ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দিনাজপুরে ক্ষত্রিয় সমিতির উপনয়ন দিবসে ডাঃ বসন্ত কুমার রায়

দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৪২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের প্রবীণ শিশু চিকিৎসক, সাদা মনের মানুষ এবং দিনাজপুর ক্ষত্রিয় সমিতির আজিবন সভাপতি ডাঃ বসন্ত কুমার রায় বলেছেন, ক্ষত্রিয় গুন ও কর্ম ধারন করে নিজেকে সামাজিক কর্মে আত্মনিয়োগ করতে হবে এবং সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার পথ সঠিকভাবে অনুস্মরণ করতে পারলে ক্ষত্রিয় পরিচিতি স্বার্থক হবে। তাই আমাদের সন্তানদের যথা সময়ে উপনয়ন দিতে হবে। তাহলে তারা সকল প্রকার কুকর্ম, কুসংস্কার ও অসঙ্গতি থেকে রক্ষা পাবে।

দিনাজপুর ক্ষত্রিয় সমিতির আয়োজনে সুইহারীস্থ তাদের নিজস্ব মন্দির “পার্থ সারথী মন্দির” প্রাঙ্গণে ১১২ তম ঐতিহাসিক ২৭ মাঘ উদযাপন উপলক্ষ্যে উপনয়ন দিবস এর ধর্মীয় আলোচনা সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। ঐতিহাসিক ২৭ মাঘ এবং উপনয়ন দিবসের তাৎপর্য তুলে প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করতে গিয়ে সমিতির সাধারন সম্পাদক শ্রী মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় বলেন, ক্ষত্রিয়দের প্রাণপুরুষ ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা ক্ষত্রিয়দের অসাম্প্রদায়িক-মানবতাবাদি ও কল্যাণধর্মী জাতি হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠার জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষত্রিয় সমাজের পথপ্রদর্শক পঞ্চানন বর্মার নেতৃত্বে ১৩১৯ বঙ্গাব্দে পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন করতোয়ার পবিত্র জলে লক্ষ লক্ষ ব্রাত্যক্ষত্রিয়ের গলায় পৈতা ধারণ করে এবং দ্বিজরূপে নতুন ক্ষত্রিয়ের আত্মপ্রকাশ করে।

ক্ষত্রিয় সমিতির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ অক্ষয় কুমার রায় এর সঞ্চালনায় ধর্মীয় আলোচনা করেন প্রাক্তন শিক্ষক উমা কান্ত বর্মা, প্রাক্তন ব্যাংক কর্মকর্তা কংস নাথ অধিকারী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান মনমোহন রায়, ডাঃ নির্মেলেন্দু রায়, এ্যাডঃ নিতিশ চন্দ্র রায়, অধ্যাপক সন্তোষ কুমার রায়, লহ্মীনাথ রায়। কালিপুজার মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। তারপর গীতা পাঠ, ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, ধর্মীয় সংগীত এবং শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

দিনাজপুরে ক্ষত্রিয় সমিতির উপনয়ন দিবসে ডাঃ বসন্ত কুমার রায়

আপডেট সময় : ০৫:১৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দিনাজপুরের প্রবীণ শিশু চিকিৎসক, সাদা মনের মানুষ এবং দিনাজপুর ক্ষত্রিয় সমিতির আজিবন সভাপতি ডাঃ বসন্ত কুমার রায় বলেছেন, ক্ষত্রিয় গুন ও কর্ম ধারন করে নিজেকে সামাজিক কর্মে আত্মনিয়োগ করতে হবে এবং সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার পথ সঠিকভাবে অনুস্মরণ করতে পারলে ক্ষত্রিয় পরিচিতি স্বার্থক হবে। তাই আমাদের সন্তানদের যথা সময়ে উপনয়ন দিতে হবে। তাহলে তারা সকল প্রকার কুকর্ম, কুসংস্কার ও অসঙ্গতি থেকে রক্ষা পাবে।

দিনাজপুর ক্ষত্রিয় সমিতির আয়োজনে সুইহারীস্থ তাদের নিজস্ব মন্দির “পার্থ সারথী মন্দির” প্রাঙ্গণে ১১২ তম ঐতিহাসিক ২৭ মাঘ উদযাপন উপলক্ষ্যে উপনয়ন দিবস এর ধর্মীয় আলোচনা সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। ঐতিহাসিক ২৭ মাঘ এবং উপনয়ন দিবসের তাৎপর্য তুলে প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করতে গিয়ে সমিতির সাধারন সম্পাদক শ্রী মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় বলেন, ক্ষত্রিয়দের প্রাণপুরুষ ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা ক্ষত্রিয়দের অসাম্প্রদায়িক-মানবতাবাদি ও কল্যাণধর্মী জাতি হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠার জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষত্রিয় সমাজের পথপ্রদর্শক পঞ্চানন বর্মার নেতৃত্বে ১৩১৯ বঙ্গাব্দে পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন করতোয়ার পবিত্র জলে লক্ষ লক্ষ ব্রাত্যক্ষত্রিয়ের গলায় পৈতা ধারণ করে এবং দ্বিজরূপে নতুন ক্ষত্রিয়ের আত্মপ্রকাশ করে।

ক্ষত্রিয় সমিতির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ অক্ষয় কুমার রায় এর সঞ্চালনায় ধর্মীয় আলোচনা করেন প্রাক্তন শিক্ষক উমা কান্ত বর্মা, প্রাক্তন ব্যাংক কর্মকর্তা কংস নাথ অধিকারী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান মনমোহন রায়, ডাঃ নির্মেলেন্দু রায়, এ্যাডঃ নিতিশ চন্দ্র রায়, অধ্যাপক সন্তোষ কুমার রায়, লহ্মীনাথ রায়। কালিপুজার মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। তারপর গীতা পাঠ, ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, ধর্মীয় সংগীত এবং শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

বাখ//আর