই তার কাজ । টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত সংবাদ সংগ্রহে ছোঁটার নেশাকে কিভাবে পেশা করা যায় মফস্বল শহর কুমিল্লায় থেকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নেয়া মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল সেই অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

কামাল আতাতুর্ক মিসেল এর সাথে  আমার পরিচয় সেই ২০০৮ কিংবা  ৯ সালের দিকে। হাঁসি খুঁশি উচ্ছ্বল এক প্রাণবন্ত তরুণ সুদর্শন যুবক। সে সময়-ই তিনি দেশের নন্দিত ও পাঠকপ্রিয় জাতীয় পত্রিকা দৈনিক ইনকিলাব এ  কাজ করেন। প্রথম সাক্ষাতেই যে তার সাথে খুব ভাব হয়েছিলো, তা কিন্তু নয়। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সুবাদে নিয়মিতই তার সাথে দেখা হতো। হতো ভাব বিনিময়। আর এরই সূত্র ধরে আবিষ্কার করলাম এই মানুষটি তো আমাদের অন্য সহকর্মীদের থেকে অনেকটা আলাদা। ঠিক যেনো জ্বলন্ত বারুদ! তার ভেতর প্রচন্ড রকমের কী যেন একটা জেদ যা অসাধারন আর অসম্ভব কিছু একটা করে দেখানোর, কিছু একটা প্রমাণ করার এক দুরন্ত প্রচেষ্টাই মনে হয়েছে।

আমিও তখন দৈনিক ইনকিলাবের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়মিতই নিউজ করে বেড়াচ্ছি। ত্তই সময়ে মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংবাদগুলো জাতীয় দৈনিক ইনকিলাবে কাভারেজ করতেন। পত্রিকার পাতার এই ডিটার্মিনেশন ও কাজের প্রতি একাগ্রতা খুব অল্প দিনেই দেশের সংবাদপত্রের জগতে আলাদা এক পরিচিতি এনে দেয় তাকে। আর তার কাজের স্বীকৃতি দিতেও কার্পণ্য করেনি দৈনিক ইনকিলাব পরিবার। তাকে করা হয় পত্রিকাটির ভ্রাম্যমাণ সংবাদদাতা । এ দায়িত্ব যেনো তাকে আরো উসকে দেয়। দিন নেই রাত নেই তিনি বিরামহীন ছুঁটে বেড়াতে থাকেন বাংলাদেশের এ মাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত । যখনই তার সাথে দেখা  হয়, তখনই দেখি তার মাথায় ওই একই চিন্তা। কিভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়। তার এই পথচলা যে মসৃণ ছিলো তা কিন্তু নয়। তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক চড়াই-উৎড়াই ও লম্বা পথ। সবকিছু পেছনে ফেলে তিনি অদম্য গতিতে ছুঁটে চলেছেন আপন মনে। নিজের প্রতি বিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমই ছিলো তার মূল সম্বল। ব্যতিক্রমী চিন্তাধারায় তিনি সংবাদের খোঁজে চষে বেড়িয়েছেন দেশের ৬৪ জেলা। একাধারে তিনি ৬৪টি জেলার  বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনার উপর  বিশেষ প্রতিবেদন দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশ করেছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তাকে সামনে দিকে এগুতে সাহায্য করেছে । সেইসাথে  তার মেধা-মনন, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলা খবর বিডি’র বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবেও ক্রিটেটিভিটি অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বমহলে ভূয়সী প্রশংসিত হয়েছেন !

তার এই সাফল্যে একজন সহকর্মী হিসেবে আমি নিজেও পুলকিত ও গর্বিত। দেশের সেরা অদম্য সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল এর এগিয়ে চলা অব্যাহত থাকুক অজানা থেকে অনন্তের পানে-এ প্রত্যাশাই করি।

তিনি ইতিপূর্বে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) আয়োজনে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত “শিশু বিষয়ক উন্নয়ন সাংবাদিকতা” শীর্ষক কর্মশালা শেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এমপি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস)  এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরেণ্য সাংবাদিক প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল অদম্য তারুণদীপ্ত প্রতিভাবান দেশ সেরা সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল হাতে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সাটির্ফিকেট তুলে দেন যা তাকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে চলতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

মহানগর থেকে জেলা, উপজেলা এবং গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের প্রান্তিক পর্যায়ের পথে প্রান্তরে এবং দেশ থেকে দেশান্তরে জনাব কামাল আতার্তুক মিসেলের এই অদম্য ছুঁটে চলা, দেশের সংবাদপত্র জগতে স্বরনীয় বরণীয় অবদানের স্বাক্ষর রেখে এভাভেই আরও সামনের দিকে তিনি এগিয়ে যাবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা।

[ লেখক : সম্পাদক, বাংলা খবর বিডি ডটকম ]

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৬৪টি জেলার ওপর বিশেষ প্রতিবেদন করে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন

দেশের সেরা অদম্য এক মফস্বল সাংবাদিকের নাম ‘কামাল আতাতুর্ক মিসেল’

আপডেট সময় : ১১:৪৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দেশের সুপরিচিত তারুণ্যদীপ্ত ক্ষুরধার লেখনিসম্পন্ন সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল। সংবাদের পেছনে ছুঁটে চলাই তার কাজ । টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত সংবাদ সংগ্রহে ছোঁটার নেশাকে কিভাবে পেশা করা যায় মফস্বল শহর কুমিল্লায় থেকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নেয়া মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল সেই অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

কামাল আতাতুর্ক মিসেল এর সাথে  আমার পরিচয় সেই ২০০৮ কিংবা  ৯ সালের দিকে। হাঁসি খুঁশি উচ্ছ্বল এক প্রাণবন্ত তরুণ সুদর্শন যুবক। সে সময়-ই তিনি দেশের নন্দিত ও পাঠকপ্রিয় জাতীয় পত্রিকা দৈনিক ইনকিলাব এ  কাজ করেন। প্রথম সাক্ষাতেই যে তার সাথে খুব ভাব হয়েছিলো, তা কিন্তু নয়। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সুবাদে নিয়মিতই তার সাথে দেখা হতো। হতো ভাব বিনিময়। আর এরই সূত্র ধরে আবিষ্কার করলাম এই মানুষটি তো আমাদের অন্য সহকর্মীদের থেকে অনেকটা আলাদা। ঠিক যেনো জ্বলন্ত বারুদ! তার ভেতর প্রচন্ড রকমের কী যেন একটা জেদ যা অসাধারন আর অসম্ভব কিছু একটা করে দেখানোর, কিছু একটা প্রমাণ করার এক দুরন্ত প্রচেষ্টাই মনে হয়েছে।

আমিও তখন দৈনিক ইনকিলাবের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়মিতই নিউজ করে বেড়াচ্ছি। ত্তই সময়ে মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংবাদগুলো জাতীয় দৈনিক ইনকিলাবে কাভারেজ করতেন। পত্রিকার পাতার এই ডিটার্মিনেশন ও কাজের প্রতি একাগ্রতা খুব অল্প দিনেই দেশের সংবাদপত্রের জগতে আলাদা এক পরিচিতি এনে দেয় তাকে। আর তার কাজের স্বীকৃতি দিতেও কার্পণ্য করেনি দৈনিক ইনকিলাব পরিবার। তাকে করা হয় পত্রিকাটির ভ্রাম্যমাণ সংবাদদাতা । এ দায়িত্ব যেনো তাকে আরো উসকে দেয়। দিন নেই রাত নেই তিনি বিরামহীন ছুঁটে বেড়াতে থাকেন বাংলাদেশের এ মাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত । যখনই তার সাথে দেখা  হয়, তখনই দেখি তার মাথায় ওই একই চিন্তা। কিভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়। তার এই পথচলা যে মসৃণ ছিলো তা কিন্তু নয়। তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক চড়াই-উৎড়াই ও লম্বা পথ। সবকিছু পেছনে ফেলে তিনি অদম্য গতিতে ছুঁটে চলেছেন আপন মনে। নিজের প্রতি বিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমই ছিলো তার মূল সম্বল। ব্যতিক্রমী চিন্তাধারায় তিনি সংবাদের খোঁজে চষে বেড়িয়েছেন দেশের ৬৪ জেলা। একাধারে তিনি ৬৪টি জেলার  বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনার উপর  বিশেষ প্রতিবেদন দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশ করেছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তাকে সামনে দিকে এগুতে সাহায্য করেছে । সেইসাথে  তার মেধা-মনন, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলা খবর বিডি’র বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবেও ক্রিটেটিভিটি অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বমহলে ভূয়সী প্রশংসিত হয়েছেন !

তার এই সাফল্যে একজন সহকর্মী হিসেবে আমি নিজেও পুলকিত ও গর্বিত। দেশের সেরা অদম্য সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল এর এগিয়ে চলা অব্যাহত থাকুক অজানা থেকে অনন্তের পানে-এ প্রত্যাশাই করি।

তিনি ইতিপূর্বে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) আয়োজনে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত “শিশু বিষয়ক উন্নয়ন সাংবাদিকতা” শীর্ষক কর্মশালা শেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এমপি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস)  এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরেণ্য সাংবাদিক প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল অদম্য তারুণদীপ্ত প্রতিভাবান দেশ সেরা সাংবাদিক কামাল আতাতুর্ক মিসেল হাতে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সাটির্ফিকেট তুলে দেন যা তাকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে চলতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

মহানগর থেকে জেলা, উপজেলা এবং গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের প্রান্তিক পর্যায়ের পথে প্রান্তরে এবং দেশ থেকে দেশান্তরে জনাব কামাল আতার্তুক মিসেলের এই অদম্য ছুঁটে চলা, দেশের সংবাদপত্র জগতে স্বরনীয় বরণীয় অবদানের স্বাক্ষর রেখে এভাভেই আরও সামনের দিকে তিনি এগিয়ে যাবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা।

[ লেখক : সম্পাদক, বাংলা খবর বিডি ডটকম ]