ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দেশের প্রায় ৪ কোটি মানুষ খাদ্য ঝুঁকিতে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৬০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একদল মানুষ খাবার পাচ্ছেন না, আরেকদল করছেন অপচয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈষম্যের এই প্রবণতা অর্থনীতি কিংবা সামাজিক স্থিতিশীলতা দুই দিকের জন্যই ভয়ংকর। আইন করা সম্ভব না হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন একটি নীতিমালা তৈরি জরুরি, যাতে কোনভাবেই খাবারের অপচয় না হয়।

অবশ্য খাবারের এ অপচয়ের প্রবণতা বিশ্বব্যাপী শঙ্কাজনক। চলতি বছরে প্রকাশিত জাতিসংঘের খাবার অপচয় সূচক প্রতিবেদন বলছে, বিশ্ববাজারে আসা ৫ ভাগের একভাগ খাবারই অপচয় করেন সামর্থবান ভোক্তারা। যার পরিমাণ বছরে প্রায় ১০০ কোটি টন এবং বাংলাদেশে এ অপচয়ের হার উন্নত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়ার চেয়েও বেশি।

কিন্তু যেখানে ৪ কোটির বেশি মানুষ খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সেখানে এই প্রবণতা কতটা নেতিবাচক।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. মাহফুজ কবির বলেন, ‘আমাদের উৎপাদন হচ্ছে ঠিকি। কিন্তু আপচয়ের কারণে আমদানিও করতে হচ্ছে। এ অপচয় না হলে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারতাম। এ বিষয়ে সরকারের কোনো সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নেই।’

বাস্তবতা হলো খাবারের অপচয় অপরাধ বাংলাদেশের আইনে এমন কোন দিক নেই। তাই বিশ্লেষকরা মনে করেন খাবার পাবার শঙ্কায় থাকার মানুষগুলোর স্বার্থে একটি নীতিমালা হোক। সামাজিক কিংবা বিশ্বাসের প্রচারে এমন একটা অনুভূতি সঞ্চারিত হোক যার চূড়ান্ত লক্ষ্য বৈষম্যহীন এক বাংলাদেশ।

অভিজাত এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের বাফেটে প্রায় ১০০ পদ আছে। কোন রকমেই নেই কমতি কিন্তু এখানে স্বভাবগতভাবে খাবার প্লেটে ওঠানোর প্রতিযোগিতা চলে।

পরিবেশকদের হাতে প্লেট ভর্তি খাবার পরিবেশনের জন্য নয়, পরিস্কারের জন্য থাকে। কিন্তু একেকটি রেস্টুরেন্টে প্রতিদিন কী পরিমাণ খাবারের অপচয় হচ্ছে তার হিসেব পাওয়াটা কঠিন। কারণ রসুই ঘর কিংবা অন্দরে প্রবেশের সুযোগ খুব একটা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের প্রায় ৪ কোটি মানুষ খাদ্য ঝুঁকিতে

আপডেট সময় : ০২:১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪

একদল মানুষ খাবার পাচ্ছেন না, আরেকদল করছেন অপচয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈষম্যের এই প্রবণতা অর্থনীতি কিংবা সামাজিক স্থিতিশীলতা দুই দিকের জন্যই ভয়ংকর। আইন করা সম্ভব না হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন একটি নীতিমালা তৈরি জরুরি, যাতে কোনভাবেই খাবারের অপচয় না হয়।

অবশ্য খাবারের এ অপচয়ের প্রবণতা বিশ্বব্যাপী শঙ্কাজনক। চলতি বছরে প্রকাশিত জাতিসংঘের খাবার অপচয় সূচক প্রতিবেদন বলছে, বিশ্ববাজারে আসা ৫ ভাগের একভাগ খাবারই অপচয় করেন সামর্থবান ভোক্তারা। যার পরিমাণ বছরে প্রায় ১০০ কোটি টন এবং বাংলাদেশে এ অপচয়ের হার উন্নত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়ার চেয়েও বেশি।

কিন্তু যেখানে ৪ কোটির বেশি মানুষ খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সেখানে এই প্রবণতা কতটা নেতিবাচক।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. মাহফুজ কবির বলেন, ‘আমাদের উৎপাদন হচ্ছে ঠিকি। কিন্তু আপচয়ের কারণে আমদানিও করতে হচ্ছে। এ অপচয় না হলে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারতাম। এ বিষয়ে সরকারের কোনো সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নেই।’

বাস্তবতা হলো খাবারের অপচয় অপরাধ বাংলাদেশের আইনে এমন কোন দিক নেই। তাই বিশ্লেষকরা মনে করেন খাবার পাবার শঙ্কায় থাকার মানুষগুলোর স্বার্থে একটি নীতিমালা হোক। সামাজিক কিংবা বিশ্বাসের প্রচারে এমন একটা অনুভূতি সঞ্চারিত হোক যার চূড়ান্ত লক্ষ্য বৈষম্যহীন এক বাংলাদেশ।

অভিজাত এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের বাফেটে প্রায় ১০০ পদ আছে। কোন রকমেই নেই কমতি কিন্তু এখানে স্বভাবগতভাবে খাবার প্লেটে ওঠানোর প্রতিযোগিতা চলে।

পরিবেশকদের হাতে প্লেট ভর্তি খাবার পরিবেশনের জন্য নয়, পরিস্কারের জন্য থাকে। কিন্তু একেকটি রেস্টুরেন্টে প্রতিদিন কী পরিমাণ খাবারের অপচয় হচ্ছে তার হিসেব পাওয়াটা কঠিন। কারণ রসুই ঘর কিংবা অন্দরে প্রবেশের সুযোগ খুব একটা নেই।