শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পটুয়াখালীর “শ্রেষ্ঠ জয়িতা” কলাপাড়ার মিলি রাস্তা বন্ধ করে সভা-সমাবেশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল: আইনমন্ত্রী নাশকতার চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে : র‌্যাব গোলের পর কেঁদে ফেলেছি: পরীমণি ব্রাজিল যে কারণে ছিটকে গেল বিএনপির ৭ এমপির সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ১১ লাখের যৌতুক ফিরিয়ে দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন যুবক রোমান্টিক সিনেমায় আর অভিনয় করবেন না রণবীর বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য নাচবেন মেসি : আগুয়েরো রাজধানীর অলিগলিতে সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসভবনের আশপাশে আরো পুলিশ মোতায়েন বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘরে না ঢোকা পর্যন্ত আমরা পাহারায় থাকব : নিখিল সমাবেশ ঘিরে যে আতঙ্ক ছিল, আজ নেই: ডিবিপ্রধান নেতাকর্মীরা পাহারাদার হিসেবে আছেন: মায়া

দুই উদ্দেশ্যে বিএনপি রাস্তায় সমাবেশ করতে চায় : তথ্যমন্ত্রী

দুই উদ্দেশ্যে বিএনপি রাস্তায় সমাবেশ করতে চায় : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দুটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে বিএনপি রাস্তায় সমাবেশ করতে চায় বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, প্রথমত বিএনপি ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে তাদের অফিসের সামনে সমাবেশ করার উদ্দেশ্যটাই একটা হীন উদ্দেশ্য। বড় সমাবেশ কখনও রাস্তায় হয় না। রাস্তায় সমাবেশ করা অনুচিত। এতে জনগণের দুর্ভোগ হয়।

তিনি বলেন, নয়াপল্টনের সামনে ৩০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ ধরে। পুরো এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়েও যদি মানুষ বসে তাহালে ৫০ হাজারের বেশি নয়। সেখানে তারা সমাবেশ করতে চায়। এর মানে আসলে তারা জানে যে, কত লোক হতে পারে। তাদের লোক যে ৩০ থেকে ৫০ হাজারের বেশি হবে না এটা তারা আগে থেকেই জানে। সেটিও যদি হয়। কোনো অবস্থায়ই একটি ব্যস্ত রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করা উচিত নয়।

তিনি আরো বলেন, সেখানেই সমাবেশ করার ওপর জোর দেওয়ার মাধ্যমে এটিই তারা প্রমাণ করছে, প্রথমত তারা শঙ্কিত, তাদের ওখানে লোক হবে না। দ্বিতীয়ত রাস্তায় সমাবেশ করলে গণ্ডগোল করতে সুবিধা হয়। এ দুই উদ্দেশ্যে তারা সেখানে সমাবেশ করতে চায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, সরকার তো গণ্ডগোল করার অনুমতি কাউকে দিতে পারে না। প্রশাসন তো গণ্ডগোল করার অনুমতি কাউকে দিতে পারে না। সমাবেশ করার অনুমতি দিতে পারে। গণ্ডগোল করার উদ্দেশ্যে কোনো সমাবেশের অনুমতি তো সরকার দিতে পারে না।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য এসেছিলেন। পাশাপাশি ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ ও সুইস দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে মানবাধিকার সংরক্ষণে সাংবাদিকদের ভূমিকা শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এসেছিলেন। আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমি বিএনপির মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিও বলেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *