ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দেশের মাটিতে বিদেশি ফল চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষক

মোঃ হায়দার আলী, নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪
  • / ৫৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
লবণ-মরিচ দিয়ে স্ট্রবেরি ভর্তা নিশ্চয়ই গত অনেকেই খেয়েছেন। বিভিন্ন শহর, গ্রামে এখন বিক্রি হচ্ছে। রীতিমতো দেশি ফলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ফলন হয়েছে স্ট্রবেরির। অ্যাভোকাডো, ড্রাগন ফল, রামবুটান এগুলোও এখন চাষ হচ্ছে দেশেই। গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে এসেছে অনেক বিদেশি ফল। প্রাথমিকভাবে কেউ নিতান্তই শখ করে চারা কলম বা বীজের মাধ্যমে এখানে নিয়ে এসেছেন গাছগুলো। পরে নার্সারির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। দেখা যাক এমন কী কী ফল এখানে জন্মে। চাইলে নিজের বাড়িতে বা বারান্দার টবে আপনিও এসব ফলের চারা এনে লাগাতে পারেন।
স্ট্রবেরি, এক সময় নির্দিষ্ট কিছু বাগানে সীমিত পরিমাণে দেখা গেলেও বর্তমানে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে চাষ হচ্ছে। গাছের (Fragaria vesca) গড়ন থানকুনিগাছের মতো, লতা মাটিতে গড়ায়। ফল একক, পরিপক্ব ফলের রং উজ্জ্বল লাল, গা-অসমান, খাঁজকাটা, তাতে বীজ থাকে। ফল সুগন্ধি, টক-মিষ্টি স্বাদের। এ ফলে আছে ভিটামিন এ ও সি।
নাশপাতি, নাশপাতি (Pyrus communis) মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল। দেশের বিভিন্ন কৃষি উদ্যান ও গবেষণা কেন্দ্রে সীমিত পরিসরে চাষ হয়। খাগড়াছড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ২০০১ সালের দিকে বারি নাশপাতি-১ নামে আমাদের আবহাওয়া উপযোগী একটি নতুন জাতের নাশপাতির জাত উদ্ভাবন ও বাজারজাত শুরু করে। জন্মস্থানে কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকলেও আমাদের দেশে সহজলভ্য প্রজাতিটি বরাবরই খয়েরি রঙের।
জংলি আতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গ্রন্থাগার লাগোয়া বাগান ও ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল গবেষণা কেন্দ্রে দেখা যায়। এ গাছটির ব্যতিক্রমী ফুল ও ফল অপরিচিতই মনে হয়। নাম-পরিচয়ে জংলি আতা (Annona muricata) হলেও আমাদের আতার সঙ্গে কোনো সাদৃশ্য নেই। পাকা ফল এমনিই খাওয়া যায়। তা ছাড়া জেলি, জুস ও আইসক্রিমেও ব্যবহার্য।
পার্সিমন, গাব পরিবারের এই ফল জাপানে খুব জনপ্রিয় এবং সেখানে কাকি (Diospyros kaki) নামে পরিচিত। ১৯৯৮ সালে জাপান থেকে নিয়ে আসা বীজগুলো রোপণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারে। ২০০৫ সালে তিনটি গাছে প্রথম ফল আসে। ফল আয়তাকার, কাঁচা অবস্থায় সবুজ, পাকা রং হলুদ-সবুজে মেশানো। বীজযুক্ত শাঁস সুমিষ্ট।
আলুবোখারা, ঢাকার ফল দোকানগুলোতে কদাচ এই ফলের দেখা মেলে। তবে শুকনা আলুবোখারা মশলার দোকানে বেশ পাওয়া যায়। আসে ভারত কিংবা পাকিস্তান থেকে। দেশে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি গাছ দেখা যায়। পরিণত গাছে পর্যাপ্ত ফল হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আলু বোখারা (Prunus domestica) পাকতে শুরু করে। পাকা ফলের রং লালচে হলুদ। খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। ভেতরের শক্ত বীজ থেকে চারা হয়।
সৌদি খেজুর, ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় আবদুল মোতালেবের বাগানে ২০০৬ সাল থেকেই ফল ধরতে শুরু করে। মূলত দেশি খেজুর শেষ হওয়ার দুই থেকে তিন মাস পর সৌদি খেজুরগুলো (Phoenix dactylifera) পাকতে শুরু করে। আমাদের আবহাওয়ায় এর অভিযোজনা চমৎকার হওয়ায় ব্যাপকভাবে রোপণ করা যেতে পারে। পুষ্টিগুণ অনেক ভালো হওয়ায় অন্তত দুটি খেজুর গাছ একটি পরিবারের সারা বছরের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
ড্রাগন ফল, বাণিজ্যিকভাবে চাহিদা থাকায় দেশে প্রচুর পরিমাণে ড্রাগন ফলের (Hylocereus undatus) চাষ হচ্ছে। গাছ লতানো। সচরাচর চার রঙের ফল দেখা যায় বাজারে-লাল বাকল, লাল শাঁস; হলুদ বাকল, সাদা শাঁস; লাল বাকল, সাদা শাঁস; লাল বাকল, নীলচে লাল শাঁস। রঙের ভিন্নতা অনুযায়ী স্বাদের ক্ষেত্রেও তারতম্য লক্ষ করা যায়। শাঁসের ভেতর ছোট ছোট অজস্র কালো রঙের বীজ থাকে। লাল রঙের ফল থেকে চমৎকার প্রাকৃতিক রং পাওয়া যায়। এই রং শরবত তৈরিতেও ব্যবহার হয়।
প্যাশন বা ট্যাং ফল, তুলনামূলকভাবে দেশে কম প্রচলিত ফল। বিভিন্ন নার্সারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে সীমিত আকারে চাষ হচ্ছে। এই ফলের শরবত অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন সি এতই বেশি যে ফলের এক-চতুর্থাংশ একজন মানুষের নিত্যদিনের ভিটামিন সির চাহিদা মেটাতে সক্ষম। গাছ (Passiflora edulis) লতানো, পাতা সবুজ, কিনারা গভীরভাবে খাঁজকাটা। ফল সুগোল, বড় সফেদা আকারের, খোসা শক্ত। পাকা-ফলের রং হলদেটে।
অ্যাভোকাডো, এখন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। গাছপ্রতি ফলন ও একেবারে কম নয়। অ্যাভোকাডোর (Persea americana) আদি আবাস আমেরিকা। ফল পরিণত হতে প্রায় সাত-আট মাস সময় লাগে। আকৃতিতে বেশ বড়-১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। ফল সাধারণত সালাদের মিশেল হিসেবেই ব্যবহার্য। সৌন্দর্যচর্চার উপকরণ হিসেবেও অনেকে ব্যবহার করেন।
রামবুটান, ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টার ও সাভারের হর্টাস নার্সারিসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়। পাতা ও ডালপালার বিন্যাস অনেকটা লিচুগাছের মতোই। গ্রীষ্মের শেষ ভাগ থেকে ফল পাকতে শুরু করে। কাঁচা অবস্থায় ফলের রং সবুজ, পাকলে লালচে রঙের। খোসা ছাড়ালেই লিচুর মতো সুমিষ্ট ও সুস্বাদু শাঁস পাওয়া যায়। আমাদের আবহাওয়ায় রামবুটান (Nephelium lappaceum) স্বাভাবিকভাবেই চাষ হতে পারে।
রাজশাহীর  উপ-পরিচালক  মোঃ মোজদার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা এক ইঞ্চি জমি ফাঁকা (পতিত) রাখা যাবে না। এ ঘোষনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য,স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। দেশী ফলের সাথে পাল্লা দিয়ে চাষ হচ্ছে ড্রাগন, তীন ফলসহ বিভিন্ন জাতের বিদেশী ফল। বেশ লাভবান হচ্ছে কৃষকগণ।
গোদাগাড়ীর আর্দশ কৃষক, বঙ্গবন্ধু পদক প্রদকপ্রাপ্ত দেশী বিদেশী ফল চাষি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, বিদেশী ফল চাষ করে  দেশের কৃষকগণ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান বাখছেন।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের মাটিতে বিদেশি ফল চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষক

আপডেট সময় : ০১:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪
লবণ-মরিচ দিয়ে স্ট্রবেরি ভর্তা নিশ্চয়ই গত অনেকেই খেয়েছেন। বিভিন্ন শহর, গ্রামে এখন বিক্রি হচ্ছে। রীতিমতো দেশি ফলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ফলন হয়েছে স্ট্রবেরির। অ্যাভোকাডো, ড্রাগন ফল, রামবুটান এগুলোও এখন চাষ হচ্ছে দেশেই। গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে এসেছে অনেক বিদেশি ফল। প্রাথমিকভাবে কেউ নিতান্তই শখ করে চারা কলম বা বীজের মাধ্যমে এখানে নিয়ে এসেছেন গাছগুলো। পরে নার্সারির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। দেখা যাক এমন কী কী ফল এখানে জন্মে। চাইলে নিজের বাড়িতে বা বারান্দার টবে আপনিও এসব ফলের চারা এনে লাগাতে পারেন।
স্ট্রবেরি, এক সময় নির্দিষ্ট কিছু বাগানে সীমিত পরিমাণে দেখা গেলেও বর্তমানে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে চাষ হচ্ছে। গাছের (Fragaria vesca) গড়ন থানকুনিগাছের মতো, লতা মাটিতে গড়ায়। ফল একক, পরিপক্ব ফলের রং উজ্জ্বল লাল, গা-অসমান, খাঁজকাটা, তাতে বীজ থাকে। ফল সুগন্ধি, টক-মিষ্টি স্বাদের। এ ফলে আছে ভিটামিন এ ও সি।
নাশপাতি, নাশপাতি (Pyrus communis) মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল। দেশের বিভিন্ন কৃষি উদ্যান ও গবেষণা কেন্দ্রে সীমিত পরিসরে চাষ হয়। খাগড়াছড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ২০০১ সালের দিকে বারি নাশপাতি-১ নামে আমাদের আবহাওয়া উপযোগী একটি নতুন জাতের নাশপাতির জাত উদ্ভাবন ও বাজারজাত শুরু করে। জন্মস্থানে কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকলেও আমাদের দেশে সহজলভ্য প্রজাতিটি বরাবরই খয়েরি রঙের।
জংলি আতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গ্রন্থাগার লাগোয়া বাগান ও ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল গবেষণা কেন্দ্রে দেখা যায়। এ গাছটির ব্যতিক্রমী ফুল ও ফল অপরিচিতই মনে হয়। নাম-পরিচয়ে জংলি আতা (Annona muricata) হলেও আমাদের আতার সঙ্গে কোনো সাদৃশ্য নেই। পাকা ফল এমনিই খাওয়া যায়। তা ছাড়া জেলি, জুস ও আইসক্রিমেও ব্যবহার্য।
পার্সিমন, গাব পরিবারের এই ফল জাপানে খুব জনপ্রিয় এবং সেখানে কাকি (Diospyros kaki) নামে পরিচিত। ১৯৯৮ সালে জাপান থেকে নিয়ে আসা বীজগুলো রোপণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারে। ২০০৫ সালে তিনটি গাছে প্রথম ফল আসে। ফল আয়তাকার, কাঁচা অবস্থায় সবুজ, পাকা রং হলুদ-সবুজে মেশানো। বীজযুক্ত শাঁস সুমিষ্ট।
আলুবোখারা, ঢাকার ফল দোকানগুলোতে কদাচ এই ফলের দেখা মেলে। তবে শুকনা আলুবোখারা মশলার দোকানে বেশ পাওয়া যায়। আসে ভারত কিংবা পাকিস্তান থেকে। দেশে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি গাছ দেখা যায়। পরিণত গাছে পর্যাপ্ত ফল হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আলু বোখারা (Prunus domestica) পাকতে শুরু করে। পাকা ফলের রং লালচে হলুদ। খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। ভেতরের শক্ত বীজ থেকে চারা হয়।
সৌদি খেজুর, ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় আবদুল মোতালেবের বাগানে ২০০৬ সাল থেকেই ফল ধরতে শুরু করে। মূলত দেশি খেজুর শেষ হওয়ার দুই থেকে তিন মাস পর সৌদি খেজুরগুলো (Phoenix dactylifera) পাকতে শুরু করে। আমাদের আবহাওয়ায় এর অভিযোজনা চমৎকার হওয়ায় ব্যাপকভাবে রোপণ করা যেতে পারে। পুষ্টিগুণ অনেক ভালো হওয়ায় অন্তত দুটি খেজুর গাছ একটি পরিবারের সারা বছরের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
ড্রাগন ফল, বাণিজ্যিকভাবে চাহিদা থাকায় দেশে প্রচুর পরিমাণে ড্রাগন ফলের (Hylocereus undatus) চাষ হচ্ছে। গাছ লতানো। সচরাচর চার রঙের ফল দেখা যায় বাজারে-লাল বাকল, লাল শাঁস; হলুদ বাকল, সাদা শাঁস; লাল বাকল, সাদা শাঁস; লাল বাকল, নীলচে লাল শাঁস। রঙের ভিন্নতা অনুযায়ী স্বাদের ক্ষেত্রেও তারতম্য লক্ষ করা যায়। শাঁসের ভেতর ছোট ছোট অজস্র কালো রঙের বীজ থাকে। লাল রঙের ফল থেকে চমৎকার প্রাকৃতিক রং পাওয়া যায়। এই রং শরবত তৈরিতেও ব্যবহার হয়।
প্যাশন বা ট্যাং ফল, তুলনামূলকভাবে দেশে কম প্রচলিত ফল। বিভিন্ন নার্সারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে সীমিত আকারে চাষ হচ্ছে। এই ফলের শরবত অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন সি এতই বেশি যে ফলের এক-চতুর্থাংশ একজন মানুষের নিত্যদিনের ভিটামিন সির চাহিদা মেটাতে সক্ষম। গাছ (Passiflora edulis) লতানো, পাতা সবুজ, কিনারা গভীরভাবে খাঁজকাটা। ফল সুগোল, বড় সফেদা আকারের, খোসা শক্ত। পাকা-ফলের রং হলদেটে।
অ্যাভোকাডো, এখন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। গাছপ্রতি ফলন ও একেবারে কম নয়। অ্যাভোকাডোর (Persea americana) আদি আবাস আমেরিকা। ফল পরিণত হতে প্রায় সাত-আট মাস সময় লাগে। আকৃতিতে বেশ বড়-১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। ফল সাধারণত সালাদের মিশেল হিসেবেই ব্যবহার্য। সৌন্দর্যচর্চার উপকরণ হিসেবেও অনেকে ব্যবহার করেন।
রামবুটান, ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টার ও সাভারের হর্টাস নার্সারিসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়। পাতা ও ডালপালার বিন্যাস অনেকটা লিচুগাছের মতোই। গ্রীষ্মের শেষ ভাগ থেকে ফল পাকতে শুরু করে। কাঁচা অবস্থায় ফলের রং সবুজ, পাকলে লালচে রঙের। খোসা ছাড়ালেই লিচুর মতো সুমিষ্ট ও সুস্বাদু শাঁস পাওয়া যায়। আমাদের আবহাওয়ায় রামবুটান (Nephelium lappaceum) স্বাভাবিকভাবেই চাষ হতে পারে।
রাজশাহীর  উপ-পরিচালক  মোঃ মোজদার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা এক ইঞ্চি জমি ফাঁকা (পতিত) রাখা যাবে না। এ ঘোষনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য,স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। দেশী ফলের সাথে পাল্লা দিয়ে চাষ হচ্ছে ড্রাগন, তীন ফলসহ বিভিন্ন জাতের বিদেশী ফল। বেশ লাভবান হচ্ছে কৃষকগণ।
গোদাগাড়ীর আর্দশ কৃষক, বঙ্গবন্ধু পদক প্রদকপ্রাপ্ত দেশী বিদেশী ফল চাষি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, বিদেশী ফল চাষ করে  দেশের কৃষকগণ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান বাখছেন।
বাখ//আর